সোমবার   ২৬ অক্টোবর ২০২০   কার্তিক ১০ ১৪২৭   ০৯ রবিউল আউয়াল ১৪৪২

কক্সবাজার বার্তা
সর্বশেষ:
৭২ হাজার ৭৫০ কোটি টাকার প্রণোদনা প্যাকেজ ঘোষণা ‘২০৪১ সালে মাথাপিছু আয় দাঁড়াবে সাড়ে ১২ হাজার ডলার’ রোহিঙ্গা ইস্যুতে প্রধানমন্ত্রীর প্রশংসা করে অ্যাঞ্জেলিনার চিঠি ডিসেম্বরে নির্মাণ শুরু হবে দেশের প্রথম পাতাল মেট্রো রুট গোলদিঘির পাড়ে নির্মিত হচ্ছে আধুনিকমানের মারকাজ মসজিদ ২০২২ সালের মধ্যে ট্রেন চলবে কক্সবাজারে কক্সবাজারের উন্নয়নে উদ্যোগ নিলো জাতিসংঘ দ্বিতীয় পারমানবিক বিদ্যুৎ প্রকল্প মহেশখালী-কুতুবদিয়ায়! এগিয়ে চলছে স্বপ্নের কর্ণফুলী টানেল নির্মাণ কাজ ১০০ হাজার কোটি টাকার উন্নয়ন কাজ চলছে কক্সবাজারে ২৫ মেগা প্রকল্পে পাল্টে যাচ্ছে কক্সবাজার উন্নয়নে শীর্ষে কক্সবাজার
১৪১

আবার আশা দেখাচ্ছে বাংলাদেশের ভ্যাকসিন

প্রকাশিত: ৭ অক্টোবর ২০২০  

কোভিড-১৯ এ আবার আশা দেখাচ্ছে বাংলাদেশের ভ্যাকসিন। দেশীয় ফার্মাসিউটিক্যাল কোম্পানি গ্লোব বায়োটেক লিমিটেড বলছে সরকারের সার্বিক সহযোগিতা পেলে ডিসেম্বরের শেষে অথবা জানুয়ারির শুরুতে গ্লোবের ভ্যাকসিন আসতে পারে। সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়েছে প্রাণীর দেহে সফল প্রয়োগের পর এবার মানুষের দেহে ভ্যাকসিন প্রয়োগে প্রস্তত গ্লোব।

সোমবার রাজধানীর একটি হোটেলে গ্লোবের ভ্যাকসিনের অগ্রগতি এবং বর্তমান অবস্থা সম্পর্কে জানাতে এক সংবাদ সম্মেলনে প্রতিষ্ঠানের চেয়ারম্যান মোঃ হারুনুর রশিদ বলেন, ডিসেম্বর-জানুয়ারির ভেতরে ভ্যাকসিন দিতে পারব। তবে এজন্য তিনি সরকারের পৃষ্ঠপোষকতা প্রয়োজন বলে জানান। তিনি বলেন, আমরা টিকার ডোজ তৈরি করার জন্য প্রস্তুত আছি, গ্লোবের পক্ষ থেকে সব কাজ শেষ, বাকি কাজের জন্য বাংলাদেশ মেডিক্যাল রিসার্চ কাউন্সিল (বিএমআরসি) এবং ওষুধ প্রশাসন অধিদফতর এবং সরকারের সার্বিক সহযোগিতার অপেক্ষায় রয়েছি। যে কোন ভ্যাকসিন আবিষ্কারের প্রথম পর্যায়ে গবেষণাগারে এটি প্রাণীর ওপর প্রয়োগ করা হয়। এরপর প্রথম ধাপে এক থেকে তিন জনের ওপর সংখ্যক মানুষের ওপর প্রয়োগ করা হয়। দ্বিতীয় ধাপে এর চেয়ে কিছু বেশি ২০ থেকে ৪০ জনের ওপর ট্রায়াল দেয়া হয়। কিন্তু তৃতীয় ধাপের ট্রায়ালে তিন থেকে পাঁচ হাজার কিংবা আরও বেশি সংখ্যক মানুষের ওপর ভ্যাকসিনটির কার্যকারিতা পরীক্ষা করা হয়। সেখানে গ্লোব বলছে তারা মানুষের ওপর প্রয়োগ শুরুর প্রস্তুতি নিচ্ছে। এজন্য সরকারের অনুমোদন প্রত্যাশা করছে প্রতিষ্ঠানটি। প্রতিষ্ঠানের চেয়ারম্যান হারুনুর রশিদ বলেন, যারা বিশেষজ্ঞ রয়েছেন তারা প্রমাণ করুক গ্লোবের যে ভ্যাকসিন হিউম্যান ট্রায়ালে যাবে সেটা পৃথিবীর কোন ভ্যাকসিন থেকে কোন অংশে ছোট বা কম। সরকার ভ্যাকসিন কেনার জন্য ১০ হাজার কোটি টাকা রেখে দিয়েছে অথচ সরকার যদি আমাদের সহযোগিতা করে তাহলে এই ভ্যাকসিন রফতানি করে ৫০ হাজার কোটি টাকা দিতে পারব। এই ভ্যাকসিন অবশ্যই বিশ্বের অন্যতম ভ্যাকসিন হবে মন্তব্য করে তিনি বলেন, আশা করি সরকার আমাদের সহযোগিতা করবে যেন যত তাড়াতাড়ি গ্লোবের এ ভ্যাকসিন বাজারে আসতে পারে, সরকারের পৃষ্ঠপোষকতার ওপর আমরা নির্ভর করছি।

সংবাদ সম্মেলনে বিএমআরসির অনুমোদন সাপেক্ষে ওষুধ প্রশাসন অধিদফতরের কাছে প্রোটোকলসহ ক্লিনিক্যাল ট্রায়াল শুরু করার জন্য আবেদন করবেন বলেও জানান প্রতিষ্ঠানের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা কাকন নাগ। তিনি বলেন, বিদেশের প্রতি নির্ভরশীল হলে চলবে না। গ্লোবের ভ্যাকসিন তৈরির সক্ষমতা রয়েছে সেটা প্রমাণিত মন্তব্য করে সংবাদ সম্মেলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফার্মাসি অনুষদের ডিন অধ্যাপক আব্দুর রহমান বলেন, এ ভ্যাকসিন কার্যকর হবে। কোন কোন ক্ষেত্রে মডার্নার চেয়ে বেশি কার্যকর হবে। তাই এ ভ্যাকসিনের ক্লিনিক্যাল ট্রায়াল দ্রুত শুরু করা দরকার।

কক্সবাজার বার্তা
কক্সবাজার বার্তা
এই বিভাগের আরো খবর