বৃহস্পতিবার   ২৮ জানুয়ারি ২০২১   মাঘ ১৫ ১৪২৭   ১৪ জমাদিউস সানি ১৪৪২

কক্সবাজার বার্তা
সর্বশেষ:
৭২ হাজার ৭৫০ কোটি টাকার প্রণোদনা প্যাকেজ ঘোষণা ‘২০৪১ সালে মাথাপিছু আয় দাঁড়াবে সাড়ে ১২ হাজার ডলার’ রোহিঙ্গা ইস্যুতে প্রধানমন্ত্রীর প্রশংসা করে অ্যাঞ্জেলিনার চিঠি ডিসেম্বরে নির্মাণ শুরু হবে দেশের প্রথম পাতাল মেট্রো রুট গোলদিঘির পাড়ে নির্মিত হচ্ছে আধুনিকমানের মারকাজ মসজিদ ২০২২ সালের মধ্যে ট্রেন চলবে কক্সবাজারে কক্সবাজারের উন্নয়নে উদ্যোগ নিলো জাতিসংঘ দ্বিতীয় পারমানবিক বিদ্যুৎ প্রকল্প মহেশখালী-কুতুবদিয়ায়! এগিয়ে চলছে স্বপ্নের কর্ণফুলী টানেল নির্মাণ কাজ ১০০ হাজার কোটি টাকার উন্নয়ন কাজ চলছে কক্সবাজারে ২৫ মেগা প্রকল্পে পাল্টে যাচ্ছে কক্সবাজার উন্নয়নে শীর্ষে কক্সবাজার
৫০

আলহামদুলিল্লাহ, আমরা অত্যন্ত খুশি

প্রকাশিত: ৫ ডিসেম্বর ২০২০  

মিয়ানমার সেনবাহিনীর নির্যাতনে বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গদের মধ্যে ১৬৪২ জনকে নোয়াখালীর ভাসানচরে স্থানান্তর করা হয়েছে। শুক্রবার (৩ ডিসেম্বর) তাদেরকে আটটি জাহাজে সেখানে পাঠানো হয়।

ভাসানচরে ওই দলের সঙ্গে থাকা সৈয়দ উল্লাহ নামে এক রোহিঙ্গা জানান, এখানে পৌঁছে সব সুযোগ-সুবিধাগুলো দেখে খুব খুশি হয়েছি।

পরবর্তী যাত্রায় ভাসানচরে আসার জন্য কক্সবাজার ক্যাম্পে থাকা তার স্বজনদের উৎসাহিত করবেন বলে জানান তিনি।

সংবাদমাধ্যমকে তিনি বলেন, আলহামদুলিল্লাহ। আমরা অত্যন্ত খুশি। আমি কখনই ভাবিনি যে এত সুন্দর জায়গাটি, এত সুযোগ-সুবিধা নিয়ে আমাদের জন্য অপেক্ষা করছে।

সৈয়দ তার আত্মীয়-স্বজন এবং বন্ধুবান্ধবসহ বেশ কয়েকজনকে ফোন করেছেন যারা এখনও কক্সবাজার রোহিঙ্গা ক্যাম্পে বসবাস করছেন। বিনাদ্বিধায় ভাসানচরের দ্বিতীয় দলের যাত্রায় যোগ দিতে উৎসাহিত করেন তাদের।

তিনি বলেন, ‘আমি তাদের ফোন করেছি। ভাসানচরে আসার পরে এটিই আমি প্রথম করলাম।’

৩০ বছর বয়সী সৈয়দ উল্লাহ স্ত্রী, তিন মেয়ে ও একমাত্র ছেলেকে নিয়ে বিকালে ভাসানচরে পৌঁছান।

তিনি বলেন, ‘কেউ আমাদের এখানে আসতে বাধ্য করেনি। আমি স্বেচ্ছায় এখানে এসেছি। এখানকার সুযোগগুলো দেখার পরে সবাই এখানে আসতে রাজি হবে। আমরা এখন আরও বেশি খুশি। সবাই এখানকার সুযোগ সুবিধা দেখে অনেক খুশি। আমরা যা ভেবেছি তার থেকে বেশি পেয়ে আমরা আল্লাহর কাছে কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি।

সৈয়দ উল্লাহ কক্সবাজারের তুলনায় মসজিদ, আবাসন সুবিধাসমূহ এবং প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র দেখে সন্তুষ্টি প্রকাশ করেন।

রোহিঙ্গাদের প্রথমে বাসে করে চট্টগ্রামে আনা হয় এবং রাতে একটি স্কুলে রাখা হয়েছিল। সকালে তারা ভাসানচরের উদ্দেশ্যে যাত্রা করেন। আর বিকেল ৩টার দিকে তারা ভাসানচরে পৌঁছান।

কক্সবাজার বার্তা
কক্সবাজার বার্তা
এই বিভাগের আরো খবর