শনিবার   ৩১ অক্টোবর ২০২০   কার্তিক ১৬ ১৪২৭   ১৪ রবিউল আউয়াল ১৪৪২

কক্সবাজার বার্তা
সর্বশেষ:
৭২ হাজার ৭৫০ কোটি টাকার প্রণোদনা প্যাকেজ ঘোষণা ‘২০৪১ সালে মাথাপিছু আয় দাঁড়াবে সাড়ে ১২ হাজার ডলার’ রোহিঙ্গা ইস্যুতে প্রধানমন্ত্রীর প্রশংসা করে অ্যাঞ্জেলিনার চিঠি ডিসেম্বরে নির্মাণ শুরু হবে দেশের প্রথম পাতাল মেট্রো রুট গোলদিঘির পাড়ে নির্মিত হচ্ছে আধুনিকমানের মারকাজ মসজিদ ২০২২ সালের মধ্যে ট্রেন চলবে কক্সবাজারে কক্সবাজারের উন্নয়নে উদ্যোগ নিলো জাতিসংঘ দ্বিতীয় পারমানবিক বিদ্যুৎ প্রকল্প মহেশখালী-কুতুবদিয়ায়! এগিয়ে চলছে স্বপ্নের কর্ণফুলী টানেল নির্মাণ কাজ ১০০ হাজার কোটি টাকার উন্নয়ন কাজ চলছে কক্সবাজারে ২৫ মেগা প্রকল্পে পাল্টে যাচ্ছে কক্সবাজার উন্নয়নে শীর্ষে কক্সবাজার
১৩৮

আলোচনায় আসতে নিজেই ধর্ষণ মামলা করিয়েছে নূরু !

প্রকাশিত: ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২০  

মহামারি করোনাভাইরাস সংক্রমণের কারণে দেশের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধের ফলে ছাত্র রাজনীতিও কার্যত বন্ধ। ফলে দীর্ঘদিন ধরেই ছাত্রনেতাদের কোন কর্মকাণ্ড নেই। এমন পরিস্থিতিতে হঠাৎ করেই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) সাবেক ভিপি নুরুল হক নূরের বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগে মামলা হয়েছে। যার ফলশ্রুতিতে হঠাৎ করেই আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হন নূর। চলছে বিক্ষোভ সমাবেশ।

অনেকেই মনে করছেন, মামলা দায়েরের পরামর্শটা নূর নিজেই দিয়েছেন। কারণ ডাকসু পদ থেকে সরে যাওয়ার পর রাজনৈতিক আলোচনার বাইরে তিনি। দেশের মানুষের কাছে নিজের অবস্থান জানান দিতে দলের কর্মীদের দিয়ে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে তিনি নিজের নামে মামলা দায়েরের পরামর্শ দিতে পারেন। কারণ নূরের বিরুদ্ধে মামলাটি তার রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ করেননি, করেছেন তার নিজের সহযোদ্ধাই।

অনেকেই বলাবলি করছেন, রাজনৈতিক ফায়দা লুটতে খুবই পারদর্শী নূরুল হক নূর। সাধারণ মানুষের আবেগকে ব্যবহার করে কোটা সংস্কার আন্দোলনের নেতৃত্ব দেন নূর। সেটি ছিলো অরাজনৈতিক আন্দোলন। সেই আন্দোলনকে পুঁজি করে গড়ে তোলেন ‘বাংলাদেশ ছাত্র অধিকার পরিষদ’ নামের একটি রাজনৈতিক প্লাটফর্ম। তবে সেটিতে খুব বেশি সুবিধা করতে পারেননি। ছিলেন আলোচনা বা সমালোচনার বাইরে। ঠিক এমন পরিস্থিতিতে মামলা হয় নূরের বিরুদ্ধে। এতে আলোচনায় আসেন তিনি। বিভিন্ন সময়ে দেখা গেছে, নূর নিজের লোক দিয়ে ইস্যু তৈরি করে প্রতিপক্ষের উপর দোষ চাপান। এবারো তার ব্যতিক্রম নয়।

গত রোববার রাতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের এক ছাত্রী লালবাগ থানায় নুরুলসহ ছয়জনের বিরুদ্ধে ধর্ষণ মামলা করেন। কোতোয়ালি থানার মামলাটি একই ছাত্রী করেন। মামলার প্রধান আসামি বাংলাদেশ ছাত্র অধিকার পরিষদের আহ্বায়ক হাসান আল মামুন। তার বিরুদ্ধে ওই ছাত্রী বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে ধর্ষণ এবং পরে বিয়ে করতে রাজি না হওয়ার অভিযোগ আনেন। মামলায় নুরুলের বিরুদ্ধে অভিযোগ, তিনি মীমাংসা করার নামে ওই ছাত্রীকে ডেকে নিয়ে শাসিয়েছেন।

বলেছেন, বিষয়টি নিয়ে বাড়াবাড়ি করলে তাদের ভক্তদের দিয়ে ওই ছাত্রীর নামে ‘উল্টাপাল্টা’ প্রচার করাবেন। পরবর্তীতে সোমবার সন্ধ্যায় রাজধানীর কোতোয়ালি থানায় নূরের বিরুদ্ধে অপহরণ, ধর্ষণ, ধর্ষণে সহযোগিতা ও ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলা হয়েছে। মামলাটি ওই একই ব্যক্তি করেছেন।

ছাত্র অধিকার পরিষদের এক নারী কর্মীর করা মামলার বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানিয়েছেন নূর। তিনি বিবিসি বাংলাকে দেয়া এক সাক্ষাতকারে বলেন, ‘আমরা যেহেতু বর্তমানে একটি রাজনৈতিক দল গঠনের দিকে এগুচ্ছি এবং বর্তমানে বাংলাদেশে সরকারের স্বৈরশাসনে মানুষ অতিষ্ঠ এবং মানুষ এটার পরিবর্তন চায় এবং আমরা যেহেতু মুখ্য ভূমিকা পালন করে যাচ্ছি সেক্ষেত্রে সরকার আমাদেরকে রাজনৈতিকভাবে হেয় করার জন্য, কোণঠাসা করার জন্য এবং মানুষের কাছে প্রশ্নবিদ্ধ করার জন্য আমাদের কয়েক জনের নাম বিশেষ করে আমার নাম জড়িয়েছে।

কক্সবাজার বার্তা
কক্সবাজার বার্তা
এই বিভাগের আরো খবর