বৃহস্পতিবার   ২২ অক্টোবর ২০২০   কার্তিক ৬ ১৪২৭   ০৫ রবিউল আউয়াল ১৪৪২

কক্সবাজার বার্তা
সর্বশেষ:
৭২ হাজার ৭৫০ কোটি টাকার প্রণোদনা প্যাকেজ ঘোষণা ‘২০৪১ সালে মাথাপিছু আয় দাঁড়াবে সাড়ে ১২ হাজার ডলার’ রোহিঙ্গা ইস্যুতে প্রধানমন্ত্রীর প্রশংসা করে অ্যাঞ্জেলিনার চিঠি ডিসেম্বরে নির্মাণ শুরু হবে দেশের প্রথম পাতাল মেট্রো রুট গোলদিঘির পাড়ে নির্মিত হচ্ছে আধুনিকমানের মারকাজ মসজিদ ২০২২ সালের মধ্যে ট্রেন চলবে কক্সবাজারে কক্সবাজারের উন্নয়নে উদ্যোগ নিলো জাতিসংঘ দ্বিতীয় পারমানবিক বিদ্যুৎ প্রকল্প মহেশখালী-কুতুবদিয়ায়! এগিয়ে চলছে স্বপ্নের কর্ণফুলী টানেল নির্মাণ কাজ ১০০ হাজার কোটি টাকার উন্নয়ন কাজ চলছে কক্সবাজারে ২৫ মেগা প্রকল্পে পাল্টে যাচ্ছে কক্সবাজার উন্নয়নে শীর্ষে কক্সবাজার
৮৯৮

ইন্টারনেট আসক্তির ফলে যে সমস্যা হতে পারে

লাইফস্টাইল ডেস্ক

প্রকাশিত: ৬ অক্টোবর ২০১৯  

বর্তমান যুগ, আধুনিক তথ্যপ্রযুক্তির যুগ। এই তথ্যপ্রযুক্তির ছোঁয়ায় সারা বিশ্বকে মুহূর্তের মধ্যে খুব সহজেই জানতে পারছি আমরা। জাতীয়, আন্তর্জাতিক, শিক্ষা, বিনোদন ও খেলাধুলাসহ সব বিষয়ের ভাণ্ডার হচ্ছে ইন্টারনেট। এখন আমাদের কোনো তথ্যের জন্য কোনো ব্যক্তির ওপর নির্ভর করতে হয় না। ইন্টারনেটে সার্চ দিলে সহজেই সব পাওয়া যায় মুহূর্তের ব্যবধানে। তাই বলা যায়, ইন্টারনেট আমাদের জীবনের এক অবিচ্ছেদ্য অংশে পরিণত হয়েছে। আবার ইন্টারনেটের যেমন উপকারিতা রয়েছে, তেমনি রয়েছে ইন্টারনেট আসক্তির মতো একটি জটিল সমস্যাও।  

ইন্টারনেটের মাত্রাতিরিক্ত আসক্তি জীবনকে ধ্বংস করে দিতে পারে। অনেকেই বলে থাকেন, মাদকের মতোই আসক্তি। ইন্টারনেট অ্যাডিকশন তখনই বলব যখন মাথার মধ্যে প্রধান চিন্তা থাকে ইন্টারনেট। সপ্তাহে ৩৮ ঘণ্টা বা তার বেশি ইন্টারনেট ব্যবহার করা, ইন্টারনেট ছাড়া থাকতে না পারা, বাদ দিতে গেলে দুশ্চিন্তা, বিষণ্ণতা ও অন্যান্য সমস্যা সৃষ্টি হওয়া ইত্যাদিকে আসক্তির প্রমাণ হিসেবে ধরা যায়।

এতে স্বাভাবিক, পারিবারিক, সামাজিক ও পেশাগত জীবন ব্যাহত হয়। শারীরিক প্রতিক্রিয়ায় দেখা যায়, ঘাড় ও কোমরব্যথা, মাথাব্যথা এবং আই স্ট্রেন (চোখে অস্বাভাবিক চাপজনিত সমস্যা) হচ্ছে। মানসিক প্রতিক্রিয়ার মধ্যে রয়েছে- অনিদ্রা, অতিরিক্ত টেনশন বোধ, বিষণ্নতা, যৌন সমস্যা, অপরাধপ্রবণতা, মনোযোগ কমে যাওয়া।

আসলে কোনো আসক্তিই জীবনে ভালো ফল বয়ে আনে না। একইভাবে ইন্টারনেট আসক্তি থেকেও দেখা দেয় নিম্নোক্ত জটিল সমস্যাগুলো-

১. লেখাপড়া করা, ভালো ক্যারিয়ার গড়া, সম্পর্কসহ ব্যক্তিগত সব ক্ষেত্রেই আগ্রহ হারিয়ে ফেলা।

২. ইন্টারনেটে বেশি সময় কাটানোর জন্য মিথ্যার আশ্রয় নেওয়া শুরু করা।

৩. কোনো বিষয়ে সমস্যার সমাধান না করে, সেই সমস্যাটি থেকে পালানোর জন্যই ইন্টারনেটকে বেছে নেওয়া। ফলে সমস্যাটির মাত্রা আরও বেড়ে যায়।

৪. সামাজিকতা রক্ষার দক্ষতা কমে যায়, ইন্টারনেটে প্রয়োজনের তুলনায় বেশি সময় থাকলে। মানুষের সঙ্গে পরিচিত হওয়া, মেলামেশা, সৌজন্য সাক্ষাৎ, এমনকি কথাবার্তা বলার অনাগ্রহ চলে আসে।

৫. দীর্ঘ সময় একইস্থানে বসে থাকা, একই ভঙ্গীমাতে কম্পিউটার বা ল্যাপটপ বা মোবাইল কিংবা ট্যাবসহ অন্যান্য ডিভাইস ব্যবহার করলে হাড়ের গঠনে সমস্যা দেখা দেয়।

কক্সবাজার বার্তা
কক্সবাজার বার্তা
এই বিভাগের আরো খবর