বুধবার   ২১ এপ্রিল ২০২১   বৈশাখ ৭ ১৪২৮   ০৯ রমজান ১৪৪২

কক্সবাজার বার্তা
সর্বশেষ:
৭২ হাজার ৭৫০ কোটি টাকার প্রণোদনা প্যাকেজ ঘোষণা ‘২০৪১ সালে মাথাপিছু আয় দাঁড়াবে সাড়ে ১২ হাজার ডলার’ রোহিঙ্গা ইস্যুতে প্রধানমন্ত্রীর প্রশংসা করে অ্যাঞ্জেলিনার চিঠি ডিসেম্বরে নির্মাণ শুরু হবে দেশের প্রথম পাতাল মেট্রো রুট গোলদিঘির পাড়ে নির্মিত হচ্ছে আধুনিকমানের মারকাজ মসজিদ ২০২২ সালের মধ্যে ট্রেন চলবে কক্সবাজারে কক্সবাজারের উন্নয়নে উদ্যোগ নিলো জাতিসংঘ দ্বিতীয় পারমানবিক বিদ্যুৎ প্রকল্প মহেশখালী-কুতুবদিয়ায়! এগিয়ে চলছে স্বপ্নের কর্ণফুলী টানেল নির্মাণ কাজ ১০০ হাজার কোটি টাকার উন্নয়ন কাজ চলছে কক্সবাজারে ২৫ মেগা প্রকল্পে পাল্টে যাচ্ছে কক্সবাজার উন্নয়নে শীর্ষে কক্সবাজার
৫৬২

উন্নয়নের এক দশক বাংলাদেশ সরকারের বিদ্যুৎ খাতে সাফল্য

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ৩ ডিসেম্বর ২০১৮  

বাংলাদেশ সরকারের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার গতিশীল নেতৃত্বে বাংলাদেশে বিদ্যুৎ খাতে অভূতপূর্ব সাফল্যের কারণে বাংলাদেশ ধাপে ধাপে উন্নত দেশের দিকে অগ্রসর হচ্ছে। অপরদিকে বাংলাদেশ বিশ্বের অন্যতম দেশ হিসেবে পরিচিতি লাভ করার জন্য বিদ্যুৎসহ সকল উন্নয়নমূলক কর্মকান্ড অব্যাহতভাবে চলছে। 

সংশ্লিষ্ট সুত্রে জানা যায়,২০০৯ সালে সরকার গঠনের পর মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দূরদর্শী,সাহসী ও সময়োপযোগী সিদ্ধান্ত গ্রহণের ফলে বিগত ৯ বছর বিদ্যুৎ খাতে অভূতপুর্ব সাফল্য অর্জিত হয়েছে।বর্তমান সরকার দায়িত্বভার গ্রহণ করার পর ২০০৯ সাল থেকে এ পর্যন্ত মোট ১০হাজার ৭৩৫ মেগাওয়াট ক্ষমতার ৯৬টি বিদ্যুৎ কেন্দ্র স্থাপন করেছে।এর মধ্যে সরকারী খাতে মোট ৫হাজার ৮১৪ মেগাওয়াট ক্ষমতা সম্পন্ন ৩৬টি এবং বেসরকারী খাতে মোট ৪ হাজার ৯২১ মেগাওয়াট ক্ষমতার ৬০টি বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণ করা হয়েছে। ২০২১ সালকে মাথায় রেখে গড় সাড়ে নয় বছরে মোট ২৪ হাজার ৩৫১ মেগাওয়াট ক্ষমতার ১৩৫টি বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণের জন্য চুক্তি হয়েছে যার ১০১টি চালু হয়ে জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হয়েছে।ফলে বর্তমানে বিদ্যুৎ উৎপাদন ক্ষমতা দাঁড়িয়েছে ২০ হাজার মেগাওয়াটে। বর্তমানে ৫৩লক্ষ সোলার হোম সিস্টেম বিদ্যুৎ সুবিধা দিচ্ছে ২ কোটি মানুষকে।অপরপক্ষে ২০০৫-০৬ অর্থবছরে সারা দেশে বিদ্যুৎ উৎপাদন ক্ষমতা ছিল মাত্র  ৫ হাজার ২৪৫ গেগাওয়াট। সরকার ২০২১ সালের মধ্যে ২৪হাজার মেগাওয়াট, ২০৩০ সালের মধ্যে ৪০হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনের পরিকল্পনা নিয়েছে।

বর্তমানে বাংলাদেশের ৯০% লোক বিদ্যুৎ ব্যবহারের সুযোগ পাচ্ছে। বাকি ১০% গ্রামে বিদ্যুতায়ন কার্যক্রম আগামী বছরের মধ্যেই শতভাগ সম্পন্ন করার লক্ষ্য নিয়ে কাজ করছে সরকার। নিরবিচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সেবা নিশ্চিত করতে এরই মধ্যে সঞ্চালন লাইন ৮ হাজার থেকে ১১হাজার কিলোমিটারে উন্নীত করা হয়েছে।আগামী ২০৪০সালের মধ্যে উক্ত সঞ্চালন লাইন ৩২ হাজার কিলোমিটারে উন্নীত করতে কাজ করছে সরকার। তাছাড়া বদি্যুতের সিস্টেম লস  কমানোর জন্য ডিপিডিসি কর্তৃক প্রায় সাড়ে আট লাখ প্রি-পেমেন্ট মিটার বসানোর পরিকল্পনা করছে।এর আগে প্রায় ৩লাখ মিটার স্থাপন করা হয়েছে এবং আরও প্রায় ৪লাখ প্রি-পেমেন্ট মিটার স্থাপনের কাজ চলমান রয়েছে। ক্রমান্বয়ে এধরনের প্রি-পেমেন্ট মিটার স্থাপন করা হলে বকেয়া বিলের হারও কমে যাবে ।অপরদিকে বিদ্যুতের যথাযথ ব্যবহার নিশ্চিত হবে। 

দেশব্যাপী সৌরবিদ্যুৎ ব্যবহার বাড়াতে আরো সাড়ে ৫ কোটি ডলার ঋণ দেবে বিশ্বব্যাংক যা বাংলাদেশী মুদ্রায় ৪৫৬ কোটি টাকা। গ্রামীন বিদ্যুতায়ন  এবং নবায়নযোগ্য জ্বালানির উন্নয়নের আওতায় এই অর্থ খরচ করা হবে।এ বিষয়ে Development Company Limited (IDCOL)  কর্তৃক ১হাজার পাঁচশত সৌর বিদ্যুৎ ব্যবহার করে। উক্ত প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে সেচের পাশাপাশি অরও প্রায় ১ কোটি গ্রামের মানুষ এই বিদ্যুৎ সুবিধা পাবে। তাছাড়া সেচের পাম্প চালানোর জন্য ৯ লক্ষ টন ডিজেল বছরে খরচের পাশাপাশি প্রতি লিটারে ২৪-২৬ টাকা হিসাবে ভর্তুকি দেয়া হতো । ফলে বিগত বছরগুলোতে সরকার এখাতে যে ৬৫ কোটি টাকার মত ভর্তুকি দিয়েছে তা সোলার পাম্প বসানো হলে সরকারের সাশ্রয় হবে ।

কক্সবাজার বার্তা
কক্সবাজার বার্তা
এই বিভাগের আরো খবর