বুধবার   ২১ অক্টোবর ২০২০   কার্তিক ৫ ১৪২৭   ০৪ রবিউল আউয়াল ১৪৪২

কক্সবাজার বার্তা
সর্বশেষ:
৭২ হাজার ৭৫০ কোটি টাকার প্রণোদনা প্যাকেজ ঘোষণা ‘২০৪১ সালে মাথাপিছু আয় দাঁড়াবে সাড়ে ১২ হাজার ডলার’ রোহিঙ্গা ইস্যুতে প্রধানমন্ত্রীর প্রশংসা করে অ্যাঞ্জেলিনার চিঠি ডিসেম্বরে নির্মাণ শুরু হবে দেশের প্রথম পাতাল মেট্রো রুট গোলদিঘির পাড়ে নির্মিত হচ্ছে আধুনিকমানের মারকাজ মসজিদ ২০২২ সালের মধ্যে ট্রেন চলবে কক্সবাজারে কক্সবাজারের উন্নয়নে উদ্যোগ নিলো জাতিসংঘ দ্বিতীয় পারমানবিক বিদ্যুৎ প্রকল্প মহেশখালী-কুতুবদিয়ায়! এগিয়ে চলছে স্বপ্নের কর্ণফুলী টানেল নির্মাণ কাজ ১০০ হাজার কোটি টাকার উন্নয়ন কাজ চলছে কক্সবাজারে ২৫ মেগা প্রকল্পে পাল্টে যাচ্ছে কক্সবাজার উন্নয়নে শীর্ষে কক্সবাজার
৫২০

এটা মাছ না আর কিছু?

নিউজ ডেস্ক

প্রকাশিত: ৮ মার্চ ২০১৯  

অস্ট্রেলিয়ার এক ব্যক্তি একটি মাছ ধরলেন। মাছটি দেখে তাঁর আক্কেলগুড়ুম। চোখ নেই, আছে ধারালো দাঁত। ১৫ সেন্টিমিটার দীর্ঘ এই মাছ নিয়ে দ্বিধায় পড়লেন তিনি। এটা কি আদৌ কোনো মাছ?

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এ নিয়ে চলছে জবর কানাঘুষা। এর মধ্যে কেউ কেউ এর নামও অনুমান করেছেন। এবিসি নিউজ, গার্ডিয়ান ও এনডিটিভি এ নিয়ে প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে।

প্রতিবেদনগুলোতে বলা হয়, সাম্প্রতিক সময়ে অস্ট্রেলিয়ার জেলে এন্ড্রু রোজ দেশটির উত্তরাঞ্চলীয় কাকাদু ন্যাশনাল পার্কে এমন একটি ‘মাছ’ পান, যার কোনো চোখ নেই, রয়েছে ধারালো দাঁত নেই। দেখতে অনেকটা কুঁচে মাছের মতো।

ঘটনার পরপর এন্ড্রু রোজ ওই মাছের ছবি তুলে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পোস্ট করেন। রোস বলেন, ‘এটি দেখতে অদ্ভুত লেগেছিল। এটির মতো প্রাণী আমি মুভিতে দেখেছি। এটি সাঁতার কাটতে পারে না। আমরা বেশ কয়েকটা ছবি তুলেই এটি পানিতে ছেড়ে দিই।’

রোজ ফেসবুকে ওই ‘মাছের’ ছবি পোস্ট করে জানতে চেয়েছেন, কেউ এর আগে এমন মাছ ধরেছেন কি না। এরপর অনেকে বিভিন্ন ধরনের মন্তব্য করেন। এর মধ্যে একজন মন্তব্যে লেখেন, এটি বেবি অ্যালিয়েন, কেউ এর নাম বলেন নোপ ফিশ।

বিশেজ্ঞদের মতে, এটি অর্ম গোবি মাছ—যা তেমন চোখে পড়ে না। এরা মাটির নিচে থাকে। তবে বাইন মাছের মতো এদের গায়েও কোনো কাদা লাগে না। সেখানকার মিউজিয়াম অ্যান্ড আর্ট গ্যালারির কিউরেটর ড. মাইকেল হ্যামার বলেন, এটি অর্ম গবি মাছের মতো হলেও এর প্রজাতি একেবারেই নতুন। রক্তবর্ণ ও বাদামি রঙের মিশেল এই মাছের মাথা অদ্ভুত ধরনের। এর দেহ ইল বা বাইনের মতো।

হ্যামার জানান, এই মাছের চোখ থাকে না। এটি সচরাচর মাটির নিচেই থাকে। তাই সহজে মানুষ চোখে পড়ে না।

কক্সবাজার বার্তা
কক্সবাজার বার্তা
এই বিভাগের আরো খবর