মঙ্গলবার   ১৪ জুলাই ২০২০   আষাঢ় ৩০ ১৪২৭   ২৩ জ্বিলকদ ১৪৪১

কক্সবাজার বার্তা
সর্বশেষ:
৭২ হাজার ৭৫০ কোটি টাকার প্রণোদনা প্যাকেজ ঘোষণা ‘২০৪১ সালে মাথাপিছু আয় দাঁড়াবে সাড়ে ১২ হাজার ডলার’ রোহিঙ্গা ইস্যুতে প্রধানমন্ত্রীর প্রশংসা করে অ্যাঞ্জেলিনার চিঠি ডিসেম্বরে নির্মাণ শুরু হবে দেশের প্রথম পাতাল মেট্রো রুট গোলদিঘির পাড়ে নির্মিত হচ্ছে আধুনিকমানের মারকাজ মসজিদ ২০২২ সালের মধ্যে ট্রেন চলবে কক্সবাজারে কক্সবাজারের উন্নয়নে উদ্যোগ নিলো জাতিসংঘ দ্বিতীয় পারমানবিক বিদ্যুৎ প্রকল্প মহেশখালী-কুতুবদিয়ায়! এগিয়ে চলছে স্বপ্নের কর্ণফুলী টানেল নির্মাণ কাজ ১০০ হাজার কোটি টাকার উন্নয়ন কাজ চলছে কক্সবাজারে ২৫ মেগা প্রকল্পে পাল্টে যাচ্ছে কক্সবাজার উন্নয়নে শীর্ষে কক্সবাজার
৭৫

ওসমানি সাম্রাজ্যের ২৩৫ বছর পুরোনো ইসহাক পাশা প্রাসাদ

প্রকাশিত: ২৪ জুন ২০২০  

প্রাচীন ইসহাক পাশা প্রাসাদ। তুরস্কের পূর্বাঞ্চলীয় আ’রি প্রদেশের দউবেয়জিত জেলায় অবস্থিত। এটি ওসমানি-টিউলিপ যুগের প্রাচীন স্থাপত্য নিদর্শন। প্রতি বছর এটি দর্শনে শত শত পর্যটক যায়।

ইসহাক পাশা প্রাসাদে বৈচিত্রপূর্ণ স্থাপত্য-শৈলীর সমন্বয় রয়েছে। পারসিক, আর্মেনীয়, জর্জিয়ান, সেলজুক ও ওসমানি স্থাপত্যকলা এতে সৌন্দর্য ও ভিন্নতা সৃষ্টি করেছে। প্রাচীন রেশম সড়কের প্রান্ত ঘেঁষে এটির অবস্থান। ইস্তাম্বুলের তোপকাপি প্রাসাদের পর তুরস্কের সবচেয়ে বড় ওসমানি-প্রাসাদ এটি।

প্রাসাদটির নির্মাণকাজ শুরু হয় ১৬৮৫ সালে। তৎকালীন স্থানীয় গর্ভনর আবদি পাশা এর নির্মাণকাজ উদ্বোধন করেন। পরবর্তীকালে তার ছেলে ইসহাক পাশা এটির নির্মাণকাজের তত্ত্বাবধান করেন। এভাবে ধারাবাহিকভাবে ইসহাক পাশার ছেলে মুহাম্মদ পাশা, তারপর  মুহাম্মদ পাশার ছেলে ইসহাক পাশা তত্ত্বাবধান করেন। শেষ পর্যন্ত ১৭৮৪ সালে মুহাম্মদ পাশার ছেলে ইসহাক পাশার হাতে প্রাসাদটির নির্মাণকাজ সম্পন্ন হয়।

দূর থেকৈ দেখতে প্রাসাদটিকে দউবেইজিত শহরের প্রহরীর মতো লাগে। যেন একজন প্রহরী শহরের ওপর নজর রাখছে। মূলত দউবেইজিত শহরের উত্তরে অবস্থিত পাহাড়ের ওপর স্থাপিত হওয়ায় দেখতে এমনটা লাগে।

পাথর খোদাই করে প্রাসাদের অলঙ্করণের কাজ করা হয়। প্রাসাদের আয়তন ৭৬০০ বর্গ মিটার। এতে ৩৬৬টি কক্ষ রয়েছে। তুর্কি মুদ্রা ১০০ লিরার নোটে এই প্রাসাদের ছবি রয়েছে।

প্রতিদিন সূর্যোদয় থেকে সূর্যাস্ত পর্যন্ত—প্রাসাদটি দেশ-বিদেশের পর্যটকদের জন্য উন্মুক্ত থাকে। প্রাসাদে প্রবেশমূল্য পাঁচ তুর্কি লিরা (বাংলাদেশি মুদ্রায় ৭৩ টাকার সমমান)।

কক্সবাজার বার্তা
কক্সবাজার বার্তা