সোমবার   ২১ সেপ্টেম্বর ২০২০   আশ্বিন ৫ ১৪২৭   ০৩ সফর ১৪৪২

কক্সবাজার বার্তা
সর্বশেষ:
৭২ হাজার ৭৫০ কোটি টাকার প্রণোদনা প্যাকেজ ঘোষণা ‘২০৪১ সালে মাথাপিছু আয় দাঁড়াবে সাড়ে ১২ হাজার ডলার’ রোহিঙ্গা ইস্যুতে প্রধানমন্ত্রীর প্রশংসা করে অ্যাঞ্জেলিনার চিঠি ডিসেম্বরে নির্মাণ শুরু হবে দেশের প্রথম পাতাল মেট্রো রুট গোলদিঘির পাড়ে নির্মিত হচ্ছে আধুনিকমানের মারকাজ মসজিদ ২০২২ সালের মধ্যে ট্রেন চলবে কক্সবাজারে কক্সবাজারের উন্নয়নে উদ্যোগ নিলো জাতিসংঘ দ্বিতীয় পারমানবিক বিদ্যুৎ প্রকল্প মহেশখালী-কুতুবদিয়ায়! এগিয়ে চলছে স্বপ্নের কর্ণফুলী টানেল নির্মাণ কাজ ১০০ হাজার কোটি টাকার উন্নয়ন কাজ চলছে কক্সবাজারে ২৫ মেগা প্রকল্পে পাল্টে যাচ্ছে কক্সবাজার উন্নয়নে শীর্ষে কক্সবাজার
১৭৩

কক্সবাজারের অপরাধ জগতের গডফাদার এসপি মাসুদ !

প্রকাশিত: ৮ আগস্ট ২০২০  

অবসরপ্রাপ্ত সাবেক সেনা কর্মকর্তা সিনহা মোহাম্মদ রাশেদ খানের ক্রসফায়ারে হত্যা নিয়ে সংবাদ মাধ্যম ও সোশ্যাল মিডিয়া সহ সর্বত্র ব্যাপক আলোচনা সমালোচনা চলছে। সাব ইন্সপেক্টর লিয়াকত ছাড়াও হত্যার নির্দেশদাতা ওসি প্রদীপের বিতর্কিত নানা অপকর্মের তথ্যও প্রকাশিত হচ্ছে। ওসির অপকর্ম, দুর্নীতি, অত্যাচার ও স্বেচ্ছাচারিতা নিয়ে বহু সংবাদ আগেও বহুবার প্রকাশিত হয়েছিল। কিন্তু মূলত যে বিষয় নিয়ে প্রশ্ন উঠছে তা হচ্ছে, সংশ্লিষ্ট এসপি তথা কক্সবাজারের পুলিশ সুপার এবিএস মাসুদ হোসেনের ভূমিকা। করোনা মহামারিতে পুলিশের সেবা প্রদান সকল মহলে প্রশংসিত হয়েছে। অতীতের অনেক বিতর্ক ছাইচাপা দিয়ে পুলিশের আত্মত্যাগের বিষয় সামনে এসেছিল। এমন একটি সময় সকল অর্জন ম্লান করে দিয়ে সমালোচিত হচ্ছে রাশেদ সিনহা ইস্যু।

কক্সবাজারে মাদক নির্মুল অভিযানকে একটি স্বার্থান্বেষী মহল নিজেদের অর্থবিত্ত অর্জনের উপায় হিসেবে বেছে নিয়েছে বলে যে অভিযোগ আছে, তাতে নতুন মাত্রা যোগ করলো এ হত্যাকাণ্ড। বলার অপেক্ষা রাখে না যে, রাশেদ সিনহা সেনা কর্মকর্তা না হলে তাকে মাদক ব্যবসায়ী বা সন্ত্রাসী পরিচয় দিয়েই ঘটনা ধামাচাপা দেয়া হতো। শত অপরাধী ছাড় পেলেও নিরপরাধ কেউ যেন শাস্তি না পায় - এটা যদি আইনের শাসন হয়, তাহলে নিরীহ যাদেরকে ক্রসফায়ারের নামে হত্যা করা হয়েছে বা বড় অংকের টাকা নিয়ে ছেড়ে দেয়া হয়েছে, সেই দায় দায়িত্বপালনকারী কর্মকর্তার পাশাপাশি ওসি ও এসপিকেও সমানভাবে বহন করা উচিত। ইতিমধ্যে চ্যানেল টুয়েন্টিফোরে প্রচারিত এসপি মাসুদ, ওসি প্রদীপ ও এসআই লিয়াকতের ফাঁস হওয়া ফোনালাপে মাসুদের সম্মতিতে গুলি চালানোর সত্যতা জানা গেছে।

সূত্র: https://www.facebook.com/127259134059028/posts/3075030362615209/

মাসুদের দুর্নীতি ও অপরাধের রাজত্বঃ

কক্সবাজারে মাদক বিরোধী অভিযানের নামে দুর্নীতি ও অপরাধের যে রাজত্ব কায়েম হয় তার মূল পৃষ্ঠপোষক ছিলেন এসপি মাসুদ। ওসি প্রদীপ বা লিয়াকতের মতো কয়েকজনের বিরুদ্ধে লাগাতার অভিযোগ এলেও, তিনি থেকেছেন ধরাছোয়ার সম্পূর্ণ বাইরে। অভিযুক্ত পুলিশের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা সীমাবদ্ধ থাকতো কক্সবাজারের এক থানা থেকে অন্য থানায় বদলি করার মাঝেই। পুলিশে কর্মরত অনেক কর্মকর্তা প্রদীপের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ দিয়েও কোনো প্রতিকার পায় নি বলে জানা যায়। ক্রসফায়ারসহ মাদকের বিরুদ্ধে সর্বাত্মক অভিযান সত্ত্বেও মাদক সাম্রাজ্য যেমন ছিল তেমনই আছে, আর এ ব্যর্থতার দায়ভারও পুলিশ সুপার চাপিয়ে দিতেন অন্য বাহিনীর ওপর।

কক্সবাজার বার্তা
কক্সবাজার বার্তা
এই বিভাগের আরো খবর