বুধবার   ০২ ডিসেম্বর ২০২০   অগ্রাহায়ণ ১৭ ১৪২৭   ১৬ রবিউস সানি ১৪৪২

কক্সবাজার বার্তা
সর্বশেষ:
৭২ হাজার ৭৫০ কোটি টাকার প্রণোদনা প্যাকেজ ঘোষণা ‘২০৪১ সালে মাথাপিছু আয় দাঁড়াবে সাড়ে ১২ হাজার ডলার’ রোহিঙ্গা ইস্যুতে প্রধানমন্ত্রীর প্রশংসা করে অ্যাঞ্জেলিনার চিঠি ডিসেম্বরে নির্মাণ শুরু হবে দেশের প্রথম পাতাল মেট্রো রুট গোলদিঘির পাড়ে নির্মিত হচ্ছে আধুনিকমানের মারকাজ মসজিদ ২০২২ সালের মধ্যে ট্রেন চলবে কক্সবাজারে কক্সবাজারের উন্নয়নে উদ্যোগ নিলো জাতিসংঘ দ্বিতীয় পারমানবিক বিদ্যুৎ প্রকল্প মহেশখালী-কুতুবদিয়ায়! এগিয়ে চলছে স্বপ্নের কর্ণফুলী টানেল নির্মাণ কাজ ১০০ হাজার কোটি টাকার উন্নয়ন কাজ চলছে কক্সবাজারে ২৫ মেগা প্রকল্পে পাল্টে যাচ্ছে কক্সবাজার উন্নয়নে শীর্ষে কক্সবাজার
১০৬

কক্সবাজারে কন্টাক্ট ট্রেসিংয়ে কমছে করোনা সংক্রমণ

প্রকাশিত: ৫ জুলাই ২০২০  

কন্টাক্ট ট্রেসিংয়ের কারণে দিন দিন কক্সবাজার পৌর শহরে করোনা আক্রান্ত ব্যক্তির সংখ্যা কমে আসছে। ইতিমধ্যে গত এক সপ্তাহে প্রায় সাড়ে ৪’শ করোনা আক্রান্ত ব্যক্তির তথ্য সংগ্রহ করা হয়েছে। এছাড়াও আক্রান্ত ব্যক্তিদের সংম্পর্শে আসা ব্যক্তিদেরও তথ্য সংগ্রহ করে করোনা পরীক্ষা এবং আইসোলেশনে রাখা হয়েছে। যা সম্ভব হয়েছে স্বাস্থ্য স্বেচ্ছাসেবকদের কারণে এমনটায় মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

কক্সবাজার পৌর আওয়ামী লীগের সভাপতি ও স্বেচ্ছাসেবক টিমের প্রধান মোহাম্মদ নজিবুল ইসলাম কর্তৃক স্বাস্থ্য স্বেচ্ছাসেবক ও চিকিৎসকদের উপহার সামগ্রী বিতরণ অনুষ্ঠানে এসব তথ্য উঠে আসে।

শনিবার দুপুরে লালদীঘিরপাড়স্থ সংগীতায়ন ভবনে এসব উপহার সামগ্রী বিতরণ করা হয়।

এর আগে স্বাস্থ্য স্বেচ্ছাসেবকদের নিয়ে সংক্ষিপ্ত একটি আলোচনা সভা করে স্বাস্থ্য বিভাগের বিশেষজ্ঞরা। আলোচনা সভায় কন্টাক্ট ট্রেসিংয়ের মাধ্যমে আরও কিভাবে করোনা রোগী ও তাদের সংম্পর্শে আসা ব্যক্তিদের দ্রæত তথ্য সংগ্রহ করা যায় এবং করোনা সংক্রমণ কমিয়ে আনা যায় সে ব্যাপারে স্বাস্থ্য বিভাগের বিশেষজ্ঞরা নানা পরামর্শ প্রদান করেন।

আলোচনা সভায় পৌর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক উজ্জ্বল কর বলেন, এটি একটি দুর্যোগ। এই দুর্যোগে স্বেচ্ছায় পৌর আওয়ামী লীগের স্বেচ্ছাসেবকরা করোনা পরিস্থিতির শুরুতেই মাঠে রয়েছে। তারা জীবনের ঝুঁকি নিয়ে সাধারণ মানুষদের সচেতন করতে এখনো কাজ চালিয়ে যাচ্ছে। সুতরাং আমরা আশা করি; এসব স্বেচ্ছাসেবকদের যেন সবাই সহযোগিতা করে।

কক্সবাজার মেডিকেল কলেজের ক্লিনিক্যাল ট্রপিক্যাল মেডিসিন বিভাগের সহকারি অধ্যাপক ডা. মোহাম্মদ শাহজাহান নাজির বলেন, স্বাস্থ্য স্বেচ্ছাসেবকরা কন্টাক্ট ট্রেসিংয়ের কাজ করছে। যার মাধ্যমে এখন করোনা রোগীদের শনাক্ত ও তাদের সংম্পর্শে আসা ব্যক্তিদের পরীক্ষা এবং আইসোলেশন রাখা সম্ভব হচ্ছে। যার ফলে ক্রমশঃ পৌর এলাকায় করোনা আক্রান্তের সংখ্যা নিম্নগামি।

কক্সবাজার বার্তা
কক্সবাজার বার্তা
এই বিভাগের আরো খবর