শনিবার   ০৫ ডিসেম্বর ২০২০   অগ্রাহায়ণ ২০ ১৪২৭   ১৮ রবিউস সানি ১৪৪২

কক্সবাজার বার্তা
সর্বশেষ:
৭২ হাজার ৭৫০ কোটি টাকার প্রণোদনা প্যাকেজ ঘোষণা ‘২০৪১ সালে মাথাপিছু আয় দাঁড়াবে সাড়ে ১২ হাজার ডলার’ রোহিঙ্গা ইস্যুতে প্রধানমন্ত্রীর প্রশংসা করে অ্যাঞ্জেলিনার চিঠি ডিসেম্বরে নির্মাণ শুরু হবে দেশের প্রথম পাতাল মেট্রো রুট গোলদিঘির পাড়ে নির্মিত হচ্ছে আধুনিকমানের মারকাজ মসজিদ ২০২২ সালের মধ্যে ট্রেন চলবে কক্সবাজারে কক্সবাজারের উন্নয়নে উদ্যোগ নিলো জাতিসংঘ দ্বিতীয় পারমানবিক বিদ্যুৎ প্রকল্প মহেশখালী-কুতুবদিয়ায়! এগিয়ে চলছে স্বপ্নের কর্ণফুলী টানেল নির্মাণ কাজ ১০০ হাজার কোটি টাকার উন্নয়ন কাজ চলছে কক্সবাজারে ২৫ মেগা প্রকল্পে পাল্টে যাচ্ছে কক্সবাজার উন্নয়নে শীর্ষে কক্সবাজার
৬৫

করোনার মাঝেও কক্সবাজারে আয়কর রির্টান প্রদানে ব্যাপক সাড়া

প্রকাশিত: ২১ নভেম্বর ২০২০  

প্রতিবছর বড় পরিসরে আয়কর মেলা হয় কক্সবাজারে। কিন্তু করোনা মহামারির কারণে এবার স্বাস্থ্যবিধি মেনে নেয়া হচ্ছে কর। মহামারি করোনার মাঝেও কর দিয়ে দেশের সমৃদ্ধি অর্জনের অংশ হতে পেরে সন্তুষ্ট কর দাতারা। আয়কর রির্টান গ্রহন, প্রাপ্তি স্বীকার প্রদানসহ কর সংক্রান্ত নানা সেবা প্রদান করে যাচ্ছে কক্সবাজার কর অঞ্চল-৪।

এই কর অঞ্চলের সহকারী কর কমিশনার সার্কেল-৮৫, (বৈতনিক) রাজীব রানা মল্লিকের ঐকান্তিক প্রচেষ্টায় করোনাকালীন সময়েও কর সংক্রান্ত নানা সেবা মানুষকে দিয়ে যাচ্ছে এই অফিসের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা। পাশাপাশি সহকারী কর কমিশনার সার্কেল-৮৭ (টেকনাফ)-এরও দায়িত্ব পালন করে আসছেন তিনি।

সরকারী কর কমিশনার রাজীব রানা মল্লিক জানান-পুরো নভেম্বর মাস জুড়েই চলবে এই কার্যক্রম। তদুপরি সার্কেল-৮৪ এর দায়িত্বে থাকা এসএম হাসানুল হক সুমন, সরকারী কর কমিশনার এবং সার্কেল-৮৬ এর দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা বিপিন চাকমা, অতিরিক্ত সহকারী কর কমিশনার স্ব স্ব সার্কেল থেকে কর সেবা দিয়ে যাচ্ছেন। তবে সার্কেল-৮৫ (বৈতনিক) এ কর দাতাদের উপস্থিতির হার তুলনামূলক বেশি৷ এই প্রসংঙ্গে সংশ্লিষ্ট কর কর্মকর্তা জানান-অতীতের যেকোন সময়ের চাইতে স্বাস্থ্য ঝুঁকির মাঝেও কর দাতাদের সাথে হৃদ্রতাপূর্ণ ব্যবহার এবং দ্রুততার সাথে সেবা প্রদানের কারণে কর দাতাদের অংশগ্রহন বাড়ছে, তা অব্যাহত থাকবে বলে আশা করা যাচ্ছে।

তিনি আরো জানান-করোনাকালীন সময়ে কর অঞ্চল-৪ এর কর কমিশনার ব্যারিস্টার মুতাসিম বিল্লাহ ফারুকী, অতিরিক্ত কর কমিশনার মোঃ মাহমুদুর রহমান, যুগ্ম কর কমিশানর ফরিদ আহমদ, যুগ্ম কর কমিশনার মোহাম্মদ সরোয়ার মোর্শেদ, উপ-কর কমিশনার নাজমুন নাহারের পরামর্শ ও দিক নির্দেশনায় এই কার্যক্রম চলছে। উল্লেখ্য-করোনার পর্যায়ের ব্যবসায়ী ও শ্রেণী-পেশার মানুষের সাথে মতবিনিময় করা হয়। সেজন্য কর প্রদানে করোনার মাঝেও আগ্রহ বেড়েছে কর দাতাদের।

কক্সবাজার বার্তা
কক্সবাজার বার্তা
এই বিভাগের আরো খবর