সোমবার   ২৬ অক্টোবর ২০২০   কার্তিক ১১ ১৪২৭   ০৯ রবিউল আউয়াল ১৪৪২

কক্সবাজার বার্তা
সর্বশেষ:
৭২ হাজার ৭৫০ কোটি টাকার প্রণোদনা প্যাকেজ ঘোষণা ‘২০৪১ সালে মাথাপিছু আয় দাঁড়াবে সাড়ে ১২ হাজার ডলার’ রোহিঙ্গা ইস্যুতে প্রধানমন্ত্রীর প্রশংসা করে অ্যাঞ্জেলিনার চিঠি ডিসেম্বরে নির্মাণ শুরু হবে দেশের প্রথম পাতাল মেট্রো রুট গোলদিঘির পাড়ে নির্মিত হচ্ছে আধুনিকমানের মারকাজ মসজিদ ২০২২ সালের মধ্যে ট্রেন চলবে কক্সবাজারে কক্সবাজারের উন্নয়নে উদ্যোগ নিলো জাতিসংঘ দ্বিতীয় পারমানবিক বিদ্যুৎ প্রকল্প মহেশখালী-কুতুবদিয়ায়! এগিয়ে চলছে স্বপ্নের কর্ণফুলী টানেল নির্মাণ কাজ ১০০ হাজার কোটি টাকার উন্নয়ন কাজ চলছে কক্সবাজারে ২৫ মেগা প্রকল্পে পাল্টে যাচ্ছে কক্সবাজার উন্নয়নে শীর্ষে কক্সবাজার
১৫০৩

কান ফোঁড়ানোর কারণ জানেন কি?

স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা

প্রকাশিত: ৩ জুলাই ২০১৯  

বাংলাদেশ কিংবা ভারত নয়। বিশ্বের প্রায় সব দেশের মেয়েরাই কমবেশি কান ফোঁড়ানো হয়। শুধু কি সৌন্দর্যের কারণেই এটি করা হয়? কখনো কি ভেবে দেখেছেন কেন কান ফোঁড়ানো এতটা গুরুত্বপূর্ণ! অনেকে মনে করেন, এটি সংস্কৃতি। অনেকের আবার ধারণা সুন্দর দেখানোর জন্যই মহিলাদের এই কান ফোঁড়ানোর প্রথা। কিন্তু জানেন কি, এর পিছনে রয়েছে বিজ্ঞানসম্মত কারণ?

প্রজনন সংক্রান্ত
আয়ুর্বেদ অনুসারে কানের লতি একটি উল্লেখযোগ্য জায়গা। এখানে সূঁচের সাহায্যে ফুটো করলে প্রজনন ক্ষমতার ক্ষেত্রে ভাল প্রভাব ফেলে। মহিলাদের ঋতুস্রাবও ঠিকমতো হয় বলেও আয়ুর্বেদ শাস্ত্রে বলা হয়েছে।

মস্তিস্ক ভাল থাকে
ছোটবেলায় কান ফোঁড়ালে নাকি মস্তিকের বিকাশ ভাল হয়। কানের বাম ও ডান লতির সঙ্গে মস্তিস্কের দু’পাশের দু’টি গুরুত্বপূর্ণ অংশের যোগ থাকে। কান ফুটো করলে মস্তিস্কের সেই অংশগুলো সক্রিয় হয়ে ওঠে। মস্তিস্কের বিকাশ ও বৃদ্ধির ক্ষেত্রে এটি উপকারি।

শক্তি সঞ্চয়
বলা হয় যখন মানুষ কানে দুল পরে, তখন শক্তি সারা দেহে সঞ্চারিত হয়। নিঃসন্দেহে স্বাস্থ্যের ক্ষেত্রে এটি শুভ লক্ষ্মণ।

দৃষ্টিশক্তি
কানের লতির ঠিক মাঝখানের সঙ্গে চোখের যোগাযোগ থাকে। তাই এই অংশে চাপ পড়লে দৃষ্টিশক্তির উন্নতি ঘটে বলে মনে করেন বিশেষজ্ঞরা।

কান ভাল রাখে
আয়ুর্বেদিক বিশেষজ্ঞদের মতে, যেখানে কান ফোঁড়ানো হয় সেখানে দু’টি গুরুত্বপূর্ণ প্রেসার পয়েন্ট আছে। একটি প্রধান সংবেদনশীল পয়েন্ট, অন্যটি প্রধান সেরিব্রাল পয়েন্ট। শিশুদের শোনার ক্ষেত্রে প্রধান ভূমিকা অবলম্বন করে এই প্রেসার পয়েন্টগুলো। ভোঁ ভোঁ শব্দ শোনা থেকে বিরত রাখতে সাহায্য করে কান ফোঁড়ানো।

ভয় ও স্নায়ুবিক দুর্বলতা থেকে মুক্তি
মস্তিস্কের সঠিক বিকাশের পাশাপাশি এটি হিস্টিরিয়ার মতো রোগ দূরে রাখতেও সাহায্য করে। যেহেতু জায়গাটি প্রধান সেরিব্রালের সঙ্গে যুক্ত, সেই কারণেই ভয় ও স্নায়বিক দুর্বলতা কান ফোঁড়ানোর ফলে দূরে থাকে। দাবি করা হয়, কান ফোঁড়ানো আকুপ্রেসারের কাজ করে।

হজম ক্ষমতা বাড়ায়
কানের লতির যে অংশে পিয়ার্সিং করা হয় সেটি হজম ক্ষমতার সঙ্গেও জড়িত। কান ফোঁড়ালে হজম ক্ষমতা যেমন বাড়ে, তেমনই মেদও নাকি কমে।

বীর্য উৎপাদন
বিশেষজ্ঞদের মতে, ছেলেদের ক্ষেত্রে কান ফোঁড়ালে নাকি বীর্য বাড়ে। কারণ না জেনেও অনেক ছেলেরা ফ্রাশনের তাগিদে কান ফোঁড়ায়। 

লিঙ্গের কথা মাথায় রেখে কান ফোঁড়ানো জরুরি
মেয়েদের আগে বাম কান ফোঁড়ানোর নিয়ম আছে। কিন্তু ছেলেদের ক্ষেত্রে ডান কান ফোঁড়ানো হয়। এটি অনেকে প্রাচীন নিয়ম বলে মানলেও এর পিছনে রয়েছে বৈজ্ঞানিক কারণ। কারণ লিঙ্গ বিশেষে কানের লতির এই জায়গার প্রেসার পয়েন্ট আলাদা হয়।

কান ফোঁড়ানোর সময়
আয়ুর্বেদ শাস্ত্র অনুযায়ী, মাসের ১০, ১২ বা ১৬ দিনে বা ৬ষ্ঠ, ৭ম বা ৮ম মাসে কান ফোঁড়াতে হয়। এছাড়া কোনো শিশু জন্মানোর পর বিজোড় সংখ্যার বছরে কান ফোঁড়াতে হয়। যেমন প্রথম বা তৃতীয় বছরে। দ্বিতীয় বছরে কান ফোঁড়ানো উচিত নয়।

কক্সবাজার বার্তা
কক্সবাজার বার্তা
এই বিভাগের আরো খবর