বৃহস্পতিবার   ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২১   ফাল্গুন ১২ ১৪২৭   ১৩ রজব ১৪৪২

কক্সবাজার বার্তা
সর্বশেষ:
৭২ হাজার ৭৫০ কোটি টাকার প্রণোদনা প্যাকেজ ঘোষণা ‘২০৪১ সালে মাথাপিছু আয় দাঁড়াবে সাড়ে ১২ হাজার ডলার’ রোহিঙ্গা ইস্যুতে প্রধানমন্ত্রীর প্রশংসা করে অ্যাঞ্জেলিনার চিঠি ডিসেম্বরে নির্মাণ শুরু হবে দেশের প্রথম পাতাল মেট্রো রুট গোলদিঘির পাড়ে নির্মিত হচ্ছে আধুনিকমানের মারকাজ মসজিদ ২০২২ সালের মধ্যে ট্রেন চলবে কক্সবাজারে কক্সবাজারের উন্নয়নে উদ্যোগ নিলো জাতিসংঘ দ্বিতীয় পারমানবিক বিদ্যুৎ প্রকল্প মহেশখালী-কুতুবদিয়ায়! এগিয়ে চলছে স্বপ্নের কর্ণফুলী টানেল নির্মাণ কাজ ১০০ হাজার কোটি টাকার উন্নয়ন কাজ চলছে কক্সবাজারে ২৫ মেগা প্রকল্পে পাল্টে যাচ্ছে কক্সবাজার উন্নয়নে শীর্ষে কক্সবাজার
৪৯

কুতুবদিয়ায় বাঁধাকপির বাম্পার ফলন

প্রকাশিত: ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০২১  

কুতুবদিয়ায় প্রভাতী জাতের বাঁধাকপির বাম্পার ফলন হয়েছে। ভালো ফলন আর ন্যায্য দামে লাভবান হচ্ছেন স্থানীয় চাষীরা।

চলতি বছর কুতুবদিয়ায় আলী আকবর ডেইল ইউনিয়নে ১২জন, বড়ঘোপ ইউনিয়নে ২/৩ এবং দক্ষিণ ধূরুং ইউনিয়নের ২জন চাষীরা ২/৩ খানি জমিতে প্রভাতী জাতের বাধাঁকপির আবাদ হয়েছে বলে স্থানীয় কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে। গত বছরের তুলনায় এবছর অনেক ভালো ফলন হয়েছে।

উপজেলা আলী আকবর ডেইল ইউনিয়নের নাছিয়ার পাড়ার গ্রামের কৃষক জয়নাল আবেদীন জানান, ৩ গন্ডা জমিতে তিনি প্রভাতী জাতের বাঁধাকপি চাষ করেছেন। এতে প্রায় ৮শ চারা রোপণ করেছি। জমি তৈরী, সেচ, সার, বীজ, কীটনাশকসহ যাবতীয় তার খরচ হয়েছে ৩ থেকে ৪ হাজার টাকা। বর্তমানে তিনি ১৪ থেকে ২০ টাকা পাইকারি দরে বাঁধাকপি বিক্রি করছেন।

পার্শ্ববর্তী গ্রামের কৃষক আবু ছৈয়দ, দুলাল শীল, মফিজ আলম, জাকের, ছৈয়দ, ফোরকান ও মন্জুর আলমসহ এলাকার প্রভাবী জাতের বাঁধাকপি চাষীরা জানান, চলতি বছরে প্রভাতী জাতের বাঁধাকপির বাম্পার ফলন হয়েছে। তারা ১ খানি প্রভাতী জাতের বাঁধাকপি চাষে খরচ করেছেন ২০ হাজার টাকা। এতে চারা রোপণ করেছেন প্রায় সাড়ে ৫ হাজার। ইতোমধ্যে দুই হাজার প্রভাতী জাতের বাঁধাকপির বিক্রি করে প্রায় ২৮ হাজার টাকা পেয়েছেন। তবে এই মৌসুমে আরও ৫০ হাজার টাকার বাঁধাকপি বিক্রি করতে পারবেন বলে আশাবাদী তারা।

উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের আলী আকবর ডেইল ইউনিয়নের উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা মিসবাহ উদ্দিন সেলিম জানান, আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় কৃষকরা বাঁধাকপি প্রভাতী চাষ করে ভালো ফলন পাচ্ছেন। সেই সঙ্গে বাজারে এর ভালো ফলন থাকায় তারা অর্থনৈতিক ভাবে লাভবান হচ্ছেন।

এব্যাপারে জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের (ভারপ্রাপ্ত) উপ-পরিচালক আতিক উল্লাহ জানান, এ বছর কোনও প্রাকৃতিক দূর্যোগ না থাকা, উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের সার্বিক সহযোগিতায় চাষীরা প্রভাতী জাতের বাধাঁকপির বাম্পার ফলন পেয়েছেন। পপ্রতি গন্ডায় ২৬০টি ফলন পেয়েছেন। বাজার দর ভালো হওয়ায় লাভবান হচ্ছেন।

কক্সবাজার বার্তা
কক্সবাজার বার্তা
এই বিভাগের আরো খবর