বৃহস্পতিবার   ২৮ জানুয়ারি ২০২১   মাঘ ১৫ ১৪২৭   ১৪ জমাদিউস সানি ১৪৪২

কক্সবাজার বার্তা
সর্বশেষ:
৭২ হাজার ৭৫০ কোটি টাকার প্রণোদনা প্যাকেজ ঘোষণা ‘২০৪১ সালে মাথাপিছু আয় দাঁড়াবে সাড়ে ১২ হাজার ডলার’ রোহিঙ্গা ইস্যুতে প্রধানমন্ত্রীর প্রশংসা করে অ্যাঞ্জেলিনার চিঠি ডিসেম্বরে নির্মাণ শুরু হবে দেশের প্রথম পাতাল মেট্রো রুট গোলদিঘির পাড়ে নির্মিত হচ্ছে আধুনিকমানের মারকাজ মসজিদ ২০২২ সালের মধ্যে ট্রেন চলবে কক্সবাজারে কক্সবাজারের উন্নয়নে উদ্যোগ নিলো জাতিসংঘ দ্বিতীয় পারমানবিক বিদ্যুৎ প্রকল্প মহেশখালী-কুতুবদিয়ায়! এগিয়ে চলছে স্বপ্নের কর্ণফুলী টানেল নির্মাণ কাজ ১০০ হাজার কোটি টাকার উন্নয়ন কাজ চলছে কক্সবাজারে ২৫ মেগা প্রকল্পে পাল্টে যাচ্ছে কক্সবাজার উন্নয়নে শীর্ষে কক্সবাজার
৯৫

কয়েকদিনের মধ্যে ভাসানচরে যাচ্ছে ২-৩ হাজার রোহিঙ্গা

প্রকাশিত: ২৮ নভেম্বর ২০২০  

কক্সবাজারের উখিয়া ও টেকনাফের ৩৪টি ক্যাম্প থেকে দুই থেকে তিন হাজার রোহিঙ্গাকে আগামী কয়েক দিনের মধ্যে ভাসানচরে স্থানান্তর করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়। এ লক্ষে সব প্রস্তুতিও শেষ হয়েছে।

শনিবার (২৮ নভেম্বর) দুপুরে কক্সবাজারের জেলা প্রশাসক মো. কামাল হোসেন এ তথ্যটি নিশ্চিত করেছেন।

জেলা প্রশাসক বলেন, ভাসানচর পুরো প্রস্তুত রয়েছে। ইতিমধ্যে অল্প সংখ্যক রোহিঙ্গা সেখানে গিয়েছে। আগামী কিছুদিনের মধ্যে আমরা আশা করছি যে, ২ থেকে ৩ হাজারের মতো রোহিঙ্গা ভাসানচরে যাবে। এই জন্য সকল প্রস্তুতি হয়েছে, প্রস্তুতি সভা করা হয়েছে।

কামাল হোসেন আর বলেন, প্রশাসন তরফ থেকে যে ধরণের সাহায্য সহযোগিতা কক্সবাজার শরণার্থী ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন অফিস চাইবে; আমরা সেগুলো দেয়ার জন্য প্রস্তুত আছি এবং দিয়েছিও। আশা করছি; খুব স্বল্প সময়ের মধ্যে ২ থেকে ৩ হাজার রোহিঙ্গা ভাসানচরে যাবে। এই নোয়াখালীর জেলা প্রশাসনও প্রস্তুত রয়েছে। আমরা সবাই মিলে সমন্বয় করে তাদের নেয়ার প্রস্তুতিটা সম্পন্ন করেছি।

এর আগে গত সেপ্টেম্বর মাসের প্রথম দিকে কক্সবাজারে বিভিন্ন শিবিরে অবস্থানরত রোহিঙ্গাদের মধ্যে থেকে ৪০ জনের একটি দলকে আনুষ্ঠানিকভাবে ভাসানচরে তৈরি আশ্রয়ণ প্রকল্প দেখাতে নিয়ে যাওয়া হয়। তারা কক্সবাজার থেকে বাসে করে চট্টগ্রাম, সেখান থেকে নৌবাহিনীর জাহাজে নোয়াখালীর ভাসানচরে যায় রোহিঙ্গাদের দলটি। শরণার্থী ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনারের কার্যালয়, বাংলাদেশ সেনাবাহিনী ও নৌবাহিনীর তত্ত্বাবধানে এই সফর আয়োজন করে। চল্লিশ জনের মধ্যে দুইজন নারীসহ এই দলে ছিলেন বিভিন্ন শিবিরের ইমাম, শিক্ষক, মাঝি হিসেবে পরিচিত শিবির প্রধান এবং রোহিঙ্গাদের মধ্যে নেতৃস্থানীয় পর্যায়ের কয়েকজন।

কক্সবাজার বার্তা
কক্সবাজার বার্তা
এই বিভাগের আরো খবর