শুক্রবার   ০৭ আগস্ট ২০২০   শ্রাবণ ২৩ ১৪২৭   ১৭ জ্বিলহজ্জ ১৪৪১

কক্সবাজার বার্তা
সর্বশেষ:
৭২ হাজার ৭৫০ কোটি টাকার প্রণোদনা প্যাকেজ ঘোষণা ‘২০৪১ সালে মাথাপিছু আয় দাঁড়াবে সাড়ে ১২ হাজার ডলার’ রোহিঙ্গা ইস্যুতে প্রধানমন্ত্রীর প্রশংসা করে অ্যাঞ্জেলিনার চিঠি ডিসেম্বরে নির্মাণ শুরু হবে দেশের প্রথম পাতাল মেট্রো রুট গোলদিঘির পাড়ে নির্মিত হচ্ছে আধুনিকমানের মারকাজ মসজিদ ২০২২ সালের মধ্যে ট্রেন চলবে কক্সবাজারে কক্সবাজারের উন্নয়নে উদ্যোগ নিলো জাতিসংঘ দ্বিতীয় পারমানবিক বিদ্যুৎ প্রকল্প মহেশখালী-কুতুবদিয়ায়! এগিয়ে চলছে স্বপ্নের কর্ণফুলী টানেল নির্মাণ কাজ ১০০ হাজার কোটি টাকার উন্নয়ন কাজ চলছে কক্সবাজারে ২৫ মেগা প্রকল্পে পাল্টে যাচ্ছে কক্সবাজার উন্নয়নে শীর্ষে কক্সবাজার
৬৭

গর্জনিয়ার মরিচ্যাচর গ্রাম এখন বিদ্যুৎতের আলোই আলোকিত

প্রকাশিত: ১৪ জুলাই ২০২০  

দেশ স্বাধীন হয়েছে ৪৯ বছর যারা প্রবীন তারা অনেকেই বিদ্যুৎ কি তা চিনেনা বা জানেনা। চেরাগ বা আগুনের মশাল ব্যবহার করে যাদের জীবন জীবিকা। এমন একটি গ্রামে বিদ্যুতের আলোয় আলোকিত হয়েছে । ১৩ জুলাই( সোমবার) বাংলাদেশ পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির আওতায় এই লাইন চালু করা হয়।

রামু উপজেলার গর্জনিয়া ইউনিয়নের ২নং ওয়ার্ড়ের মরিচ্যাচর গ্রামে প্রধানমন্ত্রীর শতভাগ বিদ্যুতায়নের অংশ হিসাবে বাংলাদেশ পল্লী বিদ্যুৎ এর আওতায় প্রথমেই বিদ্যুৎ সুবিধা পেলো গ্রামবাসী। স্বাধীনতার ৪৯ বছর পর গ্রামবাসি বিদ্যুৎতের আলোই আলোকিত করলো গ্রামটি।
গ্রাম সর্দার প্রধান মোঃ ইউনুস জানান, আমরা স্বাধীনতার পর থেকে শুধু শুনে এসেছি বিদ্যুৎ আসার কথা কিন্তু বিগত দিনের কোন নেতা আমাদেও বিদ্যুৎ সুবিধা দিতে পারেনি । বর্তমান সাংসদ সাইমুম সরওয়ার কমলের আন্তরিকতায় ও বর্তমান গর্জনিয়া ইউনিয়ন পরিষদেও চেয়ারম্যান সৈয়দ নজরুল ইসলামের আন্তরিক প্রচেষ্টায় আজ আমরা বিদ্যুৎতের আলোই আলোকিত।
মরিচ্যাচর গ্রামের বাসিন্দা মোজাম্মেল বলেন, আমরা আন্তরিকভাবে ধন্যবাদ জানাচ্ছি এমপি সাইমুম সরওয়ার কমল এমপি, গর্জনিয়া ইউনিয় পরিষদের চেয়ারম্যান সৈয়দ নজরুল ইসলাম ও অত্র এলাকার সন্তান সাংবাদিক নেজাম উদ্দিনের কাছে যাদের আন্তরিকতায় আমরা বিদ্যুৎ পেয়েছি।

বাংলাদেশ পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির কক্সবাজাররের প্রধান কর্মকর্তা (জিএম)আকতারুজ্জামান লস্কর জানান, আমরা মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর দেওয়া কথা শতভাগ বিদ্যুৎতায়নের জন্য নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছি। কোন গ্রাম বিদ্যুৎ বিহীন থাকবেনা। আমাদেও টিম প্রতিনিয়ত বিদ্যুৎ সেবায় কাজ করে যাচ্ছে। এতে আপনাদেও সহযোগিতা আমদের কাম্য ।
গর্জনিয়া ইউনিয়ন পরিষদ চেয়াম্যান সৈয়দ নজরুল ইসলাম জানান, গর্জনিয়াতে শতভাগ বিদ্যুৎতায়নের জন্য আমি ও আমার পরিষদবর্গ আন্তরিকতার সাথে কাজ করছে।অধিকাংশ গ্রাম বিদ্যুতায়নের আওতায় এসেছে। আশা করছি যেসব এলাকা এখনো বিদ্যুৎতায়নের আওতায় আসেনি আমি সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তার সাথে কথা বলেছি তা শীগ্রই বিদ্যুৎতের ব্যবস্থা হবে। আমি আন্তরিক ভাবে ধন্যবাদ জানাচ্ছি পল্লী বিদ্যুতের সকল কর্মকর্তাকে আজকে একটি গ্রাম আলোকিত করার জন্য। সেই সাথে ধন্যবাদ জানাচ্ছি গর্জনিয়ার প্রথম সিভিল ইঞ্জিনিয়ার মৃত নুরুল হাকিমের ছোট ছেলে সাংবাদিক নেজাম উদ্দিনকে যে সামগ্রিক বিষয়ে সহযোগিতা করেছেন।

কক্সবাজার বার্তা
কক্সবাজার বার্তা
এই বিভাগের আরো খবর