বুধবার   ২১ অক্টোবর ২০২০   কার্তিক ৫ ১৪২৭   ০৪ রবিউল আউয়াল ১৪৪২

কক্সবাজার বার্তা
সর্বশেষ:
৭২ হাজার ৭৫০ কোটি টাকার প্রণোদনা প্যাকেজ ঘোষণা ‘২০৪১ সালে মাথাপিছু আয় দাঁড়াবে সাড়ে ১২ হাজার ডলার’ রোহিঙ্গা ইস্যুতে প্রধানমন্ত্রীর প্রশংসা করে অ্যাঞ্জেলিনার চিঠি ডিসেম্বরে নির্মাণ শুরু হবে দেশের প্রথম পাতাল মেট্রো রুট গোলদিঘির পাড়ে নির্মিত হচ্ছে আধুনিকমানের মারকাজ মসজিদ ২০২২ সালের মধ্যে ট্রেন চলবে কক্সবাজারে কক্সবাজারের উন্নয়নে উদ্যোগ নিলো জাতিসংঘ দ্বিতীয় পারমানবিক বিদ্যুৎ প্রকল্প মহেশখালী-কুতুবদিয়ায়! এগিয়ে চলছে স্বপ্নের কর্ণফুলী টানেল নির্মাণ কাজ ১০০ হাজার কোটি টাকার উন্নয়ন কাজ চলছে কক্সবাজারে ২৫ মেগা প্রকল্পে পাল্টে যাচ্ছে কক্সবাজার উন্নয়নে শীর্ষে কক্সবাজার
৩২১

গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়ায় মৃত্যু ঝুঁকিতে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশিত: ১৫ নভেম্বর ২০১৮  

হাসপাতাল ভবনের দ্বিতীয় তলায় মহিলা ও পুরুষ ওয়ার্ডের প্রবেশ দ্বারে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ নোটিশ টাঙিয়ে দিয়েছে। সেখানে লেখা আছে এ ওয়ার্ডের ছাঁদ ভেঙ্গে পড়তেছে, এখানে থাকলে নিজ দায়িত্বে থাকবেন। তারপরও নিজ নিজ দায়িত্বে রোগীরা সেখানে থাকছেন। নিচ্ছেন চিকিৎসা সেবা। চিকিৎসক ও নার্সরা জীবনের ঝুঁকি নিয়ে এ হাসপাতালে কাজ করে যাচ্ছেন। এ ছাড়া চিকিৎসক সংকটে গত ৭ মাস ধরে এ হাসপাতালে অপারেশন বন্ধ রয়েছে।

গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে বর্তমানে এ অবস্থা বিরাজ করছে দীর্ঘ দিন যাবত। উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স সূত্রে জানা গেছে, কোটালীপাড়া উপজেলার সাড়ে ৩ লাখ মানুষকে চিকিৎসাসেবা দিতে ৪০ বছর আগে ৩১ বেডের এ হাসপাতাল ভবন নির্মাণ করা হয়। হাসপাতাল ভবনটি এখন জরাজীর্ণ ও ঝুঁকিপূর্ণ। দ্বিতীয় তলা ব্যবহারের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। সেখানে ছাদের পলেস্তারা, ঢালাই, ভিমের ঢালাই খসে পড়ছে। ছাদের রড বেরিয়ে গেছে। অনেক সময় পলেস্তারা খসে পড়ে প্রতি নিয়ত রোগী, নার্স ও চিকিৎসকরা আহত হচ্ছেন। এ কারণে হাসাপাতাল কর্তৃপক্ষ মহিলা ও পুরুষ ওয়ার্ডের প্রবেশ দ্বারে সতর্কতা নোটিশ টাঙিয়ে দিয়েছে।

উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স সূত্র আরো জানিয়েছে, ৩১ বেডের এ হাসপাতালটিকে ৫০ বেড করা হয়েছে। কিন্তু এখানে জনবল রয়েছে ৩১ বেডের। ২২ জন চিকিৎসকের স্থলে কর্মরত রয়েছেন মাত্র ৯ জন চিকিৎসক। গত ৭ মাস ধরে গাইনি ও অ্যানেসথেশিয়া বিশেষজ্ঞ নেই। এ কারণে বন্ধ রয়েছে অপারেশন।

কোটালীপাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. প্রেমানন্দ মন্ডল বলেন, প্রকৌশল বিভাগ অনেক আগেই এ ভবন পরিত্যক্ত ঘোষণা করেছে। আমরা এখানে রোগী রাখতে চাই না। রোগীরা জোর করে এখানে ভর্তি হয়ে চিকিৎসা সেবা নেন। তাই আমরাও সতর্কতা মূলক নোটিশ টাঙিয়ে দিয়েছি। ৩ মাসের মধ্যে হাসপতালের এ ভবন ভেঙে নতুন আধুনিক ভবন নির্মাণ কাজ শুরুর প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়েছে।

তিনি আরো বলেন, এখানে চিকিৎসক সংকট প্রকট। ৭ মাস ধরে হাসপাতালে গাইনি ও অ্যানেসথেশিয়া বিশেষজ্ঞ নেই। তাই অপারেশন বন্ধ রয়েছে। চিকিৎসক সংকটের মধ্যেও প্রতিদিন ৩/৪ শ রোগীকে আমরা চিকিৎসা সেবা দিয়ে যাচ্ছি।

কক্সবাজার বার্তা
কক্সবাজার বার্তা
এই বিভাগের আরো খবর