বুধবার   ০৩ মার্চ ২০২১   ফাল্গুন ১৮ ১৪২৭   ১৯ রজব ১৪৪২

কক্সবাজার বার্তা
সর্বশেষ:
৭২ হাজার ৭৫০ কোটি টাকার প্রণোদনা প্যাকেজ ঘোষণা ‘২০৪১ সালে মাথাপিছু আয় দাঁড়াবে সাড়ে ১২ হাজার ডলার’ রোহিঙ্গা ইস্যুতে প্রধানমন্ত্রীর প্রশংসা করে অ্যাঞ্জেলিনার চিঠি ডিসেম্বরে নির্মাণ শুরু হবে দেশের প্রথম পাতাল মেট্রো রুট গোলদিঘির পাড়ে নির্মিত হচ্ছে আধুনিকমানের মারকাজ মসজিদ ২০২২ সালের মধ্যে ট্রেন চলবে কক্সবাজারে কক্সবাজারের উন্নয়নে উদ্যোগ নিলো জাতিসংঘ দ্বিতীয় পারমানবিক বিদ্যুৎ প্রকল্প মহেশখালী-কুতুবদিয়ায়! এগিয়ে চলছে স্বপ্নের কর্ণফুলী টানেল নির্মাণ কাজ ১০০ হাজার কোটি টাকার উন্নয়ন কাজ চলছে কক্সবাজারে ২৫ মেগা প্রকল্পে পাল্টে যাচ্ছে কক্সবাজার উন্নয়নে শীর্ষে কক্সবাজার
২৪৯

চট্টগ্রামের নগরপিতা হলেন নৌকার রেজাউল, ভোট কমেছে বিএনপির

প্রকাশিত: ২৮ জানুয়ারি ২০২১  

চট্টগ্রামের নগরপিতা হলেন আওয়ামী লীগের (নৌকা প্রতীক) প্রার্থী এম রেজাউল করিম চৌধুরী। চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন (চসিক) নির্বাচনে বিপুল ভোটে বিজয়ী হয়েছেন তিনি।

বুধবার (২৭ জানুয়ারি) দিবাগত রাতে ঘোষিত বেসরকারি ফলাফলে তিনি পেয়েছেন তিন লাখ ৬৯ হাজার ২৪৮ ভোট। ৭৩৫টি কেন্দ্রের মধ্যে ৭৩৩টি কেন্দ্রের ফলাফল ঘোষণা করা হয়েছে। স্থগিত আছে দুটি কেন্দ্রের ফল ঘোষণা।

অন্য স্থানীয় সরকারের নির্বাচনের মতো চসিক নির্বাচনেও বিএনপির শোচনীয় পরাজয় হয়েছে। নির্বাচনে জয় পরাজয় থাকবে। কিন্তু চসিক নির্বাচন বিএনপির জন্য অন্য দুশ্চিন্তা সামনে এনেছে। এই নির্বাচনেও এখন পর্যন্ত প্রাপ্ত ফলের হিসেব দেখা যাচ্ছে, বিএনপি তার রির্জাভ ভোট ধরে রাখতে পারছে না। একটি রাজনৈতিক দলের বিলীন হয়ে যাওয়ার এটি সবথেকে বড় লক্ষন। নির্বাচনে কারচুপি, এজেন্টদের বের করে দেয়া সহ যতো অভিযোগই বিএনপি করুক, প্রতিকূল পরিস্থিতির মধ্যেও তারা যে রির্জাভ ভোট ধরে রাখতে পারছেনা, এটা ক্রমশ উদ্বিগ্ন করছে দলটির শীর্ষ নেতাদের।

সাধারনত ধরে নেয়া হয় যে, বিএনপির ২৭ থেকে ৩০ ভাগ রির্জাভ ভোট আছে। এরা যেকোন পরিস্থিতিতে ধানের শীষ প্রতীকে ভোট দিতে প্রস্তুত। কিন্তু সাম্প্রতিক নির্বাচন গুলোতে দেখা যাচ্ছে বিএনপি সর্বোচ্চ গড়ে ১৮ শতাংশ ভোট পাচ্ছে। এমনকি যেসব এলাকায় অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন হচ্ছে, সেখানেও বিএনপির গড় ভোট ১৮ শতাংশের উপর নয়। অর্থাৎ গত ১৪ বছরে বিএনপির গড় ভোট শতকরা ১২ শতাংশ হারে কমেছে। বিএনপি নেতারাই এর ব্যাখ্যা খুঁজতে চাইছেন।

বিএনপির স্থায়ী কমিটির একজন সদস্য নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেছেন ‘এটা সংগঠন হিসেবে বিএনপি যে দুর্বল হয়ে যাচ্ছে তার প্রমাণ। দেশের অধিকাংশ জেলায় বিএনপির কমিটি গুলো ক্রিয়াশীল নয়। যেখানে কমিটি আছে, সেখানে কর্মসূচি নেই। বিএনপির নেতারাও স্বীকার করেন যে, কর্মসূচী না থাকলে কর্মীদের ধরে রাখা কঠিন।

বাংলাদেশে রাজনৈতিক সংগঠন বিকশিত হয়, নেতৃত্বকে ঘিরে জাতির পিতার নেতৃত্বের কারনেই আওয়ামী লীগ জনপ্রিয় একটি সংগঠন হিসেবে আর্বিভূত হয়েছিল। জিয়ার ক্যারিশমা বিএনপিকে ভিত্তি দিয়েছিল। এরশাদই ছিলো জাতীয় পার্টির প্রাণ। এখনও আওয়ামী লীগের জনপ্রিয়তার মূল উৎস শেখ হাসিনা। ৮১র পর বিএনপি টিকে ছিলো বেগম জিয়ার ইমেজের কারনে। কিন্তু এখন বিএনপির এরকম নেতৃত্ব নেই। তাই বিএনপিতে নতুন কর্মী আসছে না। কর্মী হলো একটি সংগঠনের রক্ত সঞ্চালনের মতো। কর্মী কমলে দলও রক্তশূন্য হয়ে যায়। বেগম জিয়ার রহস্যময় নীরবতা, তারেক জিয়ার ইমেজ সংকট বিএনপির রক্ত প্রবাহ বন্ধ করে দিচ্ছে। দল হিসেবে বিএনপি দ্রুত বিলুপ্তির পথে হাটছে।

কক্সবাজার বার্তা
কক্সবাজার বার্তা
এই বিভাগের আরো খবর