বৃহস্পতিবার   ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২১   ফাল্গুন ১২ ১৪২৭   ১৩ রজব ১৪৪২

কক্সবাজার বার্তা
সর্বশেষ:
৭২ হাজার ৭৫০ কোটি টাকার প্রণোদনা প্যাকেজ ঘোষণা ‘২০৪১ সালে মাথাপিছু আয় দাঁড়াবে সাড়ে ১২ হাজার ডলার’ রোহিঙ্গা ইস্যুতে প্রধানমন্ত্রীর প্রশংসা করে অ্যাঞ্জেলিনার চিঠি ডিসেম্বরে নির্মাণ শুরু হবে দেশের প্রথম পাতাল মেট্রো রুট গোলদিঘির পাড়ে নির্মিত হচ্ছে আধুনিকমানের মারকাজ মসজিদ ২০২২ সালের মধ্যে ট্রেন চলবে কক্সবাজারে কক্সবাজারের উন্নয়নে উদ্যোগ নিলো জাতিসংঘ দ্বিতীয় পারমানবিক বিদ্যুৎ প্রকল্প মহেশখালী-কুতুবদিয়ায়! এগিয়ে চলছে স্বপ্নের কর্ণফুলী টানেল নির্মাণ কাজ ১০০ হাজার কোটি টাকার উন্নয়ন কাজ চলছে কক্সবাজারে ২৫ মেগা প্রকল্পে পাল্টে যাচ্ছে কক্সবাজার উন্নয়নে শীর্ষে কক্সবাজার
৫৫

চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কে ঝুঁকি কমাতে হচ্ছে বাইপাস ফ্লাইওভার

প্রকাশিত: ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২১  

চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কে দুর্ঘটনা যেন নিত্যসঙ্গী। সড়কের মোড়ে মোড়ে থাকে যানজট। দুর্ঘটনা ও যানজটের কারণে সড়কটি ব্যবহারে বেগ পেতে হয় যাত্রীদের। চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কে দুর্ঘটনা ঝুঁকি কমাতে সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তরের উদ্যোগে চারটি বাইপাস ও একটি ফ্লাইওভার নির্মাণের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে।

জাপান আন্তর্জাতিক সহযোগিতা সংস্থার (জাইকা) আর্থিক সহায়তায় পটিয়া, দোহাজারি, লোহাগাড়া, চকরিয়া ও কেরানীহাট এলাকায় হাইওয়ে ইমপ্রুভমেন্ট প্রকল্পের আওতায় বাইপাস ও ফ্লাইওভারগুলো নির্মিত হবে। প্রকল্প অনুমোদনে জটিলতা না থাকলে চলতি বছরের শেষদিকে এ প্রকল্পের কাজ শুরু হওয়ার কথা জানিয়েছেন প্রকল্প সংশ্লিষ্টরা।

চট্টগ্রাম-কক্সবাজার হাইওয়ে ইমপ্রুভমেন্ট প্রকল্পের কো-অর্ডিনেটর শ্যামল ভট্টাচার্য্য বলেন, ‘চট্টগ্রাম-কক্সবাজার সড়কে বাইপাস ও ফ্লাইওভার নির্মাণের একটি প্রকল্প হাতে নেয়া হয়েছে। ইতোমধ্যে প্রকল্পের সম্ভাব্যতা যাচাই কাজ চলছে। আগামী জুনের মধ্যেই সম্ভাব্যতা যাচাই কাজ শেষ হবে। পরে ডিপিপি প্রস্তুত শেষেই পুরো প্রকল্পে কত টাকা ব্যয় হবে তা জানা যাবে। অনুমোদনের পর জাপানের ফান্ডে চলতি বছরের শেষদিকে প্রকল্পের কাজ শুরু করার পরিকল্পনা আছে।’

জানা যায়, গত ২৭ জানুয়ারি থেকে ৩১ জানুয়ারি পর্যন্ত চকরিয়া পৌরসভা মিলনায়তন, লোহাগাড়ার আমিরাবাদ ইউনিয়ন পরিষদ, সাতকানিয়ার কেঁওচিয়া ইউনিয়ন পরিষদ, কালিয়াইশ ইউনিয়ন পরিষদ ও পটিয়ার ফোর স্টার কমিউনিটি সেন্টারে অংশীজন সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। এতে প্রকল্পের পরিবেশগত ও সামাজিক প্রভাব নিরূপন বিষয়ে আলোচনা করা হয়। আলোচনায় ক্ষতিগ্রস্ত এলাকার বাসিন্দা ও প্রকল্প সংশ্লিষ্টরা মতামত তুলে ধরেন।

প্রকল্প সূত্র জানায়, চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কে এ প্রকল্পে একমাত্র ফ্লাইওভারটি নির্মিত হবে সাতকানিয়ার কেরানীহাট এলাকায়। সেখানে যানজট নিরসন ও দুর্ঘটনার ঝুঁকি কমাতে এ ফ্লাইওভার নির্মাণ করা হবে। এছাড়াও সাতকানিয়া এলাকার কালিয়াইশে দেওয়ানহাট থেকে জাফর আহমদ চৌধুরী ডিগ্রি কলেজ এলাকা পর্যন্ত একটি, লোহাগাড়ার আমিরাবাদে তজু মুন্সির গ্যারেজ থেকে লোহারদিঘির পাড় এলাকায় একটি, চকরিয়া পৌরসভায় একটি ও পটিয়ার শান্তিরহাট এলাকায় আরো একটি বাইপাস নির্মাণ করা হবে।

সাতকানিয়ার কেঁওচিয়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মনির আহমদ বলেন, ‘প্রকল্প সংশ্লিষ্টদের সাথে এলাকাবাসীর একটি বৈঠক হয়েছে। এতে উপস্থিত মানুষরা ফ্লাইওভারের পক্ষেই মতামত দিয়েছেন। যদিও সরকারি জায়গা অধিগ্রহণ করাই আছে। যা মানুষের দখলে আছে। ফ্লাইওভারের পরিবর্তে বাইপাস করলে ফসলি জমি নষ্ট হবে, ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান পড়বে, স্কুল পড়বে। যে কারণে বাইপাস নয়, ফ্লাইওভারের পক্ষেই মানুষের অবস্থান বেশি। আমরাও চাই কেরানীহাটে ফ্লাইওভার হোক।’

সাতকানিয়ার কালিয়াইশ ইউনিয়নের চেয়ারম্যান হাফেজ আহমদ বলেন, ‘দেওয়ানহাট থেকে জাফর আহমদ ডিগ্রি কলেজ পর্যন্ত একটি বাইপাস সড়ক করার প্রস্তাবনা করা হয়েছে। এ বাইপাস করতে যাদের জায়গা পড়েছে তাদেরকে ডাকা হয়েছিল। এ প্রকল্পে যারা ক্ষতিগ্রস্ত হবে তাদেরকে অগ্রিম টাকা দেয়ার কথা জানানো হয়েছে। কিন্তু মানুষের কিছু আপত্তি আছে। কারণ এর আগে রেলওয়ের প্রকল্পে অনেকেই ক্ষতিগ্রস্ত হলেও টাকা পেতে জটিলতার সৃষ্টি হয়েছে। এলএ শাখার সার্ভেয়াররা ১৫ শতাংশ টাকা নিয়ে ফেলে বলে বৈঠক থেকে প্রকল্প সংশ্লিষ্টদের জানানো হয়েছে।

কক্সবাজার বার্তা
কক্সবাজার বার্তা
এই বিভাগের আরো খবর