বৃহস্পতিবার   ০৪ মার্চ ২০২১   ফাল্গুন ১৯ ১৪২৭   ২০ রজব ১৪৪২

কক্সবাজার বার্তা
সর্বশেষ:
৭২ হাজার ৭৫০ কোটি টাকার প্রণোদনা প্যাকেজ ঘোষণা ‘২০৪১ সালে মাথাপিছু আয় দাঁড়াবে সাড়ে ১২ হাজার ডলার’ রোহিঙ্গা ইস্যুতে প্রধানমন্ত্রীর প্রশংসা করে অ্যাঞ্জেলিনার চিঠি ডিসেম্বরে নির্মাণ শুরু হবে দেশের প্রথম পাতাল মেট্রো রুট গোলদিঘির পাড়ে নির্মিত হচ্ছে আধুনিকমানের মারকাজ মসজিদ ২০২২ সালের মধ্যে ট্রেন চলবে কক্সবাজারে কক্সবাজারের উন্নয়নে উদ্যোগ নিলো জাতিসংঘ দ্বিতীয় পারমানবিক বিদ্যুৎ প্রকল্প মহেশখালী-কুতুবদিয়ায়! এগিয়ে চলছে স্বপ্নের কর্ণফুলী টানেল নির্মাণ কাজ ১০০ হাজার কোটি টাকার উন্নয়ন কাজ চলছে কক্সবাজারে ২৫ মেগা প্রকল্পে পাল্টে যাচ্ছে কক্সবাজার উন্নয়নে শীর্ষে কক্সবাজার
১৭৫

চসিক নির্বাচনে জামায়াত-হেফাজতের সমর্থন পায়নি বিএনপি !

প্রকাশিত: ২৮ জানুয়ারি ২০২১  

জনগণের বিপুল ভোটে চসিকের নতুন মেয়র হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন আওয়ামী লীগের মনোনীত প্রার্থী এম রেজাউল করিম চৌধুরী। চসিক নির্বাচনে ঢাকঢোল পিটেয়ে বিএনপি প্রতিদ্বন্দ্বিতা করলেও তারা ভোটের মাঠে পাশে পায়নি জামায়াত কিংবা হেফাজতকে। গুঞ্জন উঠেছে, চসিক নির্বাচনে বন্ধুহীন হয়ে পড়েছিল বিএনপি। প্রকাশ্য বা গোপনে জামায়াত কিংবা হেফাজতে পক্ষ থেকে বিএনপির মেয়র প্রার্থী ডা. মো. শাহাদাত হোসেন কোনো সমর্থন কিংবা সহযোগিতা পাননি বলেও জানা গেছে। ২০ দলীয় জোটের সমর্থন কিংবা ভোট পাওয়া নিয়ে চরম অসন্তুষ্ট শাহাদাত। গুঞ্জন সত্যি হয়ে বিএনপি প্রার্থী বিপুল ব্যবধানে পরাজিত হওয়ায় হতাশ হয়ে পড়েছেন তৃণমূলের নেতাকর্মীরা।

চট্টগ্রামকেন্দ্রীক একাধিক গোপন সূত্র বলছে, চসিক নির্বাচনে শুরু থেকেই বন্ধুহীন অবস্থায় ছিলো বিএনপি। কেন্দ্র থেকে বারবার জামায়াত ও হেফাজত নেতাদের কাছে দেন-দরবার করেও কোনো সাড়া মেলেনি। জামায়াত ও হেফাজতের তরফ থেকে সাফ জানিয়ে দেয়া হয়েছে, চসিক কেনো-কোনো নির্বাচনেই আর বিএনপিকে সমর্থন দেয়া হবে না। নির্বাচন এলেই বিএনপিতে অবহেলিত দল ও সংগঠনের কদর বাড়ে। বিএনপি ব্যাপক সুযোগ সন্ধানী রাজনৈতিক দল, তাই বিএনপিকে কোনো অবস্থাতেই সমর্থন দেয়নি জামায়াত কিংবা হেফাজত। বিষয়গুলো জানা পরও বিএনপির মেয়রপ্রার্থী গোপনে চট্টগ্রামের জামায়াত ও হেফাজত নেতাদের সাথে যোগাযোগ করার নানাবিধ চেষ্টা করেছিলেন। কিন্তু তাতে সফল হননি তিনি। জানা গেছে, শুধু জোটের দলগুলোই নয় বরং বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতা নোমান, আমির খসরুর নেতারাও প্রকাশ্যে শাহাদাতের পক্ষে কথা বললেও তারা মন থেকে প্রার্থিতা নিয়ে খুশি ছিলেন না।

জানা গেছে, চট্টগ্রাম সিটি নির্বাচনে আব্দুল্লাহ আল নোমান, আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী প্রার্থী হতে জোর লবিং চালিয়েছিলেন। কিন্তু তারেককে ম্যানেজ করায় মনোনয়ন পেয়ে যান শাহাদাত। যার ফলে শুরু থেকেই হাইকমান্ডের সিদ্ধান্তে রুষ্ট হন দুই হেভিওয়েট নেতা। পাশাপাশি সিটি নির্বাচনে জামায়াতের মতামত না নেয়ায় পরিস্থিতি আরো বিগড়ে যায়। এছাড়া হেফাজতের নতুন নেতৃত্বের সাথে সখ্যতা গড়ে তুলতে না পারায় শাহাদাতের সাথে টানাপোড়েন শুরু হয়। যার ফলে চসিক নির্বাচনে পুরোপুরি একা হয়ে গিয়েছিলেন শাহাদাত। বন্ধুহীন হয়েই বন্ধুর পথ পাড়ি দেন বিএনপির এই প্রার্থী। বিক্ষিপ্ত পরিস্থিতির ফলে চসিক নির্বাচনে বিএনপির মনোনীত প্রার্থীর চরম ভরাডুবি হয়েছে বলেই ধারনা রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের।

কক্সবাজার বার্তা
কক্সবাজার বার্তা
এই বিভাগের আরো খবর