বৃহস্পতিবার   ০৪ মার্চ ২০২১   ফাল্গুন ১৯ ১৪২৭   ২০ রজব ১৪৪২

কক্সবাজার বার্তা
সর্বশেষ:
৭২ হাজার ৭৫০ কোটি টাকার প্রণোদনা প্যাকেজ ঘোষণা ‘২০৪১ সালে মাথাপিছু আয় দাঁড়াবে সাড়ে ১২ হাজার ডলার’ রোহিঙ্গা ইস্যুতে প্রধানমন্ত্রীর প্রশংসা করে অ্যাঞ্জেলিনার চিঠি ডিসেম্বরে নির্মাণ শুরু হবে দেশের প্রথম পাতাল মেট্রো রুট গোলদিঘির পাড়ে নির্মিত হচ্ছে আধুনিকমানের মারকাজ মসজিদ ২০২২ সালের মধ্যে ট্রেন চলবে কক্সবাজারে কক্সবাজারের উন্নয়নে উদ্যোগ নিলো জাতিসংঘ দ্বিতীয় পারমানবিক বিদ্যুৎ প্রকল্প মহেশখালী-কুতুবদিয়ায়! এগিয়ে চলছে স্বপ্নের কর্ণফুলী টানেল নির্মাণ কাজ ১০০ হাজার কোটি টাকার উন্নয়ন কাজ চলছে কক্সবাজারে ২৫ মেগা প্রকল্পে পাল্টে যাচ্ছে কক্সবাজার উন্নয়নে শীর্ষে কক্সবাজার
৪৬৯

দেশ ঠিকানা: থাইল্যান্ড

ডেস্ক রিপোর্ট

প্রকাশিত: ৬ মার্চ ২০১৯  

প্রিয় পাঠক, নিয়োগ পরীক্ষা কিংবা ভাইভায় বিশ্বের বিভিন্ন দেশ সম্পর্কে জানতে চাওয়া হয়। এক্ষেত্রে একটি দেশের আদ্যোপান্ত জানা থাকলে যে কোন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় আপনার অবস্থান থাকবে অনুকূলে।
তাই আপনাদের প্রস্তুতির সুবিধার্থে আমাদের এই ধারাবাহিক আয়োজন...

থাইল্যান্ড

শ্বেত হস্তির দেশ নামে পরিচিত থাইল্যান্ড দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার একটি দেশ। ‘থাইল্যান্ড’ শব্দের অর্থ মুক্ত ভূমি।
দেশটির উত্তর-পূর্বে লাওস, উত্তর-পশ্চিমে মায়ানমার, দক্ষিণ-পূর্বে কম্বোডিয়া এবং দক্ষিণে থাইল্যান্ড
উপসাগরের অবস্থান। এর বৃহত্তম শহর ও রাজধানী ব্যাংকক।

১৯৩৯ সালের পূর্ব পর্যন্ত দেশটি শ্যামদেশ নামে পরিচিত ছিল। ভৌগোলিক অবস্থানের কারণে থাইল্যান্ডের সংস্কৃতিতে ভারত, চীন এবং অন্যান্য দক্ষিণ-পূর্ব এশীয় প্রতিবেশী দেশের সংস্কৃতির প্রভাব চোখে পড়ে।


 
ষোড়শ শতাব্দী থেকে থাইল্যান্ডে ইউরোপীয় শক্তিগুলির আগমন ঘটতে থাকে। তবে তাদের প্রচুর চাপ সত্ত্বেও থাইল্যান্ড দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার একমাত্র দেশ যা কোন বিদেশী শক্তির উপনিবেশে পরিণত হয়নি।

১৮৭২ সাল থেকে ১৯৩২ সাল পর্যন্ত দেশটিতে পরম রাজতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত ছিল। ১৯৩২ সালে একটি রক্তপাতহীন অভ্যুত্থানের ফলে সাংবিধানিক রাজতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত হয়। থাইল্যান্ড উপর্যুপরি বেশ কিছু সামরিক অভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে যায়। ১৯৮০-এর দশকে এখানে গণতন্ত্রের উত্তরণ ঘটে। ২০০৬ সালের ১৯ সেপ্টেম্বর সামরিক বাহিনী থাকসিন সিনওয়াত্রার নির্বাচিত সরকারকে ব্যাপক দুর্নীতির অভিযোগে ক্ষমতাচ্যুত করে। ২০০৭ সালের ডিসেম্বরে একটি বহুদলীয়, মুক্ত নির্বাচন অনুষ্ঠানের মাধ্যমে দেশটিতে গণতন্ত্র পুন:প্রতিষ্ঠিত হয়। 

থাইল্যান্ডের আইন ব্যবস্থাতে ঐতিহ্যবাহী থাই এবং পশ্চিমা আইনের সমন্বয় ঘটেছে। থাইল্যান্ডের সংবিধানে রাজাকে খুব কম ক্ষমতা দেয়া হলেও তিনি জাতীয় পরিচয় ও ঐক্যের প্রতীক।

প্রাকৃতিক রুপ-লাবণ্যে সমৃদ্ধ থাইল্যান্ডের রয়েছে ভ্রমণপিপাসুদের আকৃষ্ট করার মতো অসংখ্য দর্শনীয় স্থান।

এক নজরে থাইল্যান্ড:

প্রচলিত নাম: কিংডম অব থাইল্যান্ড।
রাজধানী: ব্যাংকক।
সাংবিধানিক রাজতন্ত্র প্রতিষ্ঠা: ২৪ জুন, ১৯৩২।
সরকার পদ্ধতি:
সামরিক জান্তার অধীনে সাংবিধানিক রাজতন্ত্র।
আয়তন: ৫,১৩,১২০ বর্গ কিলোমিটার।
আইন-সভা: ন্যাশনাল আ্যাসেম্বলী।
জনসংখ্যা: ৬ কোটি ৮৫ লক্ষ ৮ হাজার ৫১৫ জন।

বর্তমান রাজা: মাহা বাজিরালংকর্ন।
ভাষা: থাই।
প্রধান ধর্ম: বৌদ্ধ।
মুদ্রা: থাই বাত।
মাথাপিছু আয়: ১৬, ৮০০ মার্কিন ডলার।
জাতিসংঘে যোগদান: ১৯৪৬ সালে। 

কক্সবাজার বার্তা
কক্সবাজার বার্তা