শনিবার   ৩১ অক্টোবর ২০২০   কার্তিক ১৫ ১৪২৭   ১৪ রবিউল আউয়াল ১৪৪২

কক্সবাজার বার্তা
সর্বশেষ:
৭২ হাজার ৭৫০ কোটি টাকার প্রণোদনা প্যাকেজ ঘোষণা ‘২০৪১ সালে মাথাপিছু আয় দাঁড়াবে সাড়ে ১২ হাজার ডলার’ রোহিঙ্গা ইস্যুতে প্রধানমন্ত্রীর প্রশংসা করে অ্যাঞ্জেলিনার চিঠি ডিসেম্বরে নির্মাণ শুরু হবে দেশের প্রথম পাতাল মেট্রো রুট গোলদিঘির পাড়ে নির্মিত হচ্ছে আধুনিকমানের মারকাজ মসজিদ ২০২২ সালের মধ্যে ট্রেন চলবে কক্সবাজারে কক্সবাজারের উন্নয়নে উদ্যোগ নিলো জাতিসংঘ দ্বিতীয় পারমানবিক বিদ্যুৎ প্রকল্প মহেশখালী-কুতুবদিয়ায়! এগিয়ে চলছে স্বপ্নের কর্ণফুলী টানেল নির্মাণ কাজ ১০০ হাজার কোটি টাকার উন্নয়ন কাজ চলছে কক্সবাজারে ২৫ মেগা প্রকল্পে পাল্টে যাচ্ছে কক্সবাজার উন্নয়নে শীর্ষে কক্সবাজার
২৭৪

পদ্মা সেতুর ৮১ ভাগ নির্মাণ কাজ শেষ

নিউজ ডেস্ক

প্রকাশিত: ৮ জুলাই ২০১৯  

পদ্মা সেতু নির্মাণ কাজের অগ্রগতি সম্পর্কে সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ের এক প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, এই প্রকল্পের মূল সেতুর ৮১ ভাগ নির্মাণকাজ শেষ হয়েছে। এ ক্ষেত্রে অগ্রগতি মাত্র ৫৯ শতাংশ। 

রোববার (৭ জুলাই) সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়–সম্পর্কিত সংসদীয় কমিটির বৈঠকে প্রতিবেদনটি নিয়ে আলোচনা হয়েছে। সংসদ ভবনে কমিটির এই বৈঠক হয়। 

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এ বছরের জুন পর্যন্ত পদ্মাসেতুর ২৬২টি পাইলের মধ্যে ২৫৬টির এবং ৪২টি পিয়ার কলামের মধ্যে ২৯টির নির্মাণকাজ শেষ হয়েছে। ৩০ জুন ১৪তম স্প্যান বসানোর মধ্যদিয়ে ২ দশমিক ১ কিলোমিটার সেতু দৃশ্যমান হয়েছে।

বৈঠক সূত্র জানায়, বৈঠকে প্রতিবেদনটি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়নি। তবে কমিটির সদস্যরা সংসদ অধিবেশন শেষে সরেজমিনে পদ্মাসেতুর নির্মাণ কাজের অগ্রগতি পরিদর্শনের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।

প্রতিবেদনে আরো বলা হয়েছে, এ বছরের জুন পর্যন্ত প্রকল্পের জাজিরা ও মাওয়ার সংযোগ সড়ক এবং সার্ভিস এরিয়া–২–এর নির্মাণকাজ শতভাগ শেষ হয়েছে। প্রকল্পের সার্বিক ভৌত অগ্রগতি দেখানো হয়েছে ৭১ ভাগ। 

আরো বলা হয়েছে, পদ্মা সেতুর উভয় পারে ১ লাখ ৬৯ হাজার ৯৫৭টি গাছ লাগানো হয়েছে। একই সঙ্গে সংশ্লিষ্ট এলাকায় একটি জাদুঘর স্থাপনের কাজ চলমান আছে। এই জাদুঘরে রাখার জন্য ২ হাজার ২৩টি নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে।

পদ্মা সেতুর নির্মাণকাজের কারণে ক্ষতিগ্রস্ত লোকজনের মাঝে গত জুন পর্যন্ত ৬৪১ কোটি ৯৪ লাখ টাকা অতিরিক্ত সহায়তা বাবদ বিতরণ করা হয়েছে বলে প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে। একই সঙ্গে পুনর্বাসন এলাকায় নির্মিত ২ হাজার ৬৯০টি প্লট ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। এদের মধ্যে ৬৯৭টি ভূমিহীন পরিবারকে বিনা মূল্যে প্লট দেয়া হয়েছে।

মন্ত্রণালয় থেকে আরো জানানো হয়, হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে ঢাকা–চট্টগ্রাম মহাসড়কের কুতুবখালী পর্যন্ত নির্মাণাধীন উড়ালসেতুর কাজ ২০২২ সালের মার্চ নাগাদ শেষ হবে। এ–সংক্রান্ত অগ্রগতির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, উড়ালসেতুর ১৪৭টি স্প্যানে আই গার্ডার বসানো হয়েছে।

কক্সবাজার বার্তা
কক্সবাজার বার্তা
এই বিভাগের আরো খবর