বুধবার   ০২ ডিসেম্বর ২০২০   অগ্রাহায়ণ ১৭ ১৪২৭   ১৬ রবিউস সানি ১৪৪২

কক্সবাজার বার্তা
সর্বশেষ:
৭২ হাজার ৭৫০ কোটি টাকার প্রণোদনা প্যাকেজ ঘোষণা ‘২০৪১ সালে মাথাপিছু আয় দাঁড়াবে সাড়ে ১২ হাজার ডলার’ রোহিঙ্গা ইস্যুতে প্রধানমন্ত্রীর প্রশংসা করে অ্যাঞ্জেলিনার চিঠি ডিসেম্বরে নির্মাণ শুরু হবে দেশের প্রথম পাতাল মেট্রো রুট গোলদিঘির পাড়ে নির্মিত হচ্ছে আধুনিকমানের মারকাজ মসজিদ ২০২২ সালের মধ্যে ট্রেন চলবে কক্সবাজারে কক্সবাজারের উন্নয়নে উদ্যোগ নিলো জাতিসংঘ দ্বিতীয় পারমানবিক বিদ্যুৎ প্রকল্প মহেশখালী-কুতুবদিয়ায়! এগিয়ে চলছে স্বপ্নের কর্ণফুলী টানেল নির্মাণ কাজ ১০০ হাজার কোটি টাকার উন্নয়ন কাজ চলছে কক্সবাজারে ২৫ মেগা প্রকল্পে পাল্টে যাচ্ছে কক্সবাজার উন্নয়নে শীর্ষে কক্সবাজার
২০

পাঁচ বছরের মধ্যে ২ লক্ষ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে হাইস্পিড ব্রডব্যান্ড

প্রকাশিত: ৭ নভেম্বর ২০২০  

তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক বলেছেন আগামী ৩ থেকে ৫ বছরের মধ্যে  দেশের ২ লক্ষ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান হাইস্পিড ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট কানেকটিভিটির আওতায় আসবে। বৃহস্পতিবার( ৫ নভেম্বর) সেভ দ্য চিলড্রেন বাংলাদেশ এর উদ্যোগে  "টেল মাই লিডার: গ্লোবাল চাইল্ড লিড ডিজিটাল হ্যাংআউট" শীর্ষক এক আন্তর্জাতিক ওয়েবিনারে যুক্ত হয়ে এ কথা বলেন প্রতিমন্ত্রী।

এ সময় তিনি বলেন, বর্তমানে গ্রাম পর্যন্ত ফাইবার অপটিক্যাল ক্যাবল কানেক্টিভিটি পৌঁছে গেছে। কোভিড ১৯ সময়ে শিক্ষাকার্যক্রম অব্যাহত রাখতে ৭০ শতাংশ শিক্ষার্থীই অনলাইনে শিক্ষা নিচ্ছে। বাকি ৩০ শতাংশকেও দূরশিক্ষণের আওতায় আনতে ৩৬০ ডিগ্রি অ্যাপ্রোচে কাজ করছে সরকার। এজন্য জাতীয় সংসদ টেলিভিশন চ্যানেল এবং রেডিও এর পাশাপাশি ইন্টারনেট বা স্মার্টফোন না থাকলেও তাদের জন্য ৩৩৩ টোল ফ্রি নম্বরে কল করে শিক্ষকের পরামর্শ নেয়ার মতো উদ্ভাবনী সেবা চালু করা হয়েছে। শিক্ষার্থীদের আইটি বিষয়ে দক্ষ করতে সরকার প্রাথমিক ও মাধ্যমিক পর্যায়ে ‘ডিজিটাল কম্পিউটার ল্যাবস’ স্থাপন করছে।

তিনি আরো বলেন, ১৬ কোটি মানুষের এই দেশে এখন ১১ কোটি ইন্টারনেট ব্যবহার করছেন। শতভাগ মোবাইল পেনিট্রেশন অর্জন সম্ভব হয়েছে। তাই সুবিধাবঞ্চিত কিংবা অসচ্ছল শিক্ষার্থীদের শিক্ষা কার্যক্রম চালিয়ে নিতে খুব একটা বেগ পেতে হবে না। 

প্রতিমন্ত্রী জানান, কোভিড হানার শুরুতেই আইসিটি বিভাগ মহামারিতেও কীভাবে জীবনকে সচল রাখা যায় সে জন্য সকলের অংশগ্রহণ মূলক পরিকল্পনা গ্রহণ করে। গৃহীত ৫টি উদ্যোগের মধ্যে সবার ওপরে ছিলো শিক্ষা।

প্রতিভা তুলাধরের সঞ্চালনায় হ্যাংআউটে আরো বক্তব্য দেন উগান্ডার ফার্স্ট লেডি এবং শিক্ষা ও ক্রীড়া মন্ত্রী জ্যানেট কাতাহা মুসেভেনি, দক্ষিণ সুদানের জাতীয় সাধারণ শিক্ষা ও শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের উপমন্ত্রী মার্টিন টাকো মই, কম্বোডিয়ার শিক্ষা, যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের ডেপুটি জেনারেল চৌন রামি এবং নেপালের শিক্ষা, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের সচিব গোপী নাথ মৈনালি। ছয় দেশের শিশুদের অংশগ্রহণে অনুষ্ঠিত এই হ্যাংআউটে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করেন ঐক্য ও রাফসান।

কক্সবাজার বার্তা
কক্সবাজার বার্তা
এই বিভাগের আরো খবর