শনিবার   ১৬ জানুয়ারি ২০২১   মাঘ ৩ ১৪২৭   ০২ জমাদিউস সানি ১৪৪২

কক্সবাজার বার্তা
সর্বশেষ:
৭২ হাজার ৭৫০ কোটি টাকার প্রণোদনা প্যাকেজ ঘোষণা ‘২০৪১ সালে মাথাপিছু আয় দাঁড়াবে সাড়ে ১২ হাজার ডলার’ রোহিঙ্গা ইস্যুতে প্রধানমন্ত্রীর প্রশংসা করে অ্যাঞ্জেলিনার চিঠি ডিসেম্বরে নির্মাণ শুরু হবে দেশের প্রথম পাতাল মেট্রো রুট গোলদিঘির পাড়ে নির্মিত হচ্ছে আধুনিকমানের মারকাজ মসজিদ ২০২২ সালের মধ্যে ট্রেন চলবে কক্সবাজারে কক্সবাজারের উন্নয়নে উদ্যোগ নিলো জাতিসংঘ দ্বিতীয় পারমানবিক বিদ্যুৎ প্রকল্প মহেশখালী-কুতুবদিয়ায়! এগিয়ে চলছে স্বপ্নের কর্ণফুলী টানেল নির্মাণ কাজ ১০০ হাজার কোটি টাকার উন্নয়ন কাজ চলছে কক্সবাজারে ২৫ মেগা প্রকল্পে পাল্টে যাচ্ছে কক্সবাজার উন্নয়নে শীর্ষে কক্সবাজার
১০৮

শান্তি চুক্তির ২৩ বছর।

পার্বত্যাঞ্চলে সংঘর্ষের অবসান হয়েছিল

প্রকাশিত: ২ ডিসেম্বর ২০২০  

বাংলাদেশে পার্বত্য চুক্তির ২৩ বছর পার হলেও তিন পার্বত্য জেলায় সংঘাত, অস্থিরতা বেড়েই চলেছে বলে সংশ্লিষ্ট সব পক্ষ স্বীকার করেছেন।

এই চুক্তির বাস্তবায়ন নিয়েই বিতর্ক এখনও থামছে না।

চুক্তি স্বাক্ষরকারী পাহাড়ীদের একটি সংগঠন জনসংহতি সমিতি অভিযোগ করছে, চুক্তি বাস্তবায়ন না হওয়ায় বিভিন্ন গোষ্ঠী নানান উদ্দেশ্য নিয়ে সক্রিয় থাকার সুযোগ পাচ্ছে এবং সেকারণে সেখানে অস্থিরতা বাড়ছে।

পার্বত্য অঞ্চলে নাগরিক অধিকার নিয়ে আন্দোলনকারীদের অনেকে বলছেন, চাঁদাবাজি এবং অধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করেই আঞ্চলিক দল এবং গোষ্ঠীগুলো বিভক্ত হয়ে পড়ছে এবং সংঘাত হচ্ছে।

১৯৯৭ সালের ২রা ডিসেম্বর শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন আওয়ামী লীগ সরকারের সাথে সন্তু লারমার নেতৃত্বাধীন জন সংহতি সমিতির মধ্যে এই শান্তি চুক্তিটি হয়েছিল।

এই চুক্তির মাধ্যমে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের অবসান হয়েছিল। পাহাড়ে তার একটা ইতিবাচক প্রভাবও পড়তে শুরু করেছিল। কিন্তু অল্প সময়ের মধ্যেই সেই চুক্তি বাস্তবায়ন নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করে। গত ২২ বছরে এসব প্রশ্ন আর অভিযোগের পাল্লা ভারি হয়েছে।

পার্বত্য তিন জেলায় জমির মালিকানা নিয়ে সমস্যাকে পাহাড়িদের পক্ষ থেকে সবচেয়ে বড় সমস্যা হিসেবে দেখা হয়, এর সমাধানে সরকারের সদিচ্ছা নিয়ে পাহাড়িদের সংগঠনগুলোর প্রশ্ন রয়েছে।

রাঙামাটি থেকে একজন মানবাধিকার কর্মী টুকু তালুকদার বলছেন, বিভিন্ন গোষ্ঠীর অনেক রকম স্বার্থ তৈরি হয়েছে, সেজন্য সংকট বেড়েই চলেছে।

তিনি বলেন,"আওয়ামী লীগ সরকারের সাথে চুক্তি হওয়ার পর সরকার তার বাস্তবায়ন শুরু করেছিল। তার পর বিএনপি সরকার আসলো। তখন সেই চুক্তি বাস্তবায়ন প্রক্রিয়া একটা বিরতিতে পড়লো। তখন এখানে বিভিন্ন ইন্টারেস্ট গ্রুপ ঢুকে যায়।"

"ইন্টারেস্ট গ্রুপ যখন ঢুকে যায়, তখন চুক্তিবিরোধীরা অনেক ইস্যু নিয়ে পরিস্থিতি ঘোলাটে করে। আবার আওয়ামী লীগ যখন ক্ষমতায় আসে, তখন প্রেক্ষাপট বদলে গেছে। কারণ ইন্টারেস্ট গ্রুপ বেড়ে গেছে। এখানে বিষয় জিইয়ে রাখা এবং অনেক ইন্টারেস্ট গ্রুপের কারণে বিষয়টা ঘোলাটে হয়ে গেছে," বলেন তিনি।

কক্সবাজার বার্তা
কক্সবাজার বার্তা
এই বিভাগের আরো খবর