বৃহস্পতিবার   ২৯ অক্টোবর ২০২০   কার্তিক ১৩ ১৪২৭   ১২ রবিউল আউয়াল ১৪৪২

কক্সবাজার বার্তা
সর্বশেষ:
৭২ হাজার ৭৫০ কোটি টাকার প্রণোদনা প্যাকেজ ঘোষণা ‘২০৪১ সালে মাথাপিছু আয় দাঁড়াবে সাড়ে ১২ হাজার ডলার’ রোহিঙ্গা ইস্যুতে প্রধানমন্ত্রীর প্রশংসা করে অ্যাঞ্জেলিনার চিঠি ডিসেম্বরে নির্মাণ শুরু হবে দেশের প্রথম পাতাল মেট্রো রুট গোলদিঘির পাড়ে নির্মিত হচ্ছে আধুনিকমানের মারকাজ মসজিদ ২০২২ সালের মধ্যে ট্রেন চলবে কক্সবাজারে কক্সবাজারের উন্নয়নে উদ্যোগ নিলো জাতিসংঘ দ্বিতীয় পারমানবিক বিদ্যুৎ প্রকল্প মহেশখালী-কুতুবদিয়ায়! এগিয়ে চলছে স্বপ্নের কর্ণফুলী টানেল নির্মাণ কাজ ১০০ হাজার কোটি টাকার উন্নয়ন কাজ চলছে কক্সবাজারে ২৫ মেগা প্রকল্পে পাল্টে যাচ্ছে কক্সবাজার উন্নয়নে শীর্ষে কক্সবাজার
৫১

‘প্রতিটি ঘরে খাবার পৌঁছে দিতে সরকার বদ্ধপরিকর’- প্রধানমন্ত্রী

প্রকাশিত: ১৭ অক্টোবর ২০২০  

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, আমরা ক্ষমতায় এসে খাদ্য সংকটের দেশকে খাদ্য উদ্বৃত্তের দেশে পরিণত করেছি। খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করে প্রতিটি ঘরে খাবার পৌঁছে দিতে সরকার বদ্ধপরিকর।

বিশ্ব খাদ্য দিবস-২০২০ উপলক্ষ্যে শুক্রবার হোটেল সোনারগাঁওয়ে কৃষি মন্ত্রণালয় আয়োজিত এক আন্তর্জাতিক সেমিনারের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সিংয়ের মাধ্যমে যুক্ত হয়ে তিনি এই কথা বলেন।

বাংলাদেশের মানুষ অত্যন্ত সাহসী এবং তারা যেকোনো পরিস্থিতি মোকাবেলা করার মত ক্ষমতা রাখে মন্তব্য করে তিনি বলেন, “আমরা এই করোনার সাথে সাথে ঝড়, বন্যা…সবই মোকাবেলা করে যাচ্ছি। কাজেই এভাবে আমাদের বাঁচতে হবে প্রকৃতির সাথে।

“কিন্তু আমরা…খাদ্য নিরাপত্তাটা যাতে নিশ্চিত থাকে, প্রতিটি মানুষের ঘরে যেন খাবার পৌঁছায়…হতদরিদ্র যারা আমরা তাদের মাঝে বিনা পয়সায় খাবার দিয়ে যাচ্ছি এবং এটা অব্যাহত রাখব সব সময়। একটি মানুষও না খেয়ে কষ্ট পাবে না, একটি মানুষও গৃহহীন থাকবে না। প্রত্যেকটা মানুষ চিকিৎসা সেবা পাবে, তাদের দোরগোড়ায় আমরা চিকিৎসা সেবা পৌঁছে দিচ্ছি এবং কোনো মানুষ পুষ্টিহীনতায় ভুগবে না।”

সরকারের সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির আওতায় মানুষকে সহায়তা দেওয়ার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, “যেন খাদ্যের সাথে সাথে পুষ্টির নিশ্চয়তা হয়, মানুষ যেন সুস্বাস্থ্যের অধিকারী হয়, সেটাই আমাদের লক্ষ্য।”

শেখ হাসিনা বলেন, “একটা ভূ-খন্ডের দিক থেকে বাংলাদেশ আসলে খুবই ছোট, মাত্র ১৪৭ বর্গকিলোমিটার আমাদের ভূমি। কিন্তু আজ আমাদের মানুষের সংখ্যা হচ্ছে প্রায় ১৬৫ মিলিয়ন অর্থাৎ প্রায় ১৭ কোটির কাছাকাছি। এই মানুষের খাদ্য নিরাপত্তা দেওয়াটা সব থেকে বেশি গুরুত্বপূর্ণ। আর সেদিকে লক্ষ্য রেখে জাতির পিতার পদাঙ্ক অনুসরণ করেই আমরা বিভিন্ন কর্মসূচি হাতে নিয়েছি এবং তা বাস্তবায়ন করে যাচ্ছি।”

তিনি জানান, ১৯৯৬ সালে যখন আওয়ামী লীগ সরকার গঠন করে তখন ৪০ লাখ মেট্রিক টন খাদ্য ঘাটতির দেশ ছিল বাংলাদেশ। এরপর খাদ্য উৎপাদন বাড়িয়ে ২০০১ সালে যখন আওয়ামী লীগ সরকার পাঁচ বছর পূর্ণ করে তখন ২৬ লাখ মেট্রিক টন খাদ্য উদ্বৃত্ত ছিল।

কৃষি ও কৃষকের উন্নয়নে জাতির পিতার নেওয়া বিভিন্ন পদক্ষেপ তুলে ধরার পাশপাশি কৃষকদের উন্নয়নে আওয়ামী লীগ সরকারের বিভিন্ন উদ্যোগের কথা তুলে ধরেন সরকার প্রধান।

“১৯৭৫ সালে জাতির পিতাকে হত্যার পর বাংলাদেশ এগুতে পারেনি। কারণ ১৯৭৫ এ যারা সরকার গঠন করেছিল মিলেটারি ডিক্টেটররা, তাদের একটা লক্ষ্য ছিল যে, বাংলাদেশ পরনির্ভরশীল হয়ে থাক। সেটাই তারা চেয়েছিল। ১৯৯৬ সালে ২১ বছর পর ক্ষমতায় আসার পর আওয়ামী লীগ সরকার বিভিন্ন পদক্ষেপ নেয়।”

করোনাভাইরাস মহামারীর মধ্যে দেশের অর্থনীতিকে গতিশীল রাখতে সরকারের নেওয়া বিভিন্ন উদ্যোগের কথা তুলে ধরেন শেখ হাসিনা।

অনুষ্ঠানে ফুড অ্যান্ড এগ্রিকালচার অর্গানাইজেশনের নেশনের মহাপরিচালক কু ডংইয়ু ভিডিও বার্তায় বক্তব্য দেন।

এই সময় গণভবন প্রান্তে প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব আহমদ কায়কাউস, প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব ইহসানুল করিমসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

এছাড়া প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁও হোটেল প্রান্তে কৃষি মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সদস্য মতিয়া চৌধুরী, কৃষিমন্ত্রী আব্দুর রাজ্জাক, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম, খাদ্যমন্ত্রী সাধন চন্দ্র মজুমদার উপস্থিত ছিলেন।

কক্সবাজার বার্তা
কক্সবাজার বার্তা
এই বিভাগের আরো খবর