বুধবার   ০৩ মার্চ ২০২১   ফাল্গুন ১৯ ১৪২৭   ১৯ রজব ১৪৪২

কক্সবাজার বার্তা
সর্বশেষ:
৭২ হাজার ৭৫০ কোটি টাকার প্রণোদনা প্যাকেজ ঘোষণা ‘২০৪১ সালে মাথাপিছু আয় দাঁড়াবে সাড়ে ১২ হাজার ডলার’ রোহিঙ্গা ইস্যুতে প্রধানমন্ত্রীর প্রশংসা করে অ্যাঞ্জেলিনার চিঠি ডিসেম্বরে নির্মাণ শুরু হবে দেশের প্রথম পাতাল মেট্রো রুট গোলদিঘির পাড়ে নির্মিত হচ্ছে আধুনিকমানের মারকাজ মসজিদ ২০২২ সালের মধ্যে ট্রেন চলবে কক্সবাজারে কক্সবাজারের উন্নয়নে উদ্যোগ নিলো জাতিসংঘ দ্বিতীয় পারমানবিক বিদ্যুৎ প্রকল্প মহেশখালী-কুতুবদিয়ায়! এগিয়ে চলছে স্বপ্নের কর্ণফুলী টানেল নির্মাণ কাজ ১০০ হাজার কোটি টাকার উন্নয়ন কাজ চলছে কক্সবাজারে ২৫ মেগা প্রকল্পে পাল্টে যাচ্ছে কক্সবাজার উন্নয়নে শীর্ষে কক্সবাজার
১৪৪

প্রতিবন্ধী ও অচ্ছ্বল নারীদের মাঝে সুরক্ষা সামগ্রী বিতরণ

প্রকাশিত: ২৮ জানুয়ারি ২০২১  

করোনা সংক্রমণে স্বাস্থ্য ঝুঁকিতে থাকা কক্সবাজারের চকরিয়া উপজেলার প্রত্যন্ত জনপদের ৮০টি পরিবারের প্রতিবন্ধী এবং অচ্ছ্বল নারীদের মাঝে সুরক্ষা সামগ্রী বিতরণ করেছেন এসএআরপিভির পিএইচআরপিবিডি প্রকল্প।

মঙ্গলবার বিকাল ৫ টায় চকরিয়া উপজেলা প্রশাসনের সহযোগিতায় ভরামুহুরীস্থ এসএআরপিভি’ কার্যালয়ে ইউনিসেফ এর অর্থায়নে দেয়া এসব করোনা সুরক্ষা সামগ্রী উপকারভোগী নারীদের মাঝে বিতরণ করা হয়।

পিএইচআরপিবিডি প্রকল্পের স্থানীয় প্রজেক্ট কর্মকর্তা ইয়াছমিন সুলতানার সঞ্চালনায় বিতরণ অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন এসএআরপিভি’র আঞ্চলিক পরিচালক কাজী মাকসুদুল আলম মুহিত। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসাবে থেকে সুরক্ষা সামগ্রী বিতরণ করেন চকরিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সৈয়দ শামশুল তাবরীজ।

এতে বিশেষ অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন চকরিয়া প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক সাংবাদিক জহিরুল ইসলাম। প্রতিজন মহিলাকে এক বালতি করে এই করোনা সুরক্ষা সামগ্রী দেওয়া হয়েছে। প্রতিটি বালতির ভেতরে রয়েছে ২৪ টি সাবান, চারটি পেন্টি, নেপকিন তিন প্যাকেট, ওড়না একটি, টচ লাইট একটি, একজোড়া সেন্ডেল ও একটি হ্যান্ড স্যানিটেইজার।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি চকরিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সৈয়দ সামসুল তাবরীজ বলেছেন, বৈশি^ক মহামারি করোনা যে কোন পরিস্থিতিতে সবাইকে আক্রমন করতে পারে। সেটি বাড়িতে হোক বা জনবহুল স্পটে হোক। তাই করোনার অনভিপ্রেত ঝুঁিক মোকাবেলায় সবাইকে সজাগ ও সচেতন থাকতে হবে।

তিনি উদাহারণ দিয়ে বলেন, একটি বাড়িতে গৃহকর্ত্রী তথা একজন নারী সুরক্ষিত থাকা মানে পুরো পরিবারের সুরক্ষা নিশ্চিত হওয়া। কারণ প্রতিটি পরিবারের গৃহকর্ত্রী ওই নারী প্রতিদিনই স্বামী-সন্তানদের খাওয়া-ধাওয়া থেকে শুরু করে সবকাজে সহায়তা করে থাকেন। কাজেই ওই নারী সুরক্ষিত থাকলে নিশ্চিত করতে বলা যায় পরিবারটির সবাই করোনা সংক্রমণ থেকে রক্ষা পাবে। এই বিষয়টি সবাইকে জানতে হবে এবং সেইভাবে চলতে হবে।

অনুষ্ঠানে তিনি প্রতিবন্ধী ও অচ্ছ্বল পরিবারের নারীদের মাঝে করোনা সংক্রমণ মোকাবেলায় সুরক্ষা সামগ্রী দেওয়ায় ইউনিসেফ এসএআরপিভির পিএইচআরপিবিডি প্রকল্পের সংশ্লিষ্ট সবাইকে ধন্যবাদ জানান।

কক্সবাজার বার্তা
কক্সবাজার বার্তা
এই বিভাগের আরো খবর