মঙ্গলবার   ১১ আগস্ট ২০২০   শ্রাবণ ২৬ ১৪২৭   ২১ জ্বিলহজ্জ ১৪৪১

কক্সবাজার বার্তা
সর্বশেষ:
৭২ হাজার ৭৫০ কোটি টাকার প্রণোদনা প্যাকেজ ঘোষণা ‘২০৪১ সালে মাথাপিছু আয় দাঁড়াবে সাড়ে ১২ হাজার ডলার’ রোহিঙ্গা ইস্যুতে প্রধানমন্ত্রীর প্রশংসা করে অ্যাঞ্জেলিনার চিঠি ডিসেম্বরে নির্মাণ শুরু হবে দেশের প্রথম পাতাল মেট্রো রুট গোলদিঘির পাড়ে নির্মিত হচ্ছে আধুনিকমানের মারকাজ মসজিদ ২০২২ সালের মধ্যে ট্রেন চলবে কক্সবাজারে কক্সবাজারের উন্নয়নে উদ্যোগ নিলো জাতিসংঘ দ্বিতীয় পারমানবিক বিদ্যুৎ প্রকল্প মহেশখালী-কুতুবদিয়ায়! এগিয়ে চলছে স্বপ্নের কর্ণফুলী টানেল নির্মাণ কাজ ১০০ হাজার কোটি টাকার উন্নয়ন কাজ চলছে কক্সবাজারে ২৫ মেগা প্রকল্পে পাল্টে যাচ্ছে কক্সবাজার উন্নয়নে শীর্ষে কক্সবাজার
৭৩

বঙ্গবন্ধু পরিবারের মানবিকতা, মহানুভবতা

প্রকাশিত: ৩০ জুলাই ২০২০  

সিলেটের বিশ্বনাথ উপজেলার রামপাশা ইউনিয়নের জামশেদপুর, ধলীপাড়া, মাখরগাঁও ও আমতৈল মিলে বৃহত্তর আমতৈল গ্রাম নামে পরিচিত। বৃহৎ এই গ্রামে প্রতিবন্ধিত্বের হার সিলেটের সামগ্রিক হারের তুলনায় দ্বিগুণেরও বেশি। বোন শেখ রেহানা এ খবরটি নজরে আনেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার। এরপর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বিষয়টি তৎক্ষণাৎ আমলে নিয়ে তাদের জন্য ঈদ উপহার পাঠান।

রামপাশা ইউনিয়নের সাড়ে চার শতাধিক প্রতিবন্ধী ব্যক্তিকে ঈদের উপহার পাঠিয়ে দিয়েছেন মহানুভব প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এলাকার ৪৬১ জন প্রতিবন্ধী ব্যক্তির জনপ্রতি দুই হাজার ৫০০ টাকা এবং প্রতি পরিবারের জন্য একটি লুঙ্গি ও একটি শাড়ি বরাদ্দের জন্য ১৬ লাখ ১৩ হাজার ৫০০ টাকা প্রদান করেন। প্রধানমন্ত্রীর মিডিয়া উইংয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

উপহার পাঠানো ছাড়াও প্রধানমন্ত্রী প্রতিবন্ধী শিশুদের সুস্থতা এবং ভবিষ্যতে সুস্থ প্রজন্ম নিশ্চিত করতে বেশ কিছু নির্দেশনা দেন। প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনাগুলো হলো—
১. গ্রামের সব প্রতিবন্ধী ব্যক্তির সমস্যা যথাযথভাবে চিহ্নিত করে বিশেষ প্রতিবন্ধী ভাতার আওতায় আনতে হবে।
২. সবাইকে স্বাস্থ্য সুরক্ষা ও পরিবার পরিকল্পনা বিষয়ে সচেতনতা বৃদ্ধি করতে বাড়ি বাড়ি গিয়ে কাউন্সেলিং করা।
৩. নিজ বাসস্থানসহ আশপাশের পরিবেশ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখার বিষয়ে সচেতনতা বৃদ্ধি করা।
৪. খাদ্যের সব পুষ্টিমান নিশ্চিত করতে ভিটামিন সাপ্লিমেন্টারি ওষুধ সরবরাহ এবং সুপেয় পানির সুব্যবস্থা করা।
৫. গ্রামে প্রয়োজনীয় মাটি ভরাট, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, ড্রেনেজ সিস্টেম চালু এবং অন্যান্য অবকাঠামোগত উন্নয়ন করতে হবে।
৬. প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের চাহিদা মোতাবেক বহুমাত্রিক শিক্ষা প্রদানের ব্যবস্থা করে বিশেষ স্কুল স্থাপন ও প্রয়োজনীয় লোকবল নিয়োগ করা।
৭. চাহিদামাফিক প্রয়োজনীয় সহায়ক উপকরণ, যেমন- হুইলচেয়ার, ট্রাইসাইকেল, হেয়ারিং ডিভাইস ও দৃষ্টি সহায়ক উপকরণ সরবরাহ করতে হবে।

কক্সবাজার বার্তা
কক্সবাজার বার্তা
এই বিভাগের আরো খবর