শনিবার   ০৮ আগস্ট ২০২০   শ্রাবণ ২৩ ১৪২৭   ১৮ জ্বিলহজ্জ ১৪৪১

কক্সবাজার বার্তা
সর্বশেষ:
৭২ হাজার ৭৫০ কোটি টাকার প্রণোদনা প্যাকেজ ঘোষণা ‘২০৪১ সালে মাথাপিছু আয় দাঁড়াবে সাড়ে ১২ হাজার ডলার’ রোহিঙ্গা ইস্যুতে প্রধানমন্ত্রীর প্রশংসা করে অ্যাঞ্জেলিনার চিঠি ডিসেম্বরে নির্মাণ শুরু হবে দেশের প্রথম পাতাল মেট্রো রুট গোলদিঘির পাড়ে নির্মিত হচ্ছে আধুনিকমানের মারকাজ মসজিদ ২০২২ সালের মধ্যে ট্রেন চলবে কক্সবাজারে কক্সবাজারের উন্নয়নে উদ্যোগ নিলো জাতিসংঘ দ্বিতীয় পারমানবিক বিদ্যুৎ প্রকল্প মহেশখালী-কুতুবদিয়ায়! এগিয়ে চলছে স্বপ্নের কর্ণফুলী টানেল নির্মাণ কাজ ১০০ হাজার কোটি টাকার উন্নয়ন কাজ চলছে কক্সবাজারে ২৫ মেগা প্রকল্পে পাল্টে যাচ্ছে কক্সবাজার উন্নয়নে শীর্ষে কক্সবাজার
৮৩

বন্যার্তদের তিন বেলা খাবারের ব্যবস্থা করেছেন প্রধানমন্ত্রী: পলক

প্রকাশিত: ২৬ জুলাই ২০২০  

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ব্যবস্থাপনায় বন্যার্তদের কেউ না খেয়ে থাকবে না বলে আশ্বস্ত করেছেন তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি-বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী অ্যাডভোকেট জুনাইদ আহমেদ পলক। তিনি বলেন, ‘অবস্থানগত কারণে প্রতি বছর বন্যায় প্রতিকূল অবস্থার মোকাবিলা করতে হয় নাটোরের হালতিবিল ও চলনবিলবাসীকে। কিন্তু এ কথা সবাই জানেন যে, দেশে যখনই কোনও দুর্যোগ আসে, তখনই প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আমাদের সার্বিকভাবে সহযোগিতা করেন। এরই ধারাবাহিকতায় এবারের বন্যায়ও তিনি সার্বিক সহযোগিতা করছেন। প্রধানমন্ত্রী বন্যার্তদের তিন বেলা খাবারের ব্যবস্থা করেছেন।’

শুক্রবার (২৪ জুলাই) সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত নাটোরের সিংড়া উপজেলার লালোড় ইউনিয়নের বিভিন্ন গ্রামে পানিবন্দি মানুষের দুর্দশা পরিদর্শন শেষে ত্রাণ বিতরণের আগে এসব কথা বলেন তিনি।

পলক বলেন, ‘শেখ হাসিনার নির্দেশে প্রতিটি বন্যার্ত পরিবারকে পর্যাপ্ত ত্রাণ দেওয়া হচ্ছে। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারকে বন্যা পরবর্তী সময়ে পুনর্বাসন এবং ঘরবাড়ি পুননির্মাণ করার জন্যও প্রধানমন্ত্রী প্রস্তুত রয়েছেন।’

প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘দেশব্যাপী করোনা সংক্রমণে কর্মহীন সাধারণ মানুষ যখন দিশেহারা, ঠিক সেই মুহূর্তে বন্যায় মানুষের দুর্ভোগ চরমে। সিংড়া উপজেলার ১২টির মধ্যে ইতোমধ্যে  ৮টি ইউনিয়ন এবং পৌরসভার লক্ষাধিক মানুষ বন্যাকবলিত। দুর্দশাগ্রস্ত ও পানিবন্দি মানুষের আশ্রয় কেন্দ্রে নিয়ে আসতে ও তাদের কাছে খাদ্যসামগ্রী পৌঁছে দিতে স্থানীয় আওয়ামী লীগ, ছাত্রলীগসহ সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ নিরলস কাজ করে যাচ্ছেন। শুধু তাই নয়, বন্যার কারণে উপজেলার যেখানেই কোনও সমস্যার কথা জানা যাচ্ছে, সঙ্গে সঙ্গে সেই ব্যাপারে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।’

তিনি বলেন, ‘বন্যার পানির স্রোতের টানে উপজেলার বিলহালতি ত্রিমোহনী কলেজের সামনের রাস্তা ভেঙে যাতায়াত বন্ধ হওয়ার উপক্রম হয়েছিল। বিষয়টি জানার সঙ্গে সঙ্গে  সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টায় তা রক্ষা করা সম্ভব হয়েছে।’

এ সময় প্রতিমন্ত্রী পলক বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত ত্রিমোহনী, ডাঙ্গাপাড়া, বড়বারইহাটি ও ডাকমণ্ডব এলাকার বন্যার্ত ৫শ’ পরিবারকে ত্রাণ দেন। এছাড়া পানিবন্দি পরিবারের চলাচলের জন্য ১৩টি নৌকা হস্তান্তর করেন। এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন জেলা প্রশাসক শাহরিয়াজ, পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী আবু রায়হান, লালোর ইউপি চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম প্রমুখ।

কক্সবাজার বার্তা
কক্সবাজার বার্তা
এই বিভাগের আরো খবর