সোমবার   ২৬ অক্টোবর ২০২০   কার্তিক ১১ ১৪২৭   ০৯ রবিউল আউয়াল ১৪৪২

কক্সবাজার বার্তা
সর্বশেষ:
৭২ হাজার ৭৫০ কোটি টাকার প্রণোদনা প্যাকেজ ঘোষণা ‘২০৪১ সালে মাথাপিছু আয় দাঁড়াবে সাড়ে ১২ হাজার ডলার’ রোহিঙ্গা ইস্যুতে প্রধানমন্ত্রীর প্রশংসা করে অ্যাঞ্জেলিনার চিঠি ডিসেম্বরে নির্মাণ শুরু হবে দেশের প্রথম পাতাল মেট্রো রুট গোলদিঘির পাড়ে নির্মিত হচ্ছে আধুনিকমানের মারকাজ মসজিদ ২০২২ সালের মধ্যে ট্রেন চলবে কক্সবাজারে কক্সবাজারের উন্নয়নে উদ্যোগ নিলো জাতিসংঘ দ্বিতীয় পারমানবিক বিদ্যুৎ প্রকল্প মহেশখালী-কুতুবদিয়ায়! এগিয়ে চলছে স্বপ্নের কর্ণফুলী টানেল নির্মাণ কাজ ১০০ হাজার কোটি টাকার উন্নয়ন কাজ চলছে কক্সবাজারে ২৫ মেগা প্রকল্পে পাল্টে যাচ্ছে কক্সবাজার উন্নয়নে শীর্ষে কক্সবাজার
১২১

বৈরী আবহাওয়া উপেক্ষা করে কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতে পর্যটকদের ঢল

প্রকাশিত: ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২০  

সাগরে সৃষ্টি হওয়া লঘুচাপের প্রভাবে প্রায় সারাদেশে কমবেশি বৃষ্টি হচ্ছে। তবে কক্সবাজারে গত দুইদিন ধরে মাঝারি এবং ভারী বৃষ্টিপাত অব্যাহত রয়েছে। কিন্তু এসব কিছুই বাঁধা হতে পারেনি পর্যটকদের কাছে। সৈকতের প্রায় প্রতিটি পয়েন্টে পর্যটকদের উপচে পড়া ভিড় দেখা গেছে। এক্ষেত্রে সৈকতের সুগন্ধা পয়েন্ট বরাবরের মতই ব্যতিক্রম। অন্যান্য পয়েন্টের ছেয়ে এখানে সবচেয়ে বেশী পর্যটকের দেখা মেলে।

সুগন্ধা পয়েন্ট মূলত কলাতলির মাঝামাঝি যায়গায় অবস্থিত। এর আশেপাশে ভালমানের কম মূল্যের অনেক হোটেল মোটেল গড়ে উঠেছে। মাঝারি মানের অনেক ভাল খাবার হোটেল পর্যটকদের চাহিদা পূরণে সক্ষমতা অর্জন করেছে। ফলে পর্যটকদের পছন্দের তালিকায় প্রথমে থাকে সুগন্ধা পয়েন্টের আশেপাশে ভাল কোন আবাসিক হোটেল।

পাশাপাশি সুগন্ধা পয়েন্টে নামার চারপাশে গড়ে উঠেছে ফীস ফ্রাই, শুটকির দোকান, ফার্মেসীসহ নানা প্রকার মুখরোচক খাবারের দোকানপাঠ। তাছাড়া বীচে নামলেই চোখে পড়বে বিশাল ইউ আকারের ঝিনুক মার্কেট। যেখানে পর্যটকরা তাদের ভ্রমণের অধিকাংশ সময় ব্যয় করে। মূলত সুগন্ধা পয়েন্টটি পর্যটকদের সমস্ত চাহিদা পূরণে সক্ষম তাই এখানে অন্যান্য পয়েন্টের ছেয়ে বেশী সংখ্যক পর্যটক ভিড় করে বলে জানিয়েছেন পর্যটকরা।

ফারহান এবং তামান্না প্রেমিক যুগল তাদের প্রেমের বর্ষপূর্তি পালনে কক্সবাজারে বেড়াতে এসেছে। কথা হয় এ প্রতিবেদকের সাথে। তারা জানায়, তাদের প্রেমের ১ম বর্ষকে স্মরণীয় করে রাখতে প্রথমবারের মত কক্সবাজারে এসেছে। সারাদিন বৃষ্টি থাকায় হোটেলে অবস্থান করছে। হোটেলের জানালা দিয়ে বৃষ্টিস্নাত কক্সবাজারের প্রকৃতি উপভোগ করছে। দুপুর নাগাদ বৃষ্টি থামায় তারা সৈকতে নেমে পড়েছেন।

তারা আরও জানায়, সাগর আমাদের বলিদান দিতে শিখিয়েছে। উজার করে ভালবাসতে শিখিয়েছে। খুব শীগ্রই তারা বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হওয়ার প্রতিশ্রুতি বিনিময় করেছেন বলে এ প্রতিবেদকে জানিয়েছে। ফারহান এবং তামান্না প্রেমিক যুগলের জন্য শুভকামনা।

এদিকে এ বিশাল সংখ্যক পর্যটকদের নিরাপত্তায় কাজ করছে কক্সবাজার টুরিস্ট পুলিশ। কক্সবাজার টুরিস্ট পুলিশের ওসি শাকের আহমেদ জানায়, পর্যটকদের নিরাপত্তায় অর্ধ-শতাধিক টুরিস্ট পুলিশের সদস্য কাজ করছে। তারা সতর্ক অবস্থানে রয়েছে বলে ও জানিয়েছেন তিনি।

কক্সবাজার বার্তা
কক্সবাজার বার্তা
এই বিভাগের আরো খবর