মঙ্গলবার   ১৪ জুলাই ২০২০   আষাঢ় ৩০ ১৪২৭   ২৩ জ্বিলকদ ১৪৪১

কক্সবাজার বার্তা
সর্বশেষ:
৭২ হাজার ৭৫০ কোটি টাকার প্রণোদনা প্যাকেজ ঘোষণা ‘২০৪১ সালে মাথাপিছু আয় দাঁড়াবে সাড়ে ১২ হাজার ডলার’ রোহিঙ্গা ইস্যুতে প্রধানমন্ত্রীর প্রশংসা করে অ্যাঞ্জেলিনার চিঠি ডিসেম্বরে নির্মাণ শুরু হবে দেশের প্রথম পাতাল মেট্রো রুট গোলদিঘির পাড়ে নির্মিত হচ্ছে আধুনিকমানের মারকাজ মসজিদ ২০২২ সালের মধ্যে ট্রেন চলবে কক্সবাজারে কক্সবাজারের উন্নয়নে উদ্যোগ নিলো জাতিসংঘ দ্বিতীয় পারমানবিক বিদ্যুৎ প্রকল্প মহেশখালী-কুতুবদিয়ায়! এগিয়ে চলছে স্বপ্নের কর্ণফুলী টানেল নির্মাণ কাজ ১০০ হাজার কোটি টাকার উন্নয়ন কাজ চলছে কক্সবাজারে ২৫ মেগা প্রকল্পে পাল্টে যাচ্ছে কক্সবাজার উন্নয়নে শীর্ষে কক্সবাজার
১১৭

মহেশখালীতে সুফল প্রকল্পের অধীনে দেশের বিলুপ্তপ্রায় বেতের চাষ

প্রকাশিত: ২৮ জুন ২০২০  

চট্টগ্রাম উপকূলীয় বন বিভাগের আওতাধীন মহেশখালী রেঞ্জে নিয়মিত চলছে সুফল প্রকল্প আওতায় বাগান তৈরির কাজ।

২০১৯ সালের ডিসেম্বর মাসে শুরু হয় ৫ বছর ব্যাপী ‘সাসটেইনেবল ফরেস্ট অ্যান্ড লাইভলিহুড  (সুফল) প্রজেক্ট’। এরই ধারাবাহিকতায় চট্টগ্রাম উপকূলীয় বন বিভাগের আওতাধীন মহেশখালী রেঞ্জে চলমান সুফল প্রকল্প বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে উক্ত রেঞ্জের শাপলাপুর বিটে উপজেলা রেঞ্জ অফিসার সুলতানুল আলম চৌধুরীর নির্দেশনায় বিট অফিসার ইব্রাহিম রাজিবের তত্বাবধানে বপন করা হয়েছে ১০ হেক্টর জমিতে ১২ হাজার বেতের চারা।

উল্লেখ্য, পার্বত্য চট্টগ্রাম ও সিলেটের বনাঞ্চলে বেতের চাষে সাফল্য দীর্ঘদিনের । আসবাবপত্র ও কুটিরশিল্পের দ্রব্য সামগ্রী তৈরিতে বেতের ব্যবহারের জুড়ি নেই। শুকনো বেত দিয়ে তৈরি হয় -সুদৃশ্য চেয়ার-টেবিল, সোফা, খাট, মোড়া, দোলনা, সেলফসহ আরো নানা আসবাবপত্র। গৃহনির্মাণ কাজেও বেতের ব্যবহার উল্লেখযোগ্য। বিশেষ করে রেস্তুরাঁ, ঘর বা অফিসের শৌখিন পার্টিশন তৈরিতে ব‍্যাবহার হয় বেত।

কাঁটাযুক্ত বেত গাছ থেকে বেত ফল বা বেতুন ফল নামক টক,তেতু এবং মিষ্টি স্বাদের আঙ্গুরের মতো এক ধরনের ফলও পাওয়া যায়। চৈত্র-বৈশাখ মাসে যা খাওয়ার উপযুক্ত হয়। গ্রামগঞ্জে ছেলেমেয়েদের বেশ পরিচিত এবং প্রিয় একটি ফল। তবে কালের আবর্তনে বন জঙ্গল এবং বাড়ির আশপাশের ঝোপঝাড়ের সঙ্গে হারিয়ে যাচ্ছে ঐতিহ্যবাহী বেতুন গাছ। সে সাথে ধীরে ধীরে বিলুপ্ত হচ্ছে বাংলাদেশের হাজার বছরের ঐতিহ্য এবং শৌখিন কুটির শিল্পের।

আর তাই-ই বন কর্মকর্তাদের মহতি এই উদ্যোগ গ্রহণ। এই বিষয়ে উপজেলা রেঞ্জ অফিসার সুলতানুল আলম চৌধুরী জানান, "মূলত কুটিরশিল্পকে ধ্বংসের হাত থেকে রক্ষা করতেই সুফল প্রকল্প বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে আমাদের এই বেতের চারা রোপণের কর্মসূচি। সুফল প্রকল্প বাস্তবায়নে আমাদের কার্যক্রম অব‍্যাহত থাকবে।"

ফরেস্টার বিট অফিসার ইব্রাহিম রাজিব বলেন, "সুফল প্রকল্পের আওতায় আমরা গত বছর বেতের ছারাগুলো লাগিয়েছি। এবং কয়েক মাসের মধ্যেই আমরা সেগুলো পাহাড়ে বপন করে দিব। যাতে করে বিলুপ্তপ্রায় বেত শিল্পে পুনরায় প্রাণের সঞ্চার হয়।"

কক্সবাজার বার্তা
কক্সবাজার বার্তা
এই বিভাগের আরো খবর