শনিবার   ০৫ ডিসেম্বর ২০২০   অগ্রাহায়ণ ২০ ১৪২৭   ১৮ রবিউস সানি ১৪৪২

কক্সবাজার বার্তা
সর্বশেষ:
৭২ হাজার ৭৫০ কোটি টাকার প্রণোদনা প্যাকেজ ঘোষণা ‘২০৪১ সালে মাথাপিছু আয় দাঁড়াবে সাড়ে ১২ হাজার ডলার’ রোহিঙ্গা ইস্যুতে প্রধানমন্ত্রীর প্রশংসা করে অ্যাঞ্জেলিনার চিঠি ডিসেম্বরে নির্মাণ শুরু হবে দেশের প্রথম পাতাল মেট্রো রুট গোলদিঘির পাড়ে নির্মিত হচ্ছে আধুনিকমানের মারকাজ মসজিদ ২০২২ সালের মধ্যে ট্রেন চলবে কক্সবাজারে কক্সবাজারের উন্নয়নে উদ্যোগ নিলো জাতিসংঘ দ্বিতীয় পারমানবিক বিদ্যুৎ প্রকল্প মহেশখালী-কুতুবদিয়ায়! এগিয়ে চলছে স্বপ্নের কর্ণফুলী টানেল নির্মাণ কাজ ১০০ হাজার কোটি টাকার উন্নয়ন কাজ চলছে কক্সবাজারে ২৫ মেগা প্রকল্পে পাল্টে যাচ্ছে কক্সবাজার উন্নয়নে শীর্ষে কক্সবাজার
৯৪

মহেশখালীর প্রধান সড়কের কাজে গতি ফিরেছে

প্রকাশিত: ৯ নভেম্বর ২০২০  

মহেশখালী উপজেলার প্রধান সড়ক তথা গোরকঘাটা টু জনতাবাজার সড়কের সম্প্রসারণ ও মেরামতের কাজে গতি ফিরেছে। স্বস্তি এসেছে স্থানীয় জনসাধারণের মাঝে।

কয়েক বছর ধরে মহেশখালীতে চলছে -কোল পাওয়ার জেনারেশন কোং বাংলাদেশ লি: এর ১২০০ মেঘাওয়ার্ড কয়লা ভিত্তিক তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণ প্রকল্প, বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড এর এল.এন.জি ও কয়লা ভিত্তিক তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণ প্রকল্প, মাতারবাড়ীতে ৭০০ মেঃ ওঃ আল্ট্রা সুপার ক্রিটিক্যাল কোল ফায়ার্ড নতুন বিদ্যুৎ প্রকল্প, মাতারবাড়ি সমুদ্র বন্দর, মহেশখালী-আনোয়ারা গ্যাস সঞ্চালন পাইপ লাইন প্রকল্প সহ বেশ কিছু প্রকল্পের কাজ।

এরই সুবাদে মহেশখালীর প্রধান সড়ক তথা জনতাবাজার টু গোরকঘাটা সড়কটি সম্প্রসারণ ও মেরামতের মাধ্যমে জাতীয় মানে রূপ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয় সরকার।

তবে সড়ক বিনির্মাণের কাজে ধীরগতি এবং ঠিকাদারি প্রতিষ্টানের গাফিলতির বিরুদ্ধে অভিযোগের অন্ত ছিলনা সাধারণ মানুষের। সড়কের এক একপ্রান্তে কিছুদিন কাজ চালানোর পর ভৌতিক ভাবে অদৃশ্য হয়ে যেত নির্মাণকাজ! এরপর বিভিন্ন গণমাধ্যমে ব‍্যাপক সমালোচনার পর মাঝেমধ্যে উদয় হতো তাদের। এরই মধ্যে বর্ষার অজুহাতে গেল কয়েকমাস। এভাবেই কেটে গেল বছর দেড় এক। মানুষ পোহাচ্ছিল ব‍্যাপক দুর্ভোগ। রাস্তায় বেরুলেই উপড়ে ফেলা রাস্তায় ধুলোর মহা সমুদ্রের দেখা। দম বন্ধ হয়ে যাবার অবস্থা।

উপজেলাবাসীর এমন দুরবস্তার একপর্যায়ে উদয় হয় নতুন সূর্যের। চলছে মহাকর্মজজ্ঞ!

উন্নয়ন কাজ এগিয়ে যাওয়ার কথা জানান ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান ডেল্টা ইঞ্জিনিয়ারিং এন্ড কনসোর্টিয়াম লিমিটেডের সুপারভাইজার জসিম, প্রকৌশলী শহীদ ও ইউসুফ।

তাদের মতে, প্রাকৃতিক বাধা তথা বৃষ্টি কিংবা অনাকাঙ্খিত কিছু না ঘটলে আগামী এক মাসের মধ্যেই সড়কের পুরো কাজ সমাপ্ত করা সম্ভব হবে। উপজেলার বিভিন্ন প্রান্তে শতাধিক শ্রমিক নিয়মিত কাজ করছেন।

এনিয়ে উপজেলাবাসীর মাঝে ফিরেছে স্বস্তি। যেন মুক্তি পেতে যাচ্ছে দীর্ঘদিনের এক ভয়াবহ অভিশাপ হতে। যথাসম্ভব দ্রুত সংস্কার কাজ সমাপ্তির মাধ্যমে ঝুকিহীন, নিরাপদ একটি সড়ক উপহার দেওয়ার জন‍্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নিকট অনুরোধ জানিয়েছেন তারা।

কক্সবাজার বার্তা
কক্সবাজার বার্তা
এই বিভাগের আরো খবর