শনিবার   ০৫ ডিসেম্বর ২০২০   অগ্রাহায়ণ ২০ ১৪২৭   ১৯ রবিউস সানি ১৪৪২

কক্সবাজার বার্তা
সর্বশেষ:
৭২ হাজার ৭৫০ কোটি টাকার প্রণোদনা প্যাকেজ ঘোষণা ‘২০৪১ সালে মাথাপিছু আয় দাঁড়াবে সাড়ে ১২ হাজার ডলার’ রোহিঙ্গা ইস্যুতে প্রধানমন্ত্রীর প্রশংসা করে অ্যাঞ্জেলিনার চিঠি ডিসেম্বরে নির্মাণ শুরু হবে দেশের প্রথম পাতাল মেট্রো রুট গোলদিঘির পাড়ে নির্মিত হচ্ছে আধুনিকমানের মারকাজ মসজিদ ২০২২ সালের মধ্যে ট্রেন চলবে কক্সবাজারে কক্সবাজারের উন্নয়নে উদ্যোগ নিলো জাতিসংঘ দ্বিতীয় পারমানবিক বিদ্যুৎ প্রকল্প মহেশখালী-কুতুবদিয়ায়! এগিয়ে চলছে স্বপ্নের কর্ণফুলী টানেল নির্মাণ কাজ ১০০ হাজার কোটি টাকার উন্নয়ন কাজ চলছে কক্সবাজারে ২৫ মেগা প্রকল্পে পাল্টে যাচ্ছে কক্সবাজার উন্নয়নে শীর্ষে কক্সবাজার
১৫৬১

মেজর সিনহা হত্যার অন্তরালের মূল নায়ক এসপি মাসুদ !

প্রকাশিত: ৮ আগস্ট ২০২০  

কক্সবাজারে সংগঠিত বন্দুকযুদ্ধ বা ক্রসফায়ারে নিহত হওয়ার যেকোনো সংবাদেই দেখা যায়, জেলার পুলিশ সুপার এবিএম মাসুদ হোসেন উক্ত ঘটনার পক্ষে "প্রকৃত বন্দুকযুদ্ধ" - এই মর্মে যুক্তি প্রদান করেন। অর্থাৎ প্রতিটি ক্রসফায়ারের ক্ষেত্রেই দায়িত্বরত সাব ইন্সপেক্টর তার ওসির এবং ওসি, তার এসপির পরামর্শ মোতাবেক সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেন। বিশেষত স্পর্শকাতর বিষয়ের ক্ষেত্রে একজন ওসির পক্ষে পু‌লিশ সুপারের পরামর্শ ছাড়া সিদ্ধান্ত গ্রহণের সুযোগ কম। এ কারণে রাশেদকে হত্যায় এসপির মাসুদেরও সম্মতি ছিল এমন গুঞ্জন রয়েছে।

রাশেদ হত্যাকাণ্ডে পুলিশ দুটি মামলা করেছে যা আমলে নেয়ার নূন্যতম সুযোগ নেই। একজন অবসরগ্রহণকারী সরকারী কর্মকর্তাকে গুলি করার ঝুঁকি একজন এসআই কখনোই নিবে না। ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শিদের মতেও জানা যায়, লিয়াকত ওসি প্রদীপের সঙ্গে ফোনে কথা বলে গুলি করার অনুমতি নিয়েছিল। এখানে এসপির কাছ থেকে অনুমতি গ্রহণের দৃশ্যপটটি অনুপুস্থিত কারণ তা নিতে হয়েছে বা নেয়ার কথা ওসির।

রাশেদ হত্যাকাণ্ড সম্পর্কে মাসুদের ভাষ্য-

হত্যাকাণ্ডের পরই পু‌লিশ সুপার এবিএম মাসুদ হো‌সেন দাবি করেন, শামলাপু‌রের লোকজন ডাকাত স‌ন্দেহ ক‌রে পু‌লিশকে খবর দেয়। এ সম‌য়ে পু‌লিশ চেক‌পো‌স্টে গা‌ড়ি‌টি থামা‌নোর চেষ্টা ক‌রলে গা‌ড়ির আরোহী পিস্তল বের ক‌রে পু‌লিশ‌কে গু‌লি করার চেষ্টা ক‌রেন। আত্মরক্ষা‌র্থে পু‌লিশ গু‌লি চালায়। এ ছাড়া গা‌ড়ি‌তে তল্লাশি ক‌রে ৫০টি ইয়াবা, কিছু গাঁজা এবং দুটি বি‌দেশি ম‌দের বোতল উদ্ধার করা হ‌য়ে‌ছে বলেও মন্তব্য করেন।

বিষয়টি যদি এমন হতো যে, এসপির অনুমতি ছাড়াই হত্যা করা হয়েছে, তাহলে এ ঘটনা জানা মাত্রই এসপি মাসুদ অন্তত নিজের ভাবমূর্তি রক্ষা ও সততার দৃষ্টান্ত স্বরূপ ওসি ও এসআইয়ের বিরুদ্ধে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা গ্রহণ করতো। কিন্তু উক্ত ঘটনায় দুদিন পর দায়িত্বরত পরিদর্শক লিয়াকত আলীকে প্রত্যাহার করা হলেও দায়িত্বে ছিলেন ওসি প্রদীপ কুমার দাস।

পুলিশ সুপারের সম্মতি ছাড়া হত্যাকাণ্ড ঘটলে, হত্যাকারীদের পক্ষে তার বিতর্কিত ভূমিকার কারণ একটিই হতে পারে, তা হচ্ছে বহুল আলোচিত আর্থিক ভাগ-বাটোয়ারা প্রসঙ্গ। অর্থাৎ ২০১৮ এর সেপ্টেম্বর থেকে শুধুমাত্র পুলিশের দ্বারা যে দেড় শতাধিক হত্যাকাণ্ড ঘটেছে তার নেপথ্যে মূল ভূমিকা পালন করেছেন পুলিশ সুপার মাসুদ।

কক্সবাজার বার্তা
কক্সবাজার বার্তা
এই বিভাগের আরো খবর