সোমবার   ২১ সেপ্টেম্বর ২০২০   আশ্বিন ৫ ১৪২৭   ০৩ সফর ১৪৪২

কক্সবাজার বার্তা
সর্বশেষ:
৭২ হাজার ৭৫০ কোটি টাকার প্রণোদনা প্যাকেজ ঘোষণা ‘২০৪১ সালে মাথাপিছু আয় দাঁড়াবে সাড়ে ১২ হাজার ডলার’ রোহিঙ্গা ইস্যুতে প্রধানমন্ত্রীর প্রশংসা করে অ্যাঞ্জেলিনার চিঠি ডিসেম্বরে নির্মাণ শুরু হবে দেশের প্রথম পাতাল মেট্রো রুট গোলদিঘির পাড়ে নির্মিত হচ্ছে আধুনিকমানের মারকাজ মসজিদ ২০২২ সালের মধ্যে ট্রেন চলবে কক্সবাজারে কক্সবাজারের উন্নয়নে উদ্যোগ নিলো জাতিসংঘ দ্বিতীয় পারমানবিক বিদ্যুৎ প্রকল্প মহেশখালী-কুতুবদিয়ায়! এগিয়ে চলছে স্বপ্নের কর্ণফুলী টানেল নির্মাণ কাজ ১০০ হাজার কোটি টাকার উন্নয়ন কাজ চলছে কক্সবাজারে ২৫ মেগা প্রকল্পে পাল্টে যাচ্ছে কক্সবাজার উন্নয়নে শীর্ষে কক্সবাজার
৯২৪

যেসব কারণে অজু ভেঙে যায় যেসব কারণে অজু ভাঙে না

মাওলানা সাখাওয়াত উল্লাহ

প্রকাশিত: ২৮ নভেম্বর ২০১৮  

নিম্নে উল্লিখিত বিষয়গুলোর যেকোনো একটি পাওয়া গেলে অজু ভেঙে যায়—

♦    প্রস্রাব-পায়খানার রাস্তা দিয়ে কোনো কিছু বের হলে। (সুরা : মায়েদা, আয়াত : ৬)

♦    শরীরের কোনো স্থান থেকে রক্ত বা পুঁজ বের হয়ে গড়িয়ে পড়লে। (দারাকুতনি, হাদিস : ৫৮১)

♦    মুখ থেকে রক্ত বের হলে, যদি রক্তের পরিমাণ থুথু থেকে অধিক অথবা সমান হয়। (মুসান্নাফে ইবনে আবি শায়বা : ১/১২৫)

♦    খানা, পানি, জমাটবদ্ধ রক্ত, পিত্ত ইত্যাদির বমি মুখ ভরে হলে। (তিরমিজি, হাদিস : ৮০, কিতাবুল আসার লি আবি ইউসুফ : ৩৪)

♦    ঘুমালে। (আবু দাউদ, হাদিস : ১৭৫)

♦    বেহুঁশ হয়ে গেলে। (বুখারি, হাদিস : ৬৪৬)

♦    মাতাল হলে। (তিরমিজি, হাদিস : ৭২)

♦    নেশাগ্রস্ত হলে। (প্রাগুক্ত)

♦    জাগ্রত অবস্থায় বালেগ লোক রুকু-সিজদাওয়ালা নামাজে অট্টহাসি দিলে। (বুখারী : ১৬/৩১৫)
 
যেসব কারণে অজু ভাঙে না

নিম্নল্লিখিত বিষয়গুলোতে অজু ভেঙে যায়, এমন বিষয়ের সাদৃশ্য। কিন্তু তা দ্বারা অজু নষ্ট হয় না।

♦    যদি রক্ত বের হয়; কিন্তু নিজের স্থান থেকে গড়িয়ে পড়ে না। (মুসান্নাফে ইবনে আবি শায়বা : ১/১৩৭)

♦    যদি শরীরের গোশত ঝরে পড়ে; কিন্তু রক্ত বের না হয়। যেমন—ইরকে মাদানি। এটা এক ধরনের ফোসকা বিশেষ, যা চামড়ার উপরিভাগে ওঠে এবং একসময় তা গোশতসহ শরীর থেকে ঝরে পড়ে; কিন্তু সাধারণত রক্ত বের হয় না। কারণ যেসব বস্তুর কারণে অজু ভেঙে যায়, সেগুলো হয়তো নিজেই নাপাক অথবা নাপাক বস্তুর সঙ্গে লেগে আসার কারণে নাপাক হয়ে থাকে; কিন্তু গোশত পাক। তাই গোশত ঝরে পড়লে অজু ভাঙে না। যদি এর সঙ্গে রক্তও প্রবাহিত হয়, তাহলে প্রবাহিত রক্তের কারণে অজু ভেঙে যাবে। (দারাকুতনি : ৫৮১, ৫৯১, শরহে বেকায়া : ১/৩৭)

♦    কোনো ক্ষত স্থান অথবা কান থেকে পোকা বের হলে। (মুসান্নাফে আবদির রাজ্জাক : ১/৬২৯)

♦    যদি বমি হয়, কিন্তু তা মুখ ভরে না হয়। (আল আসার লি আবি ইউসুফ : ৩৪)

♦    কফমিশ্রিত বমি হলে। কারণ কফ বের হওয়াকে ইসলামের পরিভাষায় ‘হাদাস’ বলা হয় না। ‘হাদাস’ হলেই অজু ওয়াজিব হয়, অন্যথায় নয়। (মুসনাদে আহমদ, হাদিস : ৯৩০১)

♦    নামাজরত ব্যক্তির ঘুমের দরুন অজু ভাঙে না। চাই তা দাঁড়ানো অবস্থায় হোক অথবা বসা, রুকু বা সিজদা অবস্থায় হোক। (সুনানে কুবরা লিল বায়হাকি, হাদিস : ৬০৯)

♦    নিতম্বদ্বয় জমিতে ঠেসে লেগে থাকা অবস্থায় ঘুমিয়ে পড়লে। (আবু দাউদ, হাদিস : ১৭২)

♦    নিজের লজ্জা স্থান স্পর্শ করলে। (নাসায়ি, হাদিস : ১৬৫)

♦    নারীর শরীর স্পর্শ করলে। (নাসায়ি, হাদিস : ১৭০)

♦    ঘুমের ঘোরে নাক ডাকলে। (মুআত্তা মালেক, হাদিস : ৩৬)

এসব কারণে অজু ভাঙে না। 

লেখক : শিক্ষক, মাদরাসাতুল মদিনা, নবাবপুর, ঢাকা।

কক্সবাজার বার্তা
কক্সবাজার বার্তা