শুক্রবার   ১৪ আগস্ট ২০২০   শ্রাবণ ২৯ ১৪২৭   ২৪ জ্বিলহজ্জ ১৪৪১

কক্সবাজার বার্তা
সর্বশেষ:
৭২ হাজার ৭৫০ কোটি টাকার প্রণোদনা প্যাকেজ ঘোষণা ‘২০৪১ সালে মাথাপিছু আয় দাঁড়াবে সাড়ে ১২ হাজার ডলার’ রোহিঙ্গা ইস্যুতে প্রধানমন্ত্রীর প্রশংসা করে অ্যাঞ্জেলিনার চিঠি ডিসেম্বরে নির্মাণ শুরু হবে দেশের প্রথম পাতাল মেট্রো রুট গোলদিঘির পাড়ে নির্মিত হচ্ছে আধুনিকমানের মারকাজ মসজিদ ২০২২ সালের মধ্যে ট্রেন চলবে কক্সবাজারে কক্সবাজারের উন্নয়নে উদ্যোগ নিলো জাতিসংঘ দ্বিতীয় পারমানবিক বিদ্যুৎ প্রকল্প মহেশখালী-কুতুবদিয়ায়! এগিয়ে চলছে স্বপ্নের কর্ণফুলী টানেল নির্মাণ কাজ ১০০ হাজার কোটি টাকার উন্নয়ন কাজ চলছে কক্সবাজারে ২৫ মেগা প্রকল্পে পাল্টে যাচ্ছে কক্সবাজার উন্নয়নে শীর্ষে কক্সবাজার
৮৩৪

রোগী-প্রতিবন্ধীদের জন্য ট্রেনে বিশেষ ব্যবস্থা রেলওয়ের

প্রকাশিত: ১৫ অক্টোবর ২০১৯  

 রোগীদের জন্য বিশেষ ব্যবস্থা চালু করেছে রেলওয়ে পূর্বাঞ্চল। হুইলচেয়ার ব্যবহার করা রোগী ও প্রতিবন্ধীদের সুবিধার্থে সব ট্রেনের দরজায় রেম্পের ব্যবস্থা করা হয়েছে। এখন থেকে তারা কোনোরকম অসুবিধা ছাড়াই রেম্পের মাধ্যমে ট্রেনে উঠতে ও নামতে পারবেন।

 

রেলওয়ে পূর্বাঞ্চলে আন্তঃনগর, মেইল এক্সপ্রেসসহ ১৬টি ট্রেন রয়েছে। এরমধ্যে আন্তঃনগর ট্রেনগুলো হল- সুবর্ণ এক্সপ্রেস, মহানগর গোধূলী, পাহাড়ীকা এক্সপ্রেস, মহানগর এক্সপ্রেস, উদয়ন এক্সপ্রেস, মেঘনা এক্সপ্রেস, তূর্ণা এক্সপ্রেস, বিজয় এক্সপ্রেস ও সোনার বাংলা এক্সপ্রেস।

এছাড়া মেইল এক্সপ্রেস রয়েছে, কর্ণফুলী এক্সপ্রেস, জালালাবাদ এক্সপ্রেস, সাগরিকা এক্সপ্রেস, ময়মনসিংহ এক্সপ্রেস এবং চট্টলা এক্সপ্রেস।

 

এসব ট্রেনের সব বগির দরজায় রেম্প বসানো হয়েছে। সংখ্যায় যার পরিমাণ প্রায় ২০০টি।

এর আগে বি-স্ক্যানের ২০১৪ সালের ফলোআপ রিপোর্টের পর টেকটাইল স্থাপন করা হয়। পরে ২০১৮ সালে উত্তরা রেলস্টেশনের ফলোআপ রিপোর্ট নিয়ে চলতি বছরের ১৬ সেপ্টেম্বর রেলওয়ের মহাপরিচালক মো. শামছুজ্জামান সঙ্গে দেখা করেন রেলের উর্ধ্বতন পরিবহন কর্মকর্তারা।

তারা রোগী ও প্রতিবন্ধীদের জন্য ট্রেনে উঠার রেম্পসহ আরও কিছু সুবিধা যুক্ত করতে ব্যবস্থা গ্রহণের সুপারিশ করেন।

চট্টগ্রাম রেলস্টেশনে সরেজমিন ঘুরে দেখা গেছে, রাত ১১টায় তুর্ণা এক্সপ্রেস ট্রেনে প্রত্যেক বগির দরজায় রেম্প বসানো হয়েছে। হুইলচেয়ারে অসুস্থ রোগী ও প্রতিবন্ধীরা ওই রেম্প ব্যবহার করে ট্রেনে উঠছেন।

চট্টগ্রাম থেকে ঢাকায় যাওয়া অসুস্থ এক রোগীর স্বজন মো. ইয়াকুব  বলেন, আগে রোগীকে কয়েকজন কোলে নিয়ে ট্রেনে উঠাতে হতো। এখন রেম্পের কারণে কোনো অসুবিধা ছাড়াই রোগীকে ট্রেনে উঠাতে পারছি। এটি রেলওয়ের অনেক ভালো একটি উদ্যোগ।

রেলওয়ে পূর্বাঞ্চলের বিভাগীয় বাণিজ্যিক কর্মকর্তা (ডিসিও) আনসার আলী বাংলানিউজকে বলেন, রোগী ও প্রতিবন্ধীদের দাবির প্রেক্ষিতে রেলওয়ে পূর্বাঞ্চলের প্রত্যেক ট্রেনে রেম্পের ব্যবস্থা করা হয়েছে। প্রত্যেক বগির দরজার সঙ্গে সংযুক্ত এ রেম্পের মাধ্যমে বিশেষ সাহায্যপ্রার্থী মানুষজন সহজে ট্রেনে উঠতে ও নামতে পারবেন।

এক প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, রেম্পগুলো মনিটরিং করার জন্য আলাদা লোক রয়েছে। এখানে চুরি হয়ে য্ওয়ার কোনো সুযোগ নেই।

কক্সবাজার বার্তা
কক্সবাজার বার্তা
এই বিভাগের আরো খবর