শুক্রবার   ০৫ মার্চ ২০২১   ফাল্গুন ২০ ১৪২৭   ২১ রজব ১৪৪২

কক্সবাজার বার্তা
সর্বশেষ:
৭২ হাজার ৭৫০ কোটি টাকার প্রণোদনা প্যাকেজ ঘোষণা ‘২০৪১ সালে মাথাপিছু আয় দাঁড়াবে সাড়ে ১২ হাজার ডলার’ রোহিঙ্গা ইস্যুতে প্রধানমন্ত্রীর প্রশংসা করে অ্যাঞ্জেলিনার চিঠি ডিসেম্বরে নির্মাণ শুরু হবে দেশের প্রথম পাতাল মেট্রো রুট গোলদিঘির পাড়ে নির্মিত হচ্ছে আধুনিকমানের মারকাজ মসজিদ ২০২২ সালের মধ্যে ট্রেন চলবে কক্সবাজারে কক্সবাজারের উন্নয়নে উদ্যোগ নিলো জাতিসংঘ দ্বিতীয় পারমানবিক বিদ্যুৎ প্রকল্প মহেশখালী-কুতুবদিয়ায়! এগিয়ে চলছে স্বপ্নের কর্ণফুলী টানেল নির্মাণ কাজ ১০০ হাজার কোটি টাকার উন্নয়ন কাজ চলছে কক্সবাজারে ২৫ মেগা প্রকল্পে পাল্টে যাচ্ছে কক্সবাজার উন্নয়নে শীর্ষে কক্সবাজার
১১৩

লকডাউনে আটকা পড়েছে সৃজিতের প্রথম জামাইষষ্ঠী

প্রকাশিত: ২৯ মে ২০২০  

মিথিলা-সৃজিত। এই মূহুর্তে দুই বাংলার দুই তারকা অবস্থান করছেন দুই প্রান্তে। উৎসব আর এক সঙ্গে পথচলার সব আয়োজন আটকে গেছেন লকডাউনে। এদিকে আজ জামাইষষ্ঠী। জন্মদিন, ঈদের মত এটিও কপালে নেই সৃজিতের। মনে অনেক কষ্ট মিথিলারও। অনেক পরিকল্পনা ছিল সৃজিতকে নিয়ে। কিন্তু কিছুই হল না।

এ বিষয়ে মিথিলা বলেন, ‘প্ল্যান ছিল অনেক। হল না কিছুই। আমি বাংলাদেশে আর সৃজিত ভারতে। মাঝখানে কাঁটা হয়ে রয়েছে লকডাউন। জন্মদিন, ঈদ আর আজ জামাইষষ্ঠী। দেখতে দেখতে পার হয়ে গেল সবই। সৃজিত আর আমার প্রথম জামাইষষ্ঠী। কথা ছিল আফ্রিকা থেকে শুটিং সেরে বাংলাদেশ আসবে সৃজিত।  সবাই মিলে আমার জন্মদিন, ঈদ সব একসঙ্গে পালন করব। সে সব হল না। এখন ভরসা ওই ভিডিও কল আর ফোন।’

তিনি আরও বলেন, ‘আমাদের যদিও জামাইষষ্ঠী বলে কিছু নেই, তবে সৃজিত এই মুহূর্তে এখানে থাকলে ওকে আম্মুর হাতের শুঁটকি মাছের ভর্তা, ইলিশভাপা আর কষা মাংস খাওয়াতাম। ও খেতে খুব ভালোবাসে। এবার আর তা হল না। তাই ওকে বলেছি, ‘এক কাজ কোরো, ওখানকার কোনও খাবারের দোকান থেকে তোমার পছন্দমতো খাবার কিনে খেও। মনে করো জামাইষষ্ঠীর খাবার খাচ্ছ।’

সৃজিতের স্ত্রী আরও বলেন, ‘তবে এটা ঠিক, ও আগে যতবার এ দেশে এসেছে, জামাই আদর কিন্তু বেশ ভালোভাবেই করা হয়েছে। বাহারি রান্নার পদ, ও যা যা ভালোবাসে তাই রেঁধেছে আমার বাড়ির লোকেরা। আমার মায়ের হাতের রান্না আবার ওর বড়ই প্রিয়। এ রকম বহু বার দেখেছি, ও খেতে শুরু করলে থামতেই চায় না। এমনিতেই আমাদের দাওয়াত মানেই দশ-পনেরো রকমের পদ হয়। কিন্তু সৃজিতকে কখনও খাওয়ার ব্যাপারে ক্লান্ত হতে দেখিনি। আমি বরং এখন বারণ করি, বলি একটু কম খাও। শরীরের দিকেও তো নজর রাখতে হবে। তবে আম্মুকে দেখেছি, ওকে খাইয়ে যা সুখ পায় তা যেন আর কিছুতে নেই।’

‘আমাদের প্রথম জামাইষষ্ঠী তোলা থাকল পরের বারের জন্য।’

কক্সবাজার বার্তা
কক্সবাজার বার্তা
এই বিভাগের আরো খবর