বুধবার   ২৮ অক্টোবর ২০২০   কার্তিক ১৩ ১৪২৭   ১১ রবিউল আউয়াল ১৪৪২

কক্সবাজার বার্তা
সর্বশেষ:
৭২ হাজার ৭৫০ কোটি টাকার প্রণোদনা প্যাকেজ ঘোষণা ‘২০৪১ সালে মাথাপিছু আয় দাঁড়াবে সাড়ে ১২ হাজার ডলার’ রোহিঙ্গা ইস্যুতে প্রধানমন্ত্রীর প্রশংসা করে অ্যাঞ্জেলিনার চিঠি ডিসেম্বরে নির্মাণ শুরু হবে দেশের প্রথম পাতাল মেট্রো রুট গোলদিঘির পাড়ে নির্মিত হচ্ছে আধুনিকমানের মারকাজ মসজিদ ২০২২ সালের মধ্যে ট্রেন চলবে কক্সবাজারে কক্সবাজারের উন্নয়নে উদ্যোগ নিলো জাতিসংঘ দ্বিতীয় পারমানবিক বিদ্যুৎ প্রকল্প মহেশখালী-কুতুবদিয়ায়! এগিয়ে চলছে স্বপ্নের কর্ণফুলী টানেল নির্মাণ কাজ ১০০ হাজার কোটি টাকার উন্নয়ন কাজ চলছে কক্সবাজারে ২৫ মেগা প্রকল্পে পাল্টে যাচ্ছে কক্সবাজার উন্নয়নে শীর্ষে কক্সবাজার
২৪৭৬

শহাজাহান চৌধুরীর ও কইয়ুমের সমকামীতায় বিব্রত কক্সবাজারে বিএনপি

ডেস্ক নিউজ

প্রকাশিত: ২০ ডিসেম্বর ২০১৮  

কক্সবাজার জেলা বিএনপির সভাপতি শাহাজাহান চৌধুরীর সাথে তার ব্যক্তিগত সহকারী টেকনাফ সেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি মোঃ কাইয়ুমের সমকামীতা সম্পর্কে বিব্রত বিএনপি। কক্সবাজার জেলা ছাত্রদলের দুই নেতার কাছে শাহাজাহান চৌধুরী ও কাইয়ুম সমকামীতার সময় ধরাপড়ার পরথেকেই বিএনপি ও শাহাজাহান চৌধুরীর পরিবারের মাঝে চরম অসন্তোষ দেখাদেয়। পিতার সমকামীতার সম্পর্ক জানতে পেরে শাহাজাহান চৌধুরীর একমাত্র মেয়ে   ও দুই পুত্র পিতার সাথে সম্পর্ক ছিন্ন করেফেলে।

 কক্সবাজার জেলা বিএনপির সভাপতি শাহাজাহান চৌধুরীর দীর্ঘ দিন ধরে নিস্বঙ্গ। দীর্ঘ ৭ বছর অসুস্থা থাকার পর ২০১৫ সালের ২১ ডিসেম্বর শাহাজাহান চৌধুরীর স্ত্রী মারা যান। বলতে গেলে গত ১০ বছর ধরেই একাকী জীবন যাপন করে আসছে শাহাজাহান চৌধুরী। স্ত্রী মারা যাওয়ার আগেই কক্সবাজার জেলা বিএনপির সাধারন সম্পাদক শামিম আরা সপ্নার সাথে পরিকিয়ায় জড়িয়ে পড়েছিলেন শাহাজাহান চৌধুরী। বিষয়টি জানাজানি হলে কক্সবাজার জেলা বিএনপি বিব্রত পরিস্থিতিতে পড়ে। এই পরকিয়ার খবরে ভারতে শিলংএ অবস্থানরত বিএনপির স্থায়ি কমিটির সদস্য সালাউদ্দিন আহম্মেদ ক্ষিপ্ত হয়। তিনি সেই সময় বিএনপির চেয়ারপার্সন খালেদা জিয়া ও ভাইস চেয়ারম্যন তারেক রহমানকে কক্সবাজার জেলা কমিটি ভেঙ্গে দেয়ার জন্য বলেছিলেন। বিষয়টি জানতে পেরে শাহাজাহান ও সপ্না দুজনই ভারতের শিলংএ গিয়ে সালাউদ্দিন আহমেদের কাছে ক্ষম্পা চান। শাহাজাহান ও সপ্না দুজনই পরকিয়া করবেনা বলে সালাউদ্দিন আহমেদের কাছে শপথ করেন। এরপর থেকে অনেকটাই আলাদা ভাবে চলতে শুরুকরে কক্সবাজারে বিএনপির সভাপতি ও সাধারন সম্পাদক। শাহাজাহান চৌধুরীর ছোট ভাই জামায়াত নেতা এডঃ শাহজাজাল চৌধুরী ঐ সময় বড় ভাইকে নতুন করে বিয়ে করাতে চাইলেও তিনি রাজি হননি।

কক্সবাজার যুবদলের এক নেতা নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, সাধারন সস্পাদক  সপ্নার সাথে পরকিয়া বন্ধকরে অনেকটাই নিশ্চুপ হয়েযান শাহাজাহান চৌধুরী। পরকিয়া বন্ধের পরথেকে শাহাজাহান চৌধুরী কক্সবাজার শহরে আসলে বাহারছড়ায় তার ব্যাক্তিগত সহকারী টেকনাফের কাইয়ুমের বাসায় উঠতেন। একদিন ঐ যুবদল নেতা ছাত্রদলের আরো দুইজন সিনিয়র নেতাকে নিয়ে শহরের বাহারছড়ার কাইয়ুমের বাসায় গেলে শাহাজাহান চৌধুরী ও কাইয়ুমকে সমকামীতারত অবস্থায় দেখেফেলে। ঐ ঘটনা জানাজানি না করার জন্য যুবদল ও ছাত্রদলের ৩ নেতাকে বিএনপির বিভিন্ন পদপদবি দেয়ার প্রস্তাব দেন। তবে একছাত্রদল নেতা কক্সবাজার বিএনপির সভাপতির সমকামীতার কথা ফাস করে দেন। 

জেলা বিএনপির সভাপতি তার ব্যাক্তিগত সহকারীর সাথে সমকামীতার ঘটনা পুরো জেলার বিএনপির মানুষের মুখে চুনকালী পড়ে যায়। এই ঘটনা জানার পর, শাহাজাহান চৌধুরীর একমাত্র মেয়ে ও দুই ছেলে লজ্জায় পিতা সাথে সম্পর্ক ছিন্ন করে আলাদা হয়ে যায়।

এই ব্যাপারে শাহাজাহান চৌধুরী বলেন, "কাইয়ুম ব্যাক্তিগত সহকারী হিসেবে আমার সাথে থাকে। তবে তার সাথে আমার কোন অনৈতিক সম্পর্ক নেই। যেই দিনের ঘটনার কথা বলাহচ্ছে তা সম্পূর্ন ভিন্ন। অফিসাস ক্লাবে লং টেনিস খেলার কারনে শরীর ব্যাথা করছিলো। তাই কাইয়ুম আমার শরীরে ব্যাথার মলম লাগিয়ে দিচ্ছিলো। এর বাইরে কিছু হয়নি। আমার বিরুদ্ধে সমকামীতার অভিযোগ সম্পুর্ন মিথ্যা।"

কক্সবাজার বার্তা
কক্সবাজার বার্তা
এই বিভাগের আরো খবর