মঙ্গলবার   ০৭ জুলাই ২০২০   আষাঢ় ২২ ১৪২৭   ১৬ জ্বিলকদ ১৪৪১

কক্সবাজার বার্তা
সর্বশেষ:
৭২ হাজার ৭৫০ কোটি টাকার প্রণোদনা প্যাকেজ ঘোষণা ‘২০৪১ সালে মাথাপিছু আয় দাঁড়াবে সাড়ে ১২ হাজার ডলার’ রোহিঙ্গা ইস্যুতে প্রধানমন্ত্রীর প্রশংসা করে অ্যাঞ্জেলিনার চিঠি ডিসেম্বরে নির্মাণ শুরু হবে দেশের প্রথম পাতাল মেট্রো রুট গোলদিঘির পাড়ে নির্মিত হচ্ছে আধুনিকমানের মারকাজ মসজিদ ২০২২ সালের মধ্যে ট্রেন চলবে কক্সবাজারে কক্সবাজারের উন্নয়নে উদ্যোগ নিলো জাতিসংঘ দ্বিতীয় পারমানবিক বিদ্যুৎ প্রকল্প মহেশখালী-কুতুবদিয়ায়! এগিয়ে চলছে স্বপ্নের কর্ণফুলী টানেল নির্মাণ কাজ ১০০ হাজার কোটি টাকার উন্নয়ন কাজ চলছে কক্সবাজারে ২৫ মেগা প্রকল্পে পাল্টে যাচ্ছে কক্সবাজার উন্নয়নে শীর্ষে কক্সবাজার
১৯

শিক্ষার্থীদের ক্ষতি পোষাতে একগুচ্ছ পরিকল্পনা নিচ্ছে সরকার

প্রকাশিত: ২২ জুন ২০২০  

করোনার মহামারীর কারণে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকায় শিক্ষার্থীদের যে ক্ষতি হচ্ছে, তা কাটিয়ে উঠতে একগুচ্ছ পরিকল্পনা হাতে নিতে যাচ্ছে সরকার। ভাইরাসের বিস্তার কমলে আগামী সেপ্টেম্বরে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খুলতে পারে এমনটা ধরে নিয়ে এই পরিকল্পনার ছক তৈরি করা হচ্ছে বলে শিক্ষা মন্ত্রণালয় এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন।

তারা বলছেন, স্থগিত হয়ে যাওয়া এইচএসসি পরীক্ষা, একাদশ শ্রেণীতে ভর্তি, আসন্ন প্রাথমিক ও ইবতেদায়ি সমাপনী পরীক্ষা, জেএসসি-জেডিসি পরীক্ষা, স্কুল-কলেজের বার্ষিক পরীক্ষা এবং উপরের শ্রেণীতে শিক্ষার্থীদের কীভাবে প্রমোশন দেয়া হবে সে বিষয়ে দিকনির্দেশনা দেয়া হবে। পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের ক্ষতি পুষিয়ে নিতে থাকবে ‘রিকভারি প্ল্যান’।

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের এক উর্ধতন কর্মকর্তা রবিবার জনকণ্ঠকে জানান, শিক্ষা খাতের ক্ষতি পোষাতে রিকভারি প্ল্যান তৈরির কাজ করছে কয়েকটি টিম। শীঘ্রই এসব টিমের কাছ থেকে সুপারিশ নিয়ে একটি সমন্বিত পরিকল্পনা প্রকাশ করা হবে। তিনি আরও জানান, বিষয়টি একটু গুছিয়ে এলেই শিক্ষামন্ত্রী এ বিষয়ে সবাইকে অবহিত করবেন। আগামী সপ্তাহে সবাইকে নিয়ে বসে একটি সিদ্ধান্ত হবে জানিয়ে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা সচিব আকরাম-আল-হোসেন জনকণ্ঠকে বলেন, পড়াতে তো পারিনি, পরীক্ষা কীভাবে নেব? পরীক্ষা বাদ দিয়ে দিয়েছি। শিক্ষকদের বলেছি, হোম ওয়ার্ক দিতে। ছাত্রছাত্রীরা বিষয়ভিত্তিক হোমওয়ার্ক বিদ্যালয় খোলার পর জমা দেবে, সেই হোমওয়ার্ক দেখে মূল্যায়ন করব। টিভির ক্লাসের ওপর নির্ভর করে বাড়ির কাজ দিতে বলা হয়েছে। পরীক্ষা নিয়ে আপাতত কোন চিন্তাভাবনা করছি না।

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা সচিব বলেন, সামনের দিনগুলোতে মহামারী পরিস্থিতি কোন্ দিকে যাবে কেউ জানে না। কিন্তু ভাইরাসের বিস্তার না কমলে স্কুল খোলা সম্ভব নয়। আগামী সেপ্টেম্বর মাসে বিদ্যালয় খোলার মতো পরিস্থিতির সৃষ্টি হতে পারে, তেমনটা ধরেই তারা পরিকল্পনা সাজাচ্ছেন। করোনাভাইরাসের প্রকোপ বাড়তে থাকায় গত ১৭ মার্চ থেকে দেশের সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ রয়েছে। আগামী ৬ আগস্ট পর্যন্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ছুটি ঘোষণা করা আছে। ৬ আগস্টের পরও পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে না এলে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধই থাকবে বলে ধারণা দিয়েছেন কর্মকর্তারা। শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকায় এবার প্রাথমিকের প্রথম সাময়িক পরীক্ষা হয়নি। ৯ থেকে ২০ আগস্টের মধ্যে দ্বিতীয় সাময়িক পরীক্ষা হওয়ার কথা থাকলেও সে সম্ভাবনা আর নেই। ১৩ থেকে ২৫ জুনের মধ্যে মাধ্যমিকের অর্ধবার্ষিক পরীক্ষা নেয়ার কথা, কিন্তু বর্তমান পরিস্থিতিতে সেটাও আর হচ্ছে না।

এদিকে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদফতরের মহাপরিচালক (মাউশি) সৈয়দ গোলাম ফারুক বলছেন, বছরের অর্ধেক ইতোমধ্যে পেরিয়ে গেছে। স্কুল কবে খোলা যাবে, সে নিশ্চয়তা নেই। ফলে অনলাইন ও সংসদ টিভির মাধ্যমে মাধ্যমিকের সিলেবাস শেষ করে দেয়ার পরিকল্পনা করেছেন তারা।

কক্সবাজার বার্তা
কক্সবাজার বার্তা
এই বিভাগের আরো খবর