বৃহস্পতিবার   ২৮ জানুয়ারি ২০২১   মাঘ ১৪ ১৪২৭   ১৪ জমাদিউস সানি ১৪৪২

কক্সবাজার বার্তা
সর্বশেষ:
৭২ হাজার ৭৫০ কোটি টাকার প্রণোদনা প্যাকেজ ঘোষণা ‘২০৪১ সালে মাথাপিছু আয় দাঁড়াবে সাড়ে ১২ হাজার ডলার’ রোহিঙ্গা ইস্যুতে প্রধানমন্ত্রীর প্রশংসা করে অ্যাঞ্জেলিনার চিঠি ডিসেম্বরে নির্মাণ শুরু হবে দেশের প্রথম পাতাল মেট্রো রুট গোলদিঘির পাড়ে নির্মিত হচ্ছে আধুনিকমানের মারকাজ মসজিদ ২০২২ সালের মধ্যে ট্রেন চলবে কক্সবাজারে কক্সবাজারের উন্নয়নে উদ্যোগ নিলো জাতিসংঘ দ্বিতীয় পারমানবিক বিদ্যুৎ প্রকল্প মহেশখালী-কুতুবদিয়ায়! এগিয়ে চলছে স্বপ্নের কর্ণফুলী টানেল নির্মাণ কাজ ১০০ হাজার কোটি টাকার উন্নয়ন কাজ চলছে কক্সবাজারে ২৫ মেগা প্রকল্পে পাল্টে যাচ্ছে কক্সবাজার উন্নয়নে শীর্ষে কক্সবাজার
১৭৪

হবে ১০০ অর্থনৈতিক অঞ্চলঃ এক কোটি কর্মসংস্থানের লক্ষ্যমাত্রা

প্রকাশিত: ১২ জুন ২০২০  

করোনার প্রভাবে কর্মহীনতা কমাতে সরকার বিভিন্ন খাতে প্রণোদনাসহ ঋণ তহবিল গঠন করেছে। একই সঙ্গে গ্রামীণ এলাকায় আত্ম-কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে স্বল্প সুদে দুই হাজার কোটি টাকা ঋণ দেওয়া হবে বলে এবারের বাজেট বক্তৃতায় জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী। তিনি বলেন, বিনিয়োগ বৃদ্ধির মাধ্যমেও কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে বিনিয়োগ সেবা সরলীকরণ, কোম্পানির রেজিস্ট্রেশন ফি কমানোসহ নীতিমালা সংস্কার করা হয়েছে। এ ছাড়া সারা দেশে ১০০টি অর্থনৈতিক অঞ্চল গড়ে তোলার পরিকল্পনা করা হয়েছে। সেখানে আনুমানিক এক কোটি মানুষের কর্মসংস্থান হবে।

এশীয় উন্নয়ন ব্যাংকের (এডিবি) হিসাবে করোনায় ব্যবসা-বাণিজ্য স্থবির থাকায় দেশে কর্মহীন মানুষের সংখ্যা দাঁড়াতে পারে ১৪ লাখ। অর্থমন্ত্রী বলেন, করোনার প্রভাবে বিভিন্ন শিল্প বন্ধ হয়ে কর্মহীনতা ঠেকাতে নানামুখী পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে। সরকার যে বৃহৎ প্রণোদনা ঘোষণা করেছে তার অন্যতম লক্ষ্য সাময়িক কর্মহীনতা দূর করা। তৈরি পোশাকসহ রপ্তানিমুখী শিল্পের শ্রমিকদের বেতন-ভাতা প্রদানের লক্ষ্যে পাঁচ হাজার কোটি টাকার ঋণ তহবিল গঠন করা হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত শিল্প ও সার্ভিস সেক্টরের জন্য ৩০ হাজার কোটি টাকার এবং কুটির শিল্পসহ এসএমই প্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য ২০ হাজার কোটি টাকার দুটি আলাদা স্বল্প সুদের ওয়ার্কিং ক্যাপিটাল ঋণ সুবিধা চালু করা হয়েছে। রপ্তানি উন্নয়ন তহবিল সাড়ে তিন বিলিয়ন ডলার থেকে পাঁচ বিলিয়নে উন্নীত করা হয়েছে। তিনি বলেন, কৃষি ও কৃষি সংশ্লিষ্ট উৎপাদন ও সেবা, ক্ষুদ্র ব্যবসা, ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প ইত্যাদি খাতে গ্রামের দরিদ্র কৃষক, বিদেশ ফেরত প্রবাসী শ্রমিক এবং প্রশিক্ষিত তরুণ ও বেকার যুবাদের গ্রামীণ এলাকায় ব্যবসা ও আত্ম-কর্মসংস্থানমূলক কাজে স্বল্প সুদে ঋণ বিতরণ ব্যবস্থা সম্প্রসারণ করা হবে। এ কাজে পল্লী সঞ্চয় ব্যাংক, প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংক, কর্মসংস্থান ব্যাংক এবং পল্লী কর্ম-সহায়ক ফাউন্ডেশনের (পিকেএসএফ) মাধ্যমে মোট দুই হাজার কোটি টাকার ঋণ বিতরণ করা হবে। প্রতিটি প্রতিষ্ঠানে সরকার ৫০০ কোটি টাকা করে মূলধন প্রদান করবে। পাশাপাশি শিল্প খাতে কর্মসংস্থানের গতি বাড়ানোর লক্ষ্যে ব্যবসা ও বিনিয়োগ পরিবেশ আধুনিকায়ন, শ্রমিকের সুরক্ষা জোরদার ও দক্ষতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে বিভিন্ন কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে। এ ছাড়া দক্ষতা বৃদ্ধির মাধ্যমে কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও মজুরি বৃদ্ধির জন্য ১৫ লাখ মানুষকে প্রশিক্ষণ দেওয়ার ব্যবস্থা করা হয়েছে। দক্ষ জনশক্তি তৈরি করে দেশের পাশাপাশি বৈদেশিক কর্মসংস্থান বৃদ্ধিতে সরকার জোর প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। সামগ্রিক কর্মসংস্থান প্রসঙ্গে অর্থমন্ত্রী বলেন, সারা দেশে ১০০টি অর্থনৈতিক অঞ্চল গড়ে তোলার পরিকল্পনা করা হয়েছে। সেখানে আনুমানিক এক কোটি মানুষের কর্মসংস্থান হবে। ইতিমধ্যে ৯৩টি অর্থনৈতিক অঞ্চল স্থাপনের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। ১১টি অর্থনৈতিক অঞ্চলকে বেসরকারি খাতে স্থাপনের অনুমতি দেওয়া হয়েছে যার মধ্যে আটটি চালু হয়েছে। সরকারি অর্থনৈতিক অঞ্চলে এক হাজার ৭০০ কোটি টাকার উন্নয়ন কার্যক্রম চলমান রয়েছে। ইতিমধ্যে সরকারি অর্থনৈতিক অঞ্চলে ১৭ বিলিয়ন ও বেসরকারি অর্থনৈতিক অঞ্চলে তিন দশমিক ২৫ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ প্রস্তাব পাওয়া গেছে।

কক্সবাজার বার্তা
কক্সবাজার বার্তা
এই বিভাগের আরো খবর