বৃহস্পতিবার   ০৪ মার্চ ২০২১   ফাল্গুন ১৯ ১৪২৭   ২০ রজব ১৪৪২

সঞ্চয়পত্র অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে

নিউজ ডেস্ক

কক্সবাজার সৈকত

প্রকাশিত : ০৪:১৪ এএম, ১ ডিসেম্বর ২০১৮ শনিবার

বাজেট ঘাটতি অর্থায়নে জাতীয় সঞ্চয় অধিদপ্তরের মাধ্যমে বিভিন্ন ধরনের সঞ্চয়পত্র বিক্রয়লব্ধ সম্পদ গুরুত্বপূর্ণ ভ’মিকা পালন করে থাকে। ঘাটতি অর্থায়নের জন্য বৈদেশিক সম্পদের ওপর নির্ভরশীলতা কমানো এবং অভ্যন্তরীণ ব্যাংক ব্যবস্থার উপর চাপ কমানোর ক্ষেত্রে জাতীয় সঞ্চয়পত্রের উল্লেখযোগ্য অবদান রয়েছে। জাতীয় সঞ্চয় পত্রের মাধ্যমে ঘাটতি অর্থায়নের মূল্যস্ফীতি প্রভাবও কম নয়। এছাড়া, জাতীয় সঞ্চয় স্কিমে বিনিয়োগের মাধ্যমে মহিলা ও বয়োজ্যেষ্ঠ ব্যক্তিরা আর্থিকভাবে স্বাবলম্বী হয়ে সামাজিক নিরাপত্তা লাভ করেন।

২০০৯-২০১০ অর্থবছরে জাতীয় সঞ্চয় প্রকল্পসমূহের মাধ্যমে অর্জিত বিনিয়োগ ছিল ২৫ হাজার ৫৫৩ কোটি ৬৯ লাখ টাকা এবং নীট অর্জিত হয়েছে ১১ হাজার ৫৯০ কোটি ৬৪ লাখ টাকা।

২০১০-২০১১ অর্থবছরে জাতীয় সঞ্চয় প্রকল্পসমূহের মাধ্যমে অর্জিত বিনিয়োগ ছিল ১৭ হাজার ২৩২ কোটি ৩ লাখ টাকা এবং নীট অর্জিত হয়েছে দুই হাজার ৫৬ কোটি ৯৪ লাখ টাকা।

২০১১-২০১২ অর্থবছরে জাতীয় সঞ্চয় প্রকল্পসমূহের মাধ্যমে অর্জিত বিনিয়োগ ছিল ১৮হাজার ৯৫৫ কোটি ৩৫ লাখ টাকা এবং নীট অর্জিত হয়েছে ৪৭৯ কোটি ২ লাখ টাকা।

২০১২-২০১৩ অর্থবছরে জাতীয় সঞ্চয় প্রকল্পসমূহের মাধ্যমে অর্জিত বিনিয়োগ ছিল ২৩ হাজার ৩২৬ কোটি ৭৭  লাখ টাকা এবং নীট অর্জিত হয়েছে ৭৭২ কোটি ৮৪ লাখ টাকা।

২০১৩-২০১৪ অর্থবছরে জাতীয় সঞ্চয় প্রকল্পসমূহের মাধ্যমে অর্জিত বিনিয়োগ ছিল ২৪ হাজার ৩০৯ কোটি ৬০ লাখ টাকা এবং নীট অর্জিত হয়েছে ১১ হাজার ৭০৭ কোটি ৩১ লাখ টাকা।

২০১৪-১৫ অর্থবছরে জাতীয় সঞ্চয় প্রকল্পসমূহের মাধ্যমে বিনিয়োগ লক্ষ্যমাত্রা ছিল ২১ হাজার কোটি টাকা। এর বিপরীতে ২৮ হাজার ৭৩২ কোটি ৬৪ লাখ টাকা নীট সঞ্চয় আহরণ করে সরকারি কোষাগারে জমা দেওয়া হয়েছে।

২০১৫-২০১৬ অর্থবছরে ২৮ হাজার কোটি টাকা লক্ষ্যমাত্রা ধার্য করা হয় যার বিপরীতে ৩৩ হাজার ৬৮৮ কোটি ৬০ লাখ টাকা অর্জিত হয়েছে।

২০১৬-২০১৭ অর্থবছরে ৪৫ হাজার কোটি লক্ষ্যমাত্রার বিপরীতে ৫২ হাজার ৪১৭ কোটি ৪৬ লাখ টাকা অর্জিত হয়েছে। ২০১৭-১৮ অর্থবছরে ৩০ হাজার ১৫০ কোটি টাকা লক্ষ্যমাত্রার বিপরীতে ১ম তিন মাসে ১২ হাজার ৬৯ কোটি ৩২ লাখ টাকা অর্জিত হয়।