রোববার   ২৫ অক্টোবর ২০২০   কার্তিক ৯ ১৪২৭   ০৮ রবিউল আউয়াল ১৪৪২

বিনা মূল্যে নারী উদ্যোক্তাদের প্রশিক্ষণ দিচ্ছে `উই`

কক্সবাজার বার্তা

প্রকাশিত : ১০:১৫ এএম, ১২ জুন ২০২০ শুক্রবার

ওমেন অ্যান্ড ই কমার্স ফোরামের (উই) উদ্যোগে সারা দেশের নতুন নারী উদ্যোক্তাদের বিনা মূল্যে প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা হয়েছে। ১১ জুন সকাল সাড়ে দশটায় জুম ক্লাউড মিটিংয়ের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন বাংলাদেশের হাইটেক পার্ক অথোরিটি ম্যানেজিং ডিরেক্টর এবং সেক্রেটারি হোসনে আরা বেগম।

ডিজিটাল মার্কেটিং এবং উদ্যোক্তা-এ দুটি বিষয়ের ওপর চার দিন করে মোট আট দিনের প্রশিক্ষণের সুযোগ পাচ্ছে ওমেন অ্যান্ড ই-কমার্স গ্রুপের সক্রিয় ১২০ জন নতুন উদ্যোক্তা।

নতুন উদ্যোক্তাদের উদ্দেশে হোসনে আরা বেগম বলেন, নারীরা এখন ঘরে বসে কাজ করছে। অর্থনৈতিক ভাবে স্বাবলম্বী হয়ে পরিবারকে সহযোগিতা করছে। এ জন্য নারীদের দক্ষতা উন্নয়নে হাতে কলমে প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা জরুরি। করোনা মহামারিতে মানুষ ঘরে আবদ্ধ হয়ে গেছে, অনেকেই কাজ হারাচ্ছে। এ জন্য অনলাইন প্রশিক্ষণের ব্যবস্থাকে স্বাগত জানান তিনি।

হোসনে আরা বেগম বলেন, করোনা মহামারি শেষে বাংলাদেশের বেকারত্ব দুই কোটি থেকে বেড়ে তিন কোটিতে দাঁড়াবে। নারীরা এখন থেকেই যেন পরিবারের পাশে ঢাল-তলোয়ার হয়ে দাঁড়ায়। কোনো কারণে একটা দরজা বন্ধ হয়ে গেলে অনেকগুলো দরজা খুলে যায়। শুধু জানতে হবে কোন চাবি দিয়ে কোন দরজা খুলবে। তাই তিনি অনলাইন ব্যবসায় প্রশিক্ষণের ওপর গুরুত্ব দিতে বলেন। ফোরামের নারী উদ্যোক্তাদের জন্য একটি ফান্ড গঠনের পরামর্শ দেন। ফোরামের উপদেষ্টার উদেশ্যে বলেন- একজন রাজীব আহমেদ নিজের ব্যক্তিগত কাজ ফেলে ভাই হয়ে যেভাবে নারীদের পাশে দাঁড়িয়েছেন আমরা নারীরা কেন তাহলে নারীদের পাশে দাঁড়াব না।

দেশীয় পণ্য নিয়ে যারা কাজ করছেন তাদের জন্য হাইটেক পার্ক থেকে সহযোগিতা চেয়েছেন রাজীব আহমেদ। হাইটেক পার্কের প্রজেক্ট ডিরেক্টর ও জেনারেল সেক্রেটারি এএনএম শফিকুল ইসলাম এ বিষয়ে সহযোগিতার আশ্বাস দেন।

দেশের বেকারত্বের ধাক্কা সামলাতে বর্তমানে নারী উদ্যোক্তাদের অনলাইনে ব্যবসায় প্রসারে সহযোগিতা করছে 'ওমেন অ্যান্ড ই-কমার্স ফোরাম (উই)'। আজ পর্যন্ত গ্রুপর সদস্য সংখ্যা ১ লাখ ৬৬ হাজার।

ওমেন অ্যান্ড ই-কমার্স ফোরামের প্রেসিডেন্ট নাসিমা আক্তার নিশা বলেন, আমি দেশি উদ্যোক্তাদের নিয়ে কাজ করতে চাই। নারীদের অর্থনৈতিক উন্নয়নে কাজ করতে দেখলে ভালো লাগে। ইচ্ছে ছিল আরও বেশি সংখ্যক নারীদের প্রশিক্ষণের আওতায় আনা। কিন্তু অনলাইন প্রশিক্ষণে প্রশিক্ষকের অসুবিধার কথা চিন্তা করে আপাতত ৬০ জন করে নারীদের দুটো বিষয়ে প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে। ভবিষ্যতে আরও নারীদের দক্ষতা উন্নয়নের প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে। মাসে যে চার-পাঁচটি কর্মশালার আয়োজন করা হয় তা অব্যাহত থাকবে।