শনিবার   ১৬ জানুয়ারি ২০২১   মাঘ ৩ ১৪২৭   ০২ জমাদিউস সানি ১৪৪২

ভাসানচর কোন বিচ্ছিন্ন ভূখন্ড নয়

কক্সবাজার বার্তা

প্রকাশিত : ১১:৩৭ পিএম, ২০ অক্টোবর ২০২০ মঙ্গলবার

ভাসানচর কোন বিচ্ছিন্ন ভুখন্ড নয়, বরং চারদিক থেকেই নৌপথের সহজ সংযোগ রয়েছে। হাতিয়া, সন্দ্বীপ ও নোয়াখালী থেকে প্রতিদিনই ভাসানচরে আসা যাওয়া করে ট্রলার।
চরের লাগোয়া সমুদ্রপথটি দেশের অন্যতম ব্যস্ত নৌরুট হওয়ায়, পণ্য পরিবহনেও কোন সমস্যা নেই। ভাসানচর আশ্রয়ন প্রকল্পের পরিচালক বলছেন, রোহিঙ্গাদের অস্থায়ী পুনর্বাসনের ক্ষেত্রে এই চরটি সবদিক থেকেই আদর্শ স্থান।

যাত্রাপথে মালবাহী জাহাজ একের পর এক পাশ কাটাচ্ছে। নাবিকরা জানালেন, দেশের বিভিন্ন জেলা, এই নৌ-পথেই চট্টগ্রামের সঙ্গে যুক্ত। তাই অহরহই চোখে পড়ে নৌযান।

পতেঙ্গা থেকে ভাসানচর যেতে ৮ কিলোমিটার আগে সন্দ্বীপ। আর একটু পেছনে জাহাজীর চর ২০ কিলোমিটার। ভাসানচর থেকে ৩৯ কিলোমিটার পার হলেই নোয়াখালি। আরেক নিকটতম প্রতিবেশী হাতিয়া। দূরত্ব মাত্র সাড়ে ২৪ কিলোমিটার। সবগুলো জায়গা থেকেই যোগাযোগের ব্যবস্থা আছে।

নানা পক্ষ থেকে কথা উঠছে, ভাসানচর, বাস্তচ্যুত নাগরিকদের সর্বোচ্চ সুযোগ সুবিধা দিতে পারবে না। যদিও সরেজমিনে দেখা গেছে, এরই মধ্যে বাসযোগ্য হয়ে উঠেছে ভাসানচর। জীবনের আয়োজনে কোথাও ঘাটতি নেই কোথাও। আকাশপথেও যোগাযোগের ব্যবস্থা আছে ভাসানচরে। উদ্ধার বা ত্রাণ কাজ এবং পরিবহনের জন্যও পুরোপুরি প্রস্তুত ২টি হেলিপ্যাড।

ভাসানচর আশ্রয়ণ প্রকল্পের পরিচালক কমোডর আব্দুল্লাহ আল মামুন চৌধুরী বলেন, ‘এই যে স্থাপনা গড়ে তোলা হয়েছে। এতে কাজ করেছে ১৪ থেকে ১৫ হাজার লোক যে আসছে নিশ্চই যোগাযোগ ব্যবস্থা আছে এবং থাকবে। এটা উন্নত হয়ে যোগাযোগ ব্যবস্থা আরো বাড়বে।